হাজার বছরের বিশ্বাস আজ নতজানু আমার কাছে
সেই বিশ্বাসের আজ্গাবাহী দাস,তোমাদের চোখে আজো মোহের আগুন।
আমিও বিশ্বাসী,লালন করি তোমাদের অবিশ্বাস
তোমরা তবুও পা- চাটা কুকুরের মতো প্রভুর সত্তায় সমর্পিত।
বার্তাবাহী সময় এসে থেমে যায় আমার আকাঙ্খার আবর্তে,
যখন তোমাদের শিকলবন্দী অস্তিত্ব,আরোপিত পঙ্কতিমালায়।
চেতনারা হাহাকার করে ভ্রান্ত বিশ্বাসের বিষাক্ত থাবায়,
উপলব্ধি সব সমাহিত হয় মধ্যযুগের আদিম গহ্বরে।
মুক্তিকমীর হাতে পায়ে সমস্ত শরীরে আজ
অষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে আছে শেকড়ের বন্ধন।
আঁধারের নিরবতায় সেও নিরব অন্ধের কল্পনায়
তবুও চারপাশে সুতীব্র চিৎকারে শোনা যায় আত্মিক ক্রন্দন।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




