একটা সাফল্য একজন মানুষকে কতটা খুশী করতে পারে? সত্যিকার অর্থে সেটা আমার জানা নেই। কিন্তু আমি অনুভব করতে পারছি, একটা সাফল্য একজন মানুষকে আরেকটা সাফলতার বীজ বুনতে অনুপ্রাণিত করে। কাজের প্রতি তার কমিটমেন্ট বাড়িয়ে দেয়।
আজ আমার খুব আনন্দের একটা দিন। তাই ব্লগে আমার সুভাকাঙ্খীদের সাথে সেই আনন্দটা শেয়ার করার জন্যই এই ছোট্র পোষ্ট। এটাকে অহংকার বা গর্ব প্রকাশের কোন অজুহাত হিসাবে কেউ ভাববেননা বলেই আমার বিশ্বাস।
সেই ২০০৫ এ যখন এখানে (জাপান) এসে পি. এইচ. ডি শুরু করি, তখন আমার ল্যাব-এ একজন ইন্ডিয়ান ভদ্রলোক পোষ্ট ডক্টরেট করছিলেন জে. এস. পি. এস. ফেলোশিপ নিয়ে। আমার জানা মতে এটা জাপানের সব চেয়ে প্রেস্টিজিয়াস ফেলোশিপ। সেলারি এবং অন্য সব দিক বিবেচনায় এই ফেলোশিপকে সারা পৃথিবীর প্রথম সারির ফেলোশিপগুলোর একটা ধরা যেতে পারে। সেই থেকে আমার মনে গেথে গিয়েছিল যে আমাকেও পেতে হবে এই ফেলোশিপটা। আমি আমার সামর্থ দিয়ে চেষ্টা করেছি।
গত এপ্রিল-এ এপ্লাই করেছিলাম আমার স্বপ্নের সেই ফেলোশিপের জন্য। আমার পি. এইচ. ডি.-এর সব ফরমালিটি শেষ হয়ে গেছে গত পরশু। সার্টিফিকেট পেতে আরো মাস খানেক অপেক্ষা করতে হবে। তার আগেই গতকাল আমার প্রফেসর আমাকে জানালেন আমাকে জে. এস. পি. এস. ফেলোশিপের জন্য সিলেকশান দেয়া হয়েছে। পুরো দুই বছরের জন্য। আমর সব কষ্ট সফল হয়েছে। কি যে আনন্দ হচ্ছে, বুঝাতে পারবনা। আগামী সেপ্টেম্বরে আমার মনবসু স্কলারশীপ শেষ হবে। অক্টোবর থেকে ফেলোশিপ পিরিয়ড শুরু করব, ইনশা আল্লাহ।
সবার দোয়া এবং সুভকামনা সাথে থাকবে আমার অনাগত দিনগুলোতে, এটাই আশা করছি।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


