দেশে বাংলা ভাই আর ইংরেজী ভাই বলে কিছু নেই! স্বরাষ্ট্রমন্থ্রীর সেই দ্্বম্ভভরা মুখটা মনে পড়ছিলো সেদিন। বাংলা ভাই ধরা পড়ার দিন তিনি দেশে ছিলেন না। হয়তো বেঁচেই গেলেন লুতফুজ্জামান বাবর। নইলে সাংবাদিকরা তাকে ত্যাক্ত করতেন এনি য়ে কোন সন্দেহ নেই। তার হয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিএনপি মহাসচিবের মুখে অনেকদিন পর আবার ইংরেজী ভাই কথাটা শুনে মজা লাগছিলো। তারচেয়ে মজা লাগছিলো দেশে ফিরে যখন বাবর সাহেব বললেন, মিডিয়ার কথাই ঠিক ছিলো!!!!
কোন রিপোর্ট কারো বিপক্ষে গেলেই এদেশে মিডিয়াকে শত্রু ভাবা শুরু হয়। বিষয়টিতে চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়ে ভুল প্রমানের তাড়না আমাদের মাঝে নেই। অর্থমন্থ্রী তো সুযোগ পেলেই সাংবাদিকদের একহাত নেন। যেন সব দোষ মিডিয়ার। তারাই সরকারকে হটানোর জন্য বিরোধীদের মদদ দিচ্ছে!!! কি অদ্ভুত বিষয়। কত সহজে তারা ভুলে যান এই মিডিয়াই কিন্তু জয়নাল হাজারী কিংবা শামীম ওসমানদের ছাড় দেয়নি। আর সেই সব ইসু্য পুজি করেই আজ জোট সরকার ক্ষমতায়। ভুল থেকে শিক্ষা কি আমরা কোনদিনই নিতে শিখবো না?
জঙ্গীবাদের উচ্ছেদ সরকার আসলেই চায়? সর্ষের মধ্যেই যে ভুত লুকিয়ে!!! বলছি জামাতের কথা, গোলাম আযম-নিজামীদের কথা! ইসলামী ব্যাংক যে ওদের সম্পত্তি সেটা কে না জানে। সেই ব্যাংকই ছিলো জঙ্গীদের লেনদেনের মূল সুতিকাগার। এটা আমার কথা নয়, তদন্তের কথা। টিভি সাক্ষাতকারে অনেক জঙ্গী ষ্পষ্ট করে বলেছেন তারা ছাত্র শিবির করতেন! আর কি প্রমান চাই আমাদের?
71-এর দানবরা আজ আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ওদের রুখতে হবে। যে কোন মূল্যেই হোক..........
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



