(এই ব্লগ টা একান্তই আমার নিজস্ব ভাবনা থেকে প্রসুত। এর সাথে অন্য কোনো রাজনীতিক, সাম্প্রদায়িক উদ্দেশ্য-র যোগসাযশ খুজতে যাওয়া নিছক বোকামি। আমার ব্লগ যদি কারো মনে বিন্দুমাত্র কষ্ট দেয়, তা সম্পুর্ণ অনভিপ্রেত এবং তার জন্য আমি একান্ত দুঃখ প্রকাশ করছি। এটা একান্ত ব্যক্তিগত দায়বোধ ও চিন্তাভাবনার প্রতিফলন মাত্র।)
গত বেশ কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের উপর জামায়াত-শিবিরের চরম হামলা চলছে।
আমি হতে পারি একজন হিন্দু/মুসলিম/খ্রিস্টান/বৌদ্ধ , আমি হতে পারি একজন আওয়ামীলীগ/বিএনপি/জামায়াত/জাতীয় পার্টি কিন্তু আমি অবশ্যই একজন নিরীহ বাঙ্গালী, যে আজো ভুলতে পারেনি একাত্তরের সেই নিমমর্তা, ধষর্ণ, গণহত্যা ইত্যাদি।
আমি বিবেকের তাড়নায় আজ লিখতে বসেছি।
বাহিরের শক্তির ইঙ্গিতে বিভিন্ন ইসলাম প্রধান দেশ যেমন পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়া ইত্যাদি দেশে যে অশান্তি চলছে এটা কি তারই ধারাবাহিকতা? এটা কি শুধুমাত্র জামায়াত-শিবিরের শীর্ষস্থানীয় নেতাদেরকে বাচানোর উদ্দেশ্যে আন্দোলন নাকি দেশের এই সংকট মুহুর্তে নেতৃত্ববিহীন একটা দলের বাহিরের কারো ইঙ্গিতে অভিনয় মাত্র।
তা নাহলে পুলিশ কেন তাদের টার্গেট?
এভাবে দেশের আইন রক্ষাকারী বাহিনীর(হোক তারা ব্যর্থ ) উপর হামলা যদি চলতে থাকে, তারা দেশ রক্ষার চেয়ে নিজেদের পিঠ বাচাতে ব্যস্ত থাকবে। দেশের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে। এর ফলশ্রুতিতে আমার( আমি একজন গন্ডমুর্খ) তো এই মনে হয় দেশে অতি শীঘ্রই সামরিক শাসন আসতে পারে/ গৃহ যুদ্ধ লাগতে পারে/ আবার ওয়ান ইলেভেন আসতে পারে। ঘুরে ফিরে আর যাই হোক দেশে শান্তি তো অন্তত থাকবে না। আওয়ামীলীগ কি মনে করে যে এই অবস্থায় দেশে শান্তিপুর্ণ নিবার্চন হবে? নাকি বিএনপি মনে করে যে তারা জামায়াতের এই কারযকলাপ সমর্থন করে ক্ষমতায় যেতে পারবে?
কিছুই হবে না।
এতে লাভবান কে হবে? সেই বাহিরের শক্তি নয় কি? আমরা যদি আমাদের স্ব স্ব অবস্থানে থেকে এর প্রতিরোধ না করি তবে আমাদের এই প্রিয় বাংলাদেশ খুব অচিরেই পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়ার মত একটি রাষ্টে পরিণত হবে।
এখন আমাদেরই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় যে আমরা কি চাই।
আসুন, এখন সিদ্ধান্ত নিই।
আমার ক্ষুদ্র রাজনীতিক শিক্ষা এবং অভিজ্ঞতা থেকে এটি লিখলাম।
(বানান ভুলের জন্য মাফ করবেন)।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




