কেন লিখতে বসেছি তা জানি না। কিন্তু আমার বিবেক বলছে কিছু একটা লিখতে, তাই বসলাম।
দেশে যা শুরু হয়েছে তার আগামাথা কিছুই মাথায় ঢুকছে না। আমি কোনো দলের পক্ষ নিয়ে এইসব লিখছি না। বিএনপি-র অত্যাচারে বিরক্ত হয়ে মানুষ আওয়ামীলীগ কে ভোট দিয়েছে। কিন্তু এই কি তার প্রতিদান?
দেশের প্রতিটি েক্ষত্রে এখন অরাজকতা।
শেয়ার বাজারে অস্থিরতা, দ্রব্য বাজারে অস্থিরতা, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অরাজকতা, ভুয়া এম এল এম কোম্পানী কর্তৃক মানুষ নিঃস্ব, গুম, অপহরণ, সুবিচার ইত্যাদি ইত্যাদি তে দেশের মানুষ এখন চরম বিরক্ত। মানুষ এখন এসবের শেষ দেখতে চায়।
দয়া করে কেউ বলতে যাবেন না দেশ উন্নয়নের জোয়ারে ভেসে যাচ্ছে। একবার নিজেকে প্রশ্ন করে দেখুন। আমরা এসবের শেষ দেখতে চাচ্ছি। আওয়ামীলীগ আমলে যদি দেশের উন্নয়ন হয়, তাতে আমার কোনো ক্ষতি নেই।
এমন অনেকে আছেন যারা নিজের দলের জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত। তারা চান শুধুমাত্র তাদের সরকারের আমলেই দেশের উন্নয়ন হোক। আর অন্য সরকারের আমলে পারলে নিজেরা ঘটনা ঘটিয়ে সরকারের উপরে দোষ চাপাতে। ভাই আমি ওই দলের লোক না।
আমি দেশের উন্নয়নকামী দলের লোক। আর সেটা যে সরকারের আমলেই হোক না কেন তাতে আমার কিচ্ছু যায় আসে না।
সবশেষে একটা কথা বলি। বিএনপি-আওয়ামীলীগ-বিএনপি-আওয়ামীলীগ-বিএনপি-আওয়ামীলীগ-বিএনপি এভাবে যদি দেশে চলতে থাকে জানি না এই দেশে আর গণতন্ত্র থাকবে কিনা। গণতন্ত্রের নামে দেশে হয়তো তখন রাজতন্ত্র শুরু হবে। মেজর জিয়া-বেগম খালেদা জিয়া-তারেক রহমান-উনার ছেলে-উনারছেলে, অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-শেখ হাসিনা-জয়-উনার ছেলে-উনার ছেলে এভাবেই চলতে থাকবে।
জানি না আপনারা আমাকে কি মনে করছেন। আপনাদের যা খুশি তাই ভাবতে পারেন। কিন্তু একদিন হয়তো আসবে যেদিন নিজের বিবেক কে নিজে উত্তর দিতে পারবেন না। সেদিন আর খুব বেশি দূ্রে নয়।
আমাদের কপাল টা আসলে খুব খারাপ। ভালো কোনো কিছুকে আমরা ভালোভাবে গ্রহণ করতে জানি না। তা নাহলে ফখরুদ্দিন এর মতো লোক কে আমরা বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করাতে চাচ্ছি, যেখানে আমরা কোনোদিনই হাসিনা-খালেদা কে নিয়ে এসব চিন্তা অ করতে পারবো না।
আমার লেখাতে যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, তার জন্য আমি দায়ী নই। দায়ী আমার বিবেক।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




