প্লানটা ছিলো .. দেখি দাম কত উঠে। মনে মনে ডিসিশান নিছিলাম আমিই কিনমু। কিন্তু কপাল খারাপ। কালকে অবশ্য অফিসেই শুনছিলাম। বিশ্বাস হয়নাই। আজ পত্রিকা দেখে তো অবিশ্বাসের আর কোন উপায় রইলোনা।
কইতেছিলাম রূপালী ব্যাংকের কথা। আমি কিনতে চাইছিলাম। বছর দুয়েক ধরে বড় একটা মাটির ব্যাংকের পাঁচ টাকার কয়েন জমাইতেছিলাম। কিন্তু শালার যুবরাজ কিইন্যা ফেললো 23শ মিলিয়ন ডলারে। (এটা কিন্তু আমাগো যুবরাজ না, সৌদী যুবরাজ.. আমাগো যুবরাজের মালয়েশিয়ায় 12 হাজার মিলিয়ন ডলার জব্দ হওয়ায় একটু ঝামেলায় আছে-- অবশ্য আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ পর্যন্ত চারটি চিঠি দেয়া হয়েছে মালয়েশিয়া সরকারকে যুবরাজের টাকাটা ছেড়ে দেয়ার জন্য)।
যাই হোক বলেন মেজাজটা কেমন লাগে। এতোদিন ধরে প্রস্তুতি নিলাম। আর দানটা মারলো সৌদী যুুবরাজ। ওই শালায় এটার খবর যে কেমনে পাইলো.. বদমাশটারে যদি র্যাবের হাতে দিতে পারতাম........
.অবশ্য ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান হাফিজ ইব্রাহীম এমপি সাহেব র্যাবের চেয়েও ড্যাঞ্জারাস.. হাওয়া ভবনের লোক বলে কথা... একটা কিছু তিনি নিশ্চয়ই করবেন.....
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।







