somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সারা দেশে উন্নয়নের জোয়ার। বাদ পড়েনি দেশের দক্ষিণাঞ্চল। স্থাপিত হচ্ছে সমুদ্রবন্দর, শিপব্রেকিং শিল্প- দক্ষিণাঞ্চলেও উন্নয়নের জোয়ার

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


তৃতীয় সমুদ্রবন্দর, মেডিক্যাল কলেজ, ক্যাডেট কলেজ, তাপবিদ্যুত কেন্দ্র, বীজবর্ধন
খামার ও শিপব্রেকিংসহ একগুচ্ছ প্রকল্প পটুয়াখালী তথা দক্ষিণাঞ্চলের জন্য খুলে দিচ্ছে অপার সম্ভাবনার এক নতুন দিগন্ত। বর্তমান সরকারের নেয়া এসব প্রকল্পের মধ্যে কয়েকটি প্রকল্প এরই মধ্যে বাস্তবায়ন হয়েছে। বাকিগুলোর কাজও চলছে দ্রুত গতিতে। যোগাযোগ, শিক্ষা, শিল্প-বাণিজ্যসহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এসব প্রকল্পের ইতিবাচক প্রভাব এতটাই সুদূরপ্রসারী এবং বিস্তৃত হবে, যা দক্ষিণাঞ্চলকে অর্থনীতির অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করবে। এমনকি এক সময়ের অবহেলিত পটুয়াখালী দেশের অর্থনীতির রাজধানী হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে। প্রকল্পগুলোর কারণে এ অঞ্চলের চিরচেনা দৃশ্যপটের অনেক কিছুই পাল্টে যাবে। দূরীভূত হবে বেকারত্ব। বাড়বে শিক্ষার হার। শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে দ্রুত। একইভাবে জীবন-জীবিকার সব ক্ষেত্রেই ঘটবে আমূল পরিবর্তন। তাই এ অঞ্চলের মানুষ এখন এসব প্রকল্পের আশু বাস্তবায়নের দিন গুনছে। সাগরপারের পটুয়াখালী জেলার মানুষ বরাবরই অবহেলিত। অভাব-অনটন এবং ঝড়-ঝঞ্ঝাসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ এ অঞ্চলের মানুষের নিত্যসঙ্গী। তার ওপরে স্বাধীনতার পরে বিশেষ করে পঁচাত্তরপরবর্তী সরকারগুলোর উদাসীনতা এ অঞ্চলকে রেখেছে পশ্চাৎপদ করে। এ অঞ্চলে কখনই নেয়া হয়নি অর্থনীতির গতি সঞ্চার করে কর্মমুখী এমন বড় ধরনের কোন উন্নয়ন প্রকল্প। ১৯৯৬ পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ অঞ্চলে প্রথম উন্নয়নের ছোঁয়া লাগতে শুরু করে। ১৯৯৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্র আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে পাথরঘাটা থেকে শুরু করে সোনারচর পর্যন্ত বিশেষ পর্যটন জোন হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। এর পরই কুয়াকাটায় গড়ে ওঠে পর্যটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন স্থাপনা। কিন্তু ২০০১ পরবর্তী সরকারের বৈষম্যের কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের নেয়া যাবতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা মুখ থুবড়ে পড়ে। ২০০৮ এ দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পটুয়াখালী তথা দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে আবার নতুন করে একগুচ্ছ প্রকল্প গ্রহণ করেন। যার অন্যতম হচ্ছে- দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর স্থাপন।

০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরো...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫২

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরোচ.....

বিপ্লবের লক্ষ্য কী- পরিবর্তন, নাকি প্রদর্শন?
বাংলাদেশে জেন-জি স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে; কিন্তু প্রশ্ন- স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারী মানসিকতা কি গেছে?
যে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে রাজপথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রম্য: পর্নের সেকাল একাল!

লিখেছেন গেছো দাদা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬

গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো:... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০




কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন

শব্দের শক্তি, ভাষার মাধুর্য....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫২

এমিরেটস, কাতার এয়ার লাইন্স ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রিক্রুটমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে গ্রুপ ডিসকাশন। গ্রুপ ডিসকাশনের সারমর্ম হচ্ছে—৬-৮ জন কয়েকটি গ্রুপে একটি নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×