somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বৃ্‌ষ্টিরা এভাবেই হারিয়ে যায়

২২ শে মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বৃ্‌ষ্টিরা এভাবেই হারিয়ে যায়


: হ্যালো, কে বলছেন?
: আপনি কাকে চাচ্ছেন? ( ঘুম জড়ানো, কন্ঠে)
: আপনি কি লিমন বলছেন? আমি মি. লিমনকে চাচ্ছি।
: হ্যাঁ, লিমন বলছি। ( ঘুম জড়ানো কন্ঠে)
: আমি কি আপনার সাথে কিছু্‌ক্ষন কথা বলতে পারি?
: আপনি কে বলছেন দয়া করে জানাবেন কি?
: আমার পরিচয় আপনাকে পরে জানাবো।
: পরিচয়হীন কারো সাথে এই মধ্যরাতে আমি কথা বলতে আগ্রহী নই।
: আমি পরিচয়হীন? আর কথা বলবেন না, তাহলে পত্রিকায় ফোন নাম্বার দিয়েছেন কেন?
: পত্রিকায় ফোন নাম্বার দিয়েছি বলে শেষ রাত্রে ঘুম নষ্ট করে আপনার সাথে কথা বলতে হবে?
: আপনার জন্য শেষ রাত হতে পারে, কিন্তু আমার রাত তো মাত্র শুরু।
: তাই নাকি? তো এতক্ষন জেগে থেকে কি করেন?
: পড়াশোনা করি। পড়তে আর ভালো লাগছিল না বলে ‘মৌচাকে ঢিল’ হাতে নিয়েছি। আপনার লেখা পড়লাম, আর মেজাজটা আরো খারাপ হলো।তাই আপনাকে ফোন দেওয়া।
:আচ্ছা! তো লেখার মাধ্যমে আপনার মেজাজ খারাপ করে দেওয়ার জন্য আমি সত্যিই দুঃখিত।আমাকে এখন ফোন রাখতে হচ্ছে। কারন ভোরে উঠে আমাকে নামায পড়তে হবে। আবার সকাল সাতটায় বের হতে হবে ক্লাসের উদ্দেশ্যে।আপনি ভালো থাকবেন। রাখি।
: প্লিজ, শুনুন!আমি আবার আপনাকে এই সময় ফোন করব।
: সেটা পরে দেখা যাবে। এখন রাখি। বাই।

এভাবেই শুরু। রাত ২:৪০ মিনিটের দিকে বৃষ্টির কাছ থেকে প্রথম ফোন পাই। দীর্ঘদিন পর লেখার কারনে হয়তো ভাষা বিভ্রাট হতে পারে। তবে মূল কথা এরকমই।

মোবাইলে পরদিনও একই সময়ে ফোন। আমি নাম সেভ করে রাখলাম Midnight Caller| পরবর্তীতে এ কথা শোনার পর বৃষ্টির সে কি হাসি। মাদকতায় ভরা আবেগী এ হাসি আমাকে বৃষ্টির প্রতি আরো আগ্রহী করে তোলে।

এভাবে দু’চারদিন রাতে ফোন দিলেও পরবর্তীতে দিনের বেলায়ও ফোন আসতো বৃষ্টির কাছ থেকে। আমি বেশির ভাগ সময় ফোন রিসিভ করতে কিংবা বেশিক্ষন কথা বলতে পারতাম না ব্যস্ততার জন্য। কারন আইডিবি’র ক্লাস, দীর্ঘ সময় ঢাকা’র যানজটে সময় পার করা, টিউশনী, নিজের পড়া ইত্যাদি..।
যাহোক, একপর্যায়ে নিয়মিতই ফোনে কথা হতো বৃষ্টির সাথে। সে চাকুরি করতো এয়ারটেল ( তখনকার ওয়ারিদ টেলিকম) এর গাজীপুরের কোনাবাড়ি সেলস এন্ড কাস্টমার সেন্টারে। সেখানে বড় ভাইয়ের সাথে থাকতো। বৃষ্টির ভাই কোনাবাড়ীতে কোন একটা গার্মেন্টসে বড় পদে চাকুরী করতেন।

বৃষ্টির কাছ থেকে তার জীবনের গল্প শুনেছি। দুঃখে ভরা জীবন। বাড়ি রাজবাড়ী শহরে। বাবা সরকারী চাকুরে ছিলেন। ছোট বেলায় মা মারা যাবার পর বাবা আবার বিয়ে করেন। এজন্য দুঃখ-রাগ-ক্ষোভ-অভিমানে বাবার সাথে কথা বলতো না। কিছুদিন ঢাকায় বড় বোনের বাসায় থেকে পড়াশোনা। তারপর চাইল্ড কেয়ার হোমে চলে আসা। সেখানে থেকেই পড়তো ঐতিহ্যবাহী ভিকারুন্নিসা নূন স্কুলে। খুব মেধাবী ছাত্রী ছিল। এস.এস.সি এবং এস.এইচ.সি উভয় পরীক্ষায় এ+ পেয়েছিল। এরপর ভর্তি হয়েছিল সম্ভবত ঢাকা সিটি কলেজে ( সম্ভবত বলছি এজন্য যে, বৃষ্টি ঠিকই বলেছিল। কিন্তু আমি এখন মনে করতে পারছি না।)

চাইল্ড কেয়ার হোমস থেকে ঢাকায় বড় বোনের বাসা কিংবা গাজীপুরের কোনাবাড়িতে বড় ভাইয়ের বাসায় মাঝে মাঝে ঘুরতে যেতো। একবার গাজীপুরের কোনাবাড়ি থেকে বাসে ঢাকায় ফেরার পথে পরিচয় হয় তখনকার ওয়ারিদ টেলিকমের এক কর্মকর্তার সাথে। ঐ কর্মকর্তা বৃষ্টির আকর্ষনীয় ফিগার, রুপলাবন্য আর স্মার্টনেস দেখে ওয়ারিদের কোনাবাড়ি সেলস এন্ড কাস্টমার সেন্টারে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। এরপর সে ওয়ারিদে যোগ দেয়।

বৃষ্টির বড় বোন, যিনি ঢাকায় থাকেন তার স্বামী একজন আইনজীবি। সবার বড় ভাই বুয়েটের একজন শিক্ষক, যিনি পি.এইচ.ডি করার জন্য ইংল্যান্ড যান এবং এখন সেখানেই স্থায়ীভাবে অবস্থান করছেন।

বৃষ্টির বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করায় সে বাবার সাথে কথা বলতো না- সে কথা আগেই লিখেছি। তার বাবা ঠিকই সব দায়িত্ব ঠিকমতো পালন করতেন। নিয়মিত মেয়েকে দেখতে ঢাকায় যেতেন, টাকা দিয়ে আসতেন।

তার বাবার দ্বিতীয় সংসারে এক মেয়ে ও এক ছেলে হয়েছিল। এ দু’ভাই বোনকে বৃষ্টি খুবই পছন্দ করতো। তার ছোট বোনটি এইচ.এস.সি. তে এবং ছোট ভাইটি দশম শ্রেনীতে পড়তো। বৃষ্টি তার ছোট বোনের সাহসিকতা আর দুষ্টুমির কথাও আমাকে বলতো। কোন এক ছেলে তাকে ভালোবাসার কথা বলতেই সবার সামনে ঐ ছেলেকে থাপ্পর মারা কিংবা এ ধরনের আরো নানা ঘটনার কথা বৃষ্টি আমাকে বলতো।

বৃষ্টি একপর্যায়ে আমাকে ভালোবাসার কথা জানায়। আমার কথা শুনে, আমার ব্যাক্তিত্বে মুগ্ধ হয়ে আমাকে না দেখেও নাকি সে আমার প্রেমে পড়েছে।
বৃষ্টি আমাকে তার সব গোপন কথাই বলতো। কে কে তাকে ভালোবাসার প্রস্তাব দিয়েছিল, নানা ছুতোয় কে কে তার শরীর স্পর্শ করতে চেষ্টা করেছে ইত্যাদি। এমনকি তার ব্রেস্টে কি একটা সমস্যা হয়েছিল যার জন্য ল্যাব এইডে চিকিৎসা করাচ্ছিল, এসব কথাও আমাকে বলেছিল।

বৃষ্টির আহ্বান উপেক্ষা করা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। সম্ভবত পঁচিশ উর্দ্ধ একাকী কোন যুবকের পক্ষেই তা উপেক্ষা করা সম্ভব হয় না। আমিও বৃষ্টির সে আহ্বানে সাড়া দিলাম। ফোনে কথা বলা বাড়িয়ে দিলাম। কথা হতো নানা বিষয়ে, অতীত- বর্তমান- আর ভবিষ্যত নিয়ে। ভবিষ্যতে আমরা কি করবো- ইত্যাদি.......।

বৃষ্টি এক সময় জানায়- আমার সাথে প্রেমের বিষয়ে তার বান্ধবীদের চ্যালেঞ্জ বিষয়ে। বান্ধবীদের চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল আমার সাথে কথা বলে, আমাকে তার প্রেমে দিওয়ানা করে ছাড়বে। এও জানায়- আমাকে তার প্রেমে দিওয়ানা বানাতে গিয়ে উল্টো সে নিজেই ফেঁসে গেল। এখন নাকি আমাকে ছাড়া সে কিছুই ভাবতে পারেেছ না।

কাস্টমার কেয়ারে যখন থাকতো তখন বৃষ্টি তার ব্যক্তিগত সেলফোনটি অফ রাখতো কারন কাস্টমারদের সামনে কিংবা অফিস কলিগদের সামনে আমার সাথে কথা বলতে তার নাকি লজ্জা লাগে। আমি কখন ফোন দিয়ে বসি, এজন্যই সে অফিস সময়ে ফোন বন্ধ রাখতো। তবে কখনো অফিস থেকে বের হলে কিংবা বিকালে অফিস থেকে বের হয়েই আমাকে ফোন দিত এবং সারাদিন কথা বলতে না পারায় আক্ষেপের কথা বলতো। এমনও বলতো- এ চাকুরিই ছেড়ে দিবে। যে চাকুরির কারনে আমার সাথে কথা বলতে পারে না, সে চাকুরির তার কোন দরকার নেই। চাকুরি ছাড়ার কথা বলতেই আমি নিষেধ করতাম।

একসময় বৃষ্টি জানালো- ছয় মাস হলেই তাকে ব্যক্তিগত ফোন দেবে ওয়ারিদ কর্তৃপক্ষ এবং তখন সে ইচ্ছা করলে ঢাকার মতিঝিলে বদলি হয়ে আসতে পারবে। আমিও চাচ্ছিলাম সে ঢাকায় চলে আসুক। এতে আমার নিয়মিত দেখা সাক্ষাত সহজ হবে। যদিও সে প্রায়ই বলতো- আমি যেন কোনাবাড়িতে তার সাথে গিয়ে দেখা করে আসি। ঢাকা থেকে কোনাবাড়ির দূরত্ব ৬০ কিমি’র বেশী নয়। আমার ইচ্ছে ছিল- ঢাকায় ধানমন্ডি লেকের পাড়ে তার সাথে প্রথম দেখা করবো। কারন সে-ই আমাকে একদিন বলেছিল- কোন একদিন লেকের পাড়ে আমার হাত ধরে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকবে, কিন্তু কোন কথা বলবে না। আরো বলেছিল- এখন তো মনের আবেগ-অনুভূতির কথা, চাওয়া-পাওয়া, সবকিছুই প্রকাশ করি কথা বলে। কিন্তু একদিন সব হবে স্পর্শের মাধ্যমে। আমি তোমার হাত ধরে বসে থাকবো তোমার শরীরে হেলান দিয়ে। তখন তুমি আমার সব অব্যক্ত কথাগুলো বুঝে নিবে। পারবে তো? আমার উত্তর ছিল- তোমাকে পাশে পেলে, তোমার স্পর্শ পেলে সবই পারবো, আমাকে যে পারতেই হবে।

বৃষ্টি একদিন জানালো- আগামী সপ্তাহে বাড়ি যাবে অর্থাৎ রাজবাড়ি। ভাইয়া বাড়ি যেতে বলেছে। আমার কাছে অনুমোতি চাইলো। আমি বললাম- অনুমোতির কি আছে? ভাইয়া বাড়ি যেতে বলেছে, অবশ্যই যাবে। উত্তরে বৃষ্টি আমাকে বললো- আমার মনে হচ্ছে বাড়ি গেলে আমি আর তোমার কাছে কখনো ফিরে আসতে পারবো না। উত্তরে আমি বলেছিলাম- অবশ্যই তুমি আমার কাছে ফিরে আসবে। আর তুমি যদি নাই পার, তবে আমি নিজে গিয়ে তোমাকে জোড় করে নিয়ে আসবো।

বৃষ্টি রাজবাড়িতে যাওয়ার পর প্রতিদিনই ফোনে আমাদের কথা হতো। তবে বেশির ভাগ সময়ই তার ফোন বন্ধ থাকতো। তার যুক্তি ছিল দুষ্টু ছোট বোন কিংবা ভাবী যেন আমার কথা না জানতে পারে, সেজন্যই ফোন বন্ধ করে রাখে। যদিও তার যুক্তি আমি মেনে নিতে পারছিলাম না।

তৃতীয় দিন সন্ধায় তার বাবার এক বন্ধুর ছেলে বৃষ্টিকে দেখতে আসে এবং পছন্দও করে। কিন্তু বৃষ্টিই সে ছেলেকে জানিয়ে দেয় তার ভালোবাসার কথা। ফলে বৃষ্টির কথা মেনে নেয় সে ছেলে। এসব কথা বৃষ্টিই ফোনে আমাকে জানায়।

বৃষ্টি না জানালেও বৃষ্টির ছোট বোনটি ঠিকই আমার কথা জানতে পারে। এবং কয়েক দফায় আমার সাথে তার কথাও হয়। বৃষ্টি কথনো আমাকে ফোনে মিসকল দিত না। কিস্তু তার ছোট দুষ্টু ছোট বোনটি আমার সাথে কথা বলার ইচ্ছা হলেই বৃষ্টির ফোন থেকে মিসকল দিত। আমি কলব্যাক করলে প্রচুর কথা বলতো, তার কথা যেন শেষ হতো না। তার ছোট বোনটি আমাকে একথাও জানায়, বৃষ্টি আপুর কোন কথাই বাড়িতে কেউ উপেক্ষা করে না। বৃষ্টি আপু খুব একরোখা, জেদী প্রকৃতির। তাই কেউ তার কথার বিরোধীতা করে না, সব কথাই মেনে নেয়।

আগেই বলেছি, বৃষ্টি তার গোপন শারিরীক সমস্যার কথাও আমাকে জানিয়েছিল। বলেছিল, তার ব্রেস্টে সমস্যার কথা এবং এজন্য ল্যাব-এইডে চিকিৎসা নিচ্ছিল। আমি বিস্তারিত জানতে চাইলে বললো- ছেলেদের এত কথা জানা টিক নয়। তবে এতে তোমার কোন সমস্যা হবে না। তুমি তোমার বৃষ্টিকে ঠিক পরিপূর্ণভাবেই পাবে। তোমার আনন্দ উপভোগে কোন সমস্যা ও ঘাটতি হবে না।

বাড়িতে থাকাকালীন ৫ম দিন সন্ধ্যায় জানালো, ব্রেস্টে প্রচুর ব্যাথা হচ্ছে। পরে ফোন দেবে বলে ফোন কেটে দিল। পরদিন রাতে তার ছোট বোন ফোন দিলো এবং জানালো, রাতে ব্যাথা অনেক বেড়ে যায় এবং আজ সকালে তারা বৃষ্টিকে ঢাকায় নিয়ে আসার পর ল্যাব-এইডে ভর্তি করায়। বৃষ্টিও আমার সাথে কথা বলে।আমি হাসপাতালে যাওয়ার কথা বলতেই বললো, এখন তোমার আসার দরকার নেই। একটু ভালো হলে আমি তোমাকে আসতে বলবো এবং সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো। যেহেতু আমার সাথে কথা বলা ছাড়া অন্য সময় বৃষ্টির ফোন বন্ধ থাকতো, তাই আমি ইচ্ছা করলেও যখন তখন তার সাথে কথা বলা কিংবা খোঁজ নিতে পারতাম না।
তারপরদিন রাত দশটার দিকে বৃষ্টির ছোট বোন জানালো- বৃষ্টির অবস্থার কোন উন্নতি হচ্ছে না। বেশিরভাগ সময় সংজ্ঞাহীন থাকে।তাই দ্রুত তাকে ইংল্যান্ড নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে এবং সপ্তাহ খানেকের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হবে। বৃষ্টির বোন কথা দিল- আমাকে সে সবকিছু জানাবে। এও বললো- এ মুহূর্তে হাসপাতালে আমার না যাওয়াই ভালো।

কিন্তু এরপর আর কেউ আমার কথা মনে রাখেনি। বৃষ্টিও না, তার বোনও না। এরপর আর কোনদিন বৃষ্টির মোবাইল নাম্বারটি ( ০১৯১৩৬৪৮৪০৪ ) চালু হয়নি। অন্য কোন নাম্বার থেকেও বৃষ্টির বিষয়ে বা বৃষ্টির কাছ থেকে কোন ফোন আমার মোবাইলে আসেনি। ফলে আমি জানি না, সে সময় বৃষ্টির কি হয়েছিল, সে কোথায় আছে, কেমন আছে ইত্যাদি।

কেউ হয়তো আমার উপর দোষ চাপাবেন, কেন আমি হাসপাতালে গেলাম না।আমাকে যেহেতু নিষেধ করা হলো সে মুহূর্তে হাসপাতালে যাওয়ার ব্যাপারে, তাই আমি যাইনি। সপ্তাহখানেক পর ঠিকই গিয়েছিলাম। কিন্তু বৃষ্টির বিষয়ে কোন তথ্য পাইনি।

পরবর্তীতে আমি ফেসবুকে বৃষ্টি নাম সার্চ দিয়ে একজনকে পেয়েছি যার দেওয়া তথ্যের সাথে আমার বৃষ্টির মিল খুজে পাই। তবে ফেসবুক বৃষ্টি যেহেতু তার যাবতীয় ডাটা রেসট্রিক্টেড করে রেখেছে, সেহেতু আমি শুধু ফেসবুক বৃষ্টিকে মেসেজ পাঠানো ছাড়া আর কিছুই করতে পারিনি। বলাই বাহুল্য আমার মেসেজের রিপ্লাই আসেনি।

আমি এখনো আশায় আছি, আমি এখনো বিশ্বাস করি- একদিন হঠাৎ বৃষ্টির কাছ থেকে ফোন পাব। আমি এখনো নিরাশ হতে চাই না। বৃষ্টি আমার সাথে প্রতারনা করেছে- এমনটি বিশ্বাস করতে চাই না।

আমি অনুভব করি- বৃষ্টির প্রতি আমার যে ভালোবাসা এবং সেটা যে সত্য তা একদিন প্রমান হবেই।


মো. শহীদুল কায়সার লিমন
বড়নল, ভিটিপাড়া ( বরমী), শ্রীপুর, গাজীপুর-১৭৪৩
মোবাইল- ০১৯১১৭৫৮৫৩৩, ০১৭১১১০৮৬৮৪
[email protected]
[email protected]



সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৬
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×