আপত্তি না করে নিজেদের 'আন্ডারডগ' মেনে নিয়ে অবাকই করলেন স্টিভ টিকোলো! 7 বারের মুখোমুখিতে যারা 6-1 ব্যবধানে এগিয়ে তারা কেন প্রতিপৰেকে 'ফেভারিট' লেবেল
ছেড়ে দেবে? এই প্রশ্নের জবাব অনেক ব্যাখ্যার দাবী রাখে। তবে আপাতত এটাই সত্য যে বাংলাদেশ- কেনিয়া ওয়ানডে সিরিজে স্বাগতিকরা 'ফেভারিট'। সমস্যাটা তো এখানেই! চাপটা হাবিবুল বাশারদের উপর থাকছে বেশী। কারণ বাংলাদেশ যে 'ফেভারিট'।
লড়াইটা কিন্তু আসলে স্টিভ টিকোলোর সঙ্গে! তাকে যারা চেনেন-জানেন তাদের এই কথার সঙ্গে দ্্বিমত করার কোন উপায় নেই। এই চেনাজানাটা আসলে সামর্থ্যকে নির্দেশ করে! দল হিসাবে কেনিয়া এই মূহুর্তে বাংলাদেশের জন্য যতোটা হুমকি তার চেয়ে অনেক বেশী হুমকি টিকোলো! একটা দলের জন্য হুমকি একজন ব্যক্তি! এবার বুঝুন তার ক্রিকেটীয় সামথর্্য!
এক অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় বাংলাদেশ অধিনায়ক হাবিবুল বাশার পর্যন্ত স্বীকার করেছিলেন বাংলাদেশের যেকোন ক্রিকেটারের চেয়ে টিকোলোর সামর্থ্য বেশী। ভুল কিছু বলেননি হাবিবুল। টানা কয়েক বছর এদেশের ঘরোয়া লিগ খেলায় বাংলাদেশ হয়ে গেছে টিকোলোর সেকেন্ড হোম। আর রানও করেছেন ধারাবাহিকভাবে। গত লিগের টপস্কোরারও ছিলেন টিকোলো। শুধু কেনিয়ায় জন্ম বলেই তিনি টেস্ট ক্রিকেটার নন! সেই টিকোলোর নেতৃত্বে কেনিয়া এখন 4 ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে। গতকাল সকালে ঢাকায় পা রাখার পর বিকালে স্থানীয় একটি হোটেলে মিডিয়ার মুখোমুখি হন দলের কোচ ও অধিনায়ক। সেখানে টিকোলো বললেন,' আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ক্রিকেট খেলতে এসেছি। এবং অবশ্যই চাইবো সিরিজ জিততে। তবে সিরিজে আমরাই আন্ডারডগ!'
অন্যদিকে কোচ রজার হার্পারের এটা তৃতীয় বাংলাদেশ সফর। আগে এসেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোচ হয়ে। সিরিজ ভাবনায় তিনি জানালেন,' আমি কেনিয়ার দায়িত্ব নিয়েছি জানুয়ারির শেষ দিকে। কোচ হিসাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ আর কেনিয়া যে দলের হয়ে কাজ করি না কেন, উদ্দেশ্য তো একিই। ভালো ক্রিকেট উপহার দেয়ার চেষ্টা করা।'
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



