somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বর্তমান সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের কল্যাণে বাস্তবায়িত হতে চলেছে শাহজালাল বিমানবন্দরের বহুল আলোচিত থার্ড টার্মিনাল নির্মাণের কাজ

০৮ ই আগস্ট, ২০১৫ দুপুর ২:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


স্বপ্নের মতো মনে হলেও বর্তমান সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের কল্যাণে বাস্তবায়িত হতে চলেছে শাহজালাল বিমানবন্দরের বহুল আলোচিত থার্ড টার্মিনালের গঠন প্রকৃতি, নক্সা ও অবকাঠামো। শনিরআখড়া থেকে সোজা মেট্রোরেলে শাহজালাল বিমানবন্দর পয়েন্টে। এখানে নেমেই কানেক্টিং পয়েন্ট দিয়ে থার্ড টার্মিনালে। পথে কোথাও কোন যানজটের কারণে থামতে হবে না। এজন্য সময় লাগবে মাত্র বিশ মিনিট। আবার যদি গাজীপুর থেকেও আসা হয় তাহলেও বিমানবন্দরের ওভারপাস দিয়ে বাঁ দিকে সোজা থার্ড টার্মিনাল। যদি ট্রেনেও আসা হয় তাহলেও রাস্তা পার হবার জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। রেলস্টেশন থেকে নিচের টানেল দিয়ে দুই মিনিটেই যাওয়া যাবে থার্ড টার্মিনালের গ্রাউন্ড ফ্লোরে। যেখান থেকে এসকেলটর দিয়ে ওঠা যাবে তিন তলায় চেক ইন কাউন্টারে। অথবা নিচের আগমনী হলে। এভাবেই সাজানো হয়েছে। বিশ্বখ্যাত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইউশিন কর্পোরেশন যে সমীক্ষা প্রতিবেদন দাখিল করেছে, তাতে এভাবেই সাজানো হয়েছে শাহজালাল বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত থার্ড টার্মিনালের নক্সা। একই সঙ্গে এ বিমানবন্দরের জন্য আগামী ২০৩৫ সাল পর্যন্ত একটি মহাপরিকল্পনাও গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। বিমানবন্দরের এ নক্সা, গঠন প্রকৃতি, আকৃতি ও মহাপরিকল্পনা ইতোমধ্যে অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) এখন বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ে বিবেচনাধীন। আগামী সপ্তাহেই তা অনুমোদন দিয়ে পাঠানো হবে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে। বর্তমানে শাহজালাল বিমানবন্দর দিয়ে ধারণ ক্ষমতার চেয়েও অনেক বেশি যাত্রী ও কার্গো বহন করা হচ্ছে। যে হারে যাত্রী ও কার্গো বাড়ছে তাতে আগামী ২০১৮ সালের পর পরিস্থিতি সামাল দেয়া কঠিন হয়ে পড়বে। সেজন্য থার্ড টামির্নাল তৈরি অপরিহার্য। এজন্য শাহজালাল বিমানবন্দরের দক্ষিণের ভিভিআইপি লাউঞ্জ থেকে শুরু করে পদ্মা অয়েল পর্যন্ত ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গমিটার জমি নির্ধারণ করা হয়েছে থার্ড টার্মিনালের জন্য। এতে আনুমাণিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ হাজার কোটি টাকা। থার্ড টামির্নাল নির্মিত হলে সেটার ধারণ ক্ষমতা থাকবে বার্ষিক ২ কোটি যাত্রী, যা দিয়ে স্বাভাবিক গতিতে পরিস্থিতি সামাল দেয়া যাবে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই আগস্ট, ২০১৫ দুপুর ২:৫১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একটি মুমূর্ষু কবিতা

লিখেছেন সালমান মাহফুজ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:১১



আমি আর কবিতা লিখব না বলেও
লিখে ফেলি একটি মুমূর্ষু কবিতা–
জন্ম নেয়ার আগেই যারা অবিরাম
মৃত্যুযন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে, লাথি মারছে
পদ্যের চিরায়ত চোয়ালে !
পঙক্তিতে পঙক্তিতে পথ হেঁটে
প্রচণ্ড পিপাসায় আমি পান করি
কবিতার স্নিগ্ধ জল; আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অল্প একটু পাশে থেকো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০



আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।

শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।

আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ এসেছে শরৎ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩১



শরৎ-প্রাতে শিউলি ঝরা ক্ষণে
দিবাকর ছড়ায় হাসি।
দিঘির জলে রক্তিম পদ্ম
ফুটেছে রাশি রাশি।

ছাতিম গাছের নিভৃত নির্জনে
সবুজ পাতার ঘ্রাণ।
সুখ আহ্লাদে ডাকছে নিসর্গ
উচাটন মন প্রাণ। 

স্নিগ্ধ  বাতাস দোলা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইনকা চিপা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬


এখন পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে চলে আসা। যে সময়ে শ্রেণীকক্ষে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করার কথা, সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×