এশিয়া কাপ ফাইনাল। তুমুল উত্তেজনা। লিটনের ব্যাটে চলছে তান্ডব। হঠাৎ তৃতীয় আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্তে আউট লিটন। মনটা খারাপ হয়ে গেল। যা বুঝার বুঝে গেলাম। টিভির সুইচ অফ করে ফেইসবুকের পোস্টগুলো পড়তে লাগলাম।
কাপটা আমরা সেদিনই জিতে গিয়েছিলাম যেদিন কব্জির হাড় ভেঙে যাওয়ার পরও প্লাস্টার বাঁধা হাত নিয়ে এক হাতে ব্যাটিং করলো তামিম।
চ্যাম্পিয়ন আমরা সেদিনই হয়ে গিয়েছিলাম যেদিন আঙুলে ব্যান্ডেজ পেঁচিয়ে বল করলো সাকিব। ইনফেকশন এড়াতে ফাইনালের আগের দিন তার হাত থেকে বের করা হল ৬০ থেকে ৭০ মিলি পুঁজ।
পাঁজরে অসহ্য যন্ত্রণা নিয়েও ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে ১৪৪ ও ৯৯ রানের ইনিংস খেলা মুশফিককে দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ি আমরা।
পঙ্গুত্বের ঝুঁকি নিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে খেলতে আসা মাশরাফি যখন ৯ ফুটের এক ডাইভ দিয়ে ক্যাচ ধরে, তারপর হাতের ব্যথায় মাঠ ছেড়ে মিনিট দশেক পর আবার ব্যান্ডেজ পেঁচিয়ে ফিল্ডিং এ নেমে পড়ে তখন এর চেয়ে বেশি আর কিছু চাওয়ার থাকে না।
মাঠের লড়াইয়ে আমরা যেমনই হই না কেন, ডেডিকেশনের লড়াইয়ে আমরা অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন।
বিশ্বাস করুন আর নাই করুন মাঠের লড়াইয়েও আমরা কাউকে ছেড়ে কথা বলি না। তাই তো আমাদের হারাতে আম্পায়ারদের সহায়তা নিতে হয়। আমাদের ২২২ রানের সামান্য পুঁজিকে অতিক্রম করতেও প্রতিপক্ষের ঘাম ছুটে যায়।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




