মাত্র 56 হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ। নিরক্ষরতা আর দারিদ্রতার কারনে বহুল জনসংখ্যার দেশ হলেও আয়তনে খুবই ক্ষুদ্র। জাতি- গোষ্ঠীর তেমন বিভিন্নতা নেই।
সামরিক শাসনের দুষ্টক্ষতের হাত ধরে মৌলবাদ ক্রমশ ঝেকে না ধরলে জঙ্গী ও বোমাবাজির মতো অপরাধগুলো ছিলনা বললেই চলে। রাজনৈতিক সহিংসতা থাকলেও রাজনৈতিক বিদ্্বেষ কখনোই এতোটা প্রখড় ছিলোনা। যাই হোক সমস্যা সঙ্কুল এ দেশটির বড় অহংকার ছিলো অসাম্প্রদায়িক চেতনা আর প্রগতিশীলতা। সে কারনেই ষাটের দশকেও এই ঢাকার রাজপথে আমাদের বোনেরা অস্ত্র হাতে শ্লোগান দিয়েছে কুখ্যাত পাকিস্তানী শাসকদের বিরুদ্ধে।
আর আজ ? নারীর শ্লোগান ! সে তো পরের বিষয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকেরাই েতা হরহামেশা খুন হচ্ছে মৌলবাদীদের হাতে।
এখন নতুন খেলা শুরু হয়েছে শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে। প্রথমে বলা হলো আজগুবি একমুখী শিক্ষার কথা। প্রতিবাদ হলো সর্বোত্র। ফলে পিছু হটলেন মুসলিম লীগার পিতার পরকীয়া বিশেষজ্ঞ পুত্র শিক্ষামন্ত্রী ও তার সহকারী নিউইয়র্কের ট্যাক্সি ড্রাইভার প্রতিমন্ত্রী।
মোল্লাদের নতুন ষড়যন্ত্রে তাদের দুজনের পরিকল্পনায় কওমী মাদ্রাসা নামক এক আজব জঙ্গী প্রস্ততকারক কোম্পানীগুলোকে দেয়া হচ্ছে সরকারি সনদ প্রাপ্তির স্বীকৃতি। অথচ গত দুদশক এদের কে টাকা দিয়েছে ... কারা এদের পিছনে অর্থ ঢেলে জঙ্গী বানিয়েছে তা জানার প্রয়োজনই বোধ করলোন া সরকার।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা সাধারন শিক্ষা ব্যবস্থা ও চাকুরী ক্ষেত্রগুলোতে মৌলবাদীদের জয়যাত্রা নিশ্চিত করতেই এটি করছে সরকার। ষড়যন্ত্র থেকে কে বাচাবে দেশকে ! সময় থাকতে কে রক্ষা করবে মোল্লাদের হাতে আটকে পড়া অসহায় শিশু কিশোরদের ? কি হবে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের শিক্ষা ব্যবস্থা ?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


