একটু আগে মিসেস তাজীন- এর একটা পোষ্ট পড়লাম জাপানীজ ইউনিগুলোতে বিদেশী স্টুডেন্টদের উপর সুপাভাইজার (সুভা)-দের প্রভুত্ত্ব খাটানো নিয়ে। সত্যিই সব তিক্ত অভিগ্গতা। কিন্তু আমি মেলাতে পারছিনা কিছুই। তাই আমার সুভা কে নিয়ে কিছু কথা সবার সাথে শেয়ার করার ইচ্ছে হল।
আমার সুভা-র সাথে আমার প্রথম যোগাযোগ হয় ই-মেইলে। আমার জাপানে পড়ার আগ্রহের কথা তিনি জানতে পারেন উনার এক কলিগ-এর কাছে। প্রসাঙ্গতঃ, মাস্টার্সে পড়ার সময় (২০০৩) থেকেই আমি জাপানে প্রফেসরদের কাছে লেখালেখি শুরু করি। সেই সময় কিয়োটো ইউনিভার্সিটির এক প্রফেসর কে লিখেছিলাম তার ল্যাব-এ আমার পি এইচ ডি করার আগ্রহের কথা। সে আমাকে কোন উত্তর দেননি। তিনি আমার বর্তমান সুভা কে আমার ই-মেইলটা ফরওয়ার্ড করে দেয় মাত্র। তার পর থেকে আমার বর্তমান সুভা-র সাথে লেখা লেখি। আমি কিসের উপর গবেষণা করতে চাই, কি ভাবে আসতে চাই এই সব নিয়ে।
সে যাই হউক, দীর্ঘ ৯ মাস ই-মেইল যোগাযোগের পর আমার সুভা আমাকে স্কলারশিপের কনফার্মেশানের কথা জানাইলেন। আমি খুশিতে বাগবাকুম। সব ছেড়ে ছুড়ে অক্টোবর ২, ২০০৫ এ জাপানের উদ্দেশ্যে স্বদেশ ছাড়লাম।
আমার সুভা আমার জন্য নিজে থেকেই এমন একটা ডরমিটরি ঠিক করলেন যেখানে আগে কোন স্কলারশিপ স্টুডেন্ট এলাউড ছিল না। আসলে ডরমিটরিটা ছিল JASSO-এর। এসব ডরমিটরিতে সাধারণত প্রাইভেট স্টুডেন্টরা থাকতে পারে। কারণ, এসব ডরমিটরিতে আধুনিক সব সুযোগ সুবিধা থাকা সত্ত্বেও ভারা একদম কম (মাত্র ২২০০০ ইয়েন/ মাস)। আমিই ছিলাম ওই ডর্মিটরিতে প্রথম স্কলারশিপ স্টুডেন্ট।
ইউনিতে আসার পর আমার সুভা নিজের গাড়িতে করে আমাকে ডর্মিটরিতে পৌছে দিলেন। প্রাথমিক সমস্ত অফিসিয়াল ফর্মালিটি নিজে করে দিলেন। উপরন্তু আমার স্খলারশিপের টাকা পাওয়ার আগে পর্যন্ত খরচের জন্য ৫০০০০ ইয়েন ধার দিলেন।
(আরো আছে অনেক। অপেক্ষায় থাকুন।)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


