জাতিগতভাবে আমাদের মধ্যে ভ্রমণপ্রিয়তা কম। সেটা আরো উসকে দিয়েছে সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা। অথচ কোন কিছু জানার মাধ্যম হিসাবে বইয়ের চেয়েও কার্যকরী হলো ভ্রমণ। অজানাকে জানা আর অচেনাকে দেখার আনন্দই অন্যরকম। নতুন পরিবেশে নতুন মানুষের সঙ্গে মানিয়ে নেয়া বিষয়গুলো মনকে উদার করে। মানুষ বেরিয়ে আসে সংকীর্ণতা থেকে। আর মনের সংকীর্ণতা দূর করতে পারলে সেই তো সত্যিকারের বড় মানুষ। বাংলাদেশের এখন একঝাঁক বড় মানুষের খুব দরকার। সেটা কেন আমি কিংবা আপনি হবো না?
সকল সমস্যার পরও ধীরে ধীরে আমাদের দেশে ভ্রমন অভ্যাস বাড়ছে। বছরের শেষভাগে বেশকিছু বেড়ানোর প্রোগ্রাম এখন বেশ সুপরিচিত। মিডিয়াও বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে ইদানিং । ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে আয়োজিত পরিবেশ, ঘুড়ি কিংবা সূর্য্য উৎসবের কথাই ধরুন না। সমাজের অনেক আলোকিত মানুষরা এই উৎসবগুলোকে আরো গ্লামারাস করছেন তাদের অংশগ্রহনের মাধ্যমে। এতো গেলো সাংগঠনিক ভ্রমণ। পারিবারিকভাবেও আমাদের উচিত বছরের একটা নির্দিষ্ট সময় বেড়াতে যাওয়া। অনেককে বলতে শুনেছি, ওই জায়গায় গেছি, আরে তেমন কিছু দেখার নাই। আসকি হয়েছে কি, দেখার চোখই ওদের নাই। সাধারনের মাঝে অনেক অসাধারন বিষয় খুঁজে পাওয়া যায়। প্রয়োজন শুধু সুন্দর একটা চোখ আর মনের প্রবল ইচ্ছ। ঠিক যেমন গ্রামে গেলে আমাদের মনটা ভরে ওঠে।
আমি আসলে ভ্রমণের ব্যাপারে ক্রেজি বলে সবার উপর বিষয়টি চাপিয়ে দিচ্ছি আর বেশী বেশী জ্ঞানী কথা বলছি। পড়ে কেউ বিরক্ত হলে ক্ষমা করবেন। আর চাইবো আসুন আমরা প্রথমে নিজের দেশকে দেখি। তারপর সুযোগ পেলে দেশের বাইরেও...........
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



