
প্রতিবারের মত এবারেও আমি ফুটবল দেখতেছি,শুধু বিশ্বকাপ না,অন্যান্য সকল লীগের ম্যাচই দেখি হাই ভোল্টেজ,বা গুরুত্বপূর্ণ। আমি জুয়াড়ি নই,আমি একজন স্বাচ্ছা ফুটবল ফ্যান, ব্রাজিল ফ্যান,পর্তুগাল ও ভালো লাগে।
সদ্য বার্সেলোনায় যোগ দেয়া ম্যানচেস্টার সিটি তারকা বার্নার্ডো সিলভাকে ভালো লাগে,তাই পর্তুগালকে ভালোবাসি,একটু একটু। ব্রাজিল জিততে না পারলে পর্তুগাল জিতুক,অথবা বার্সেলোনার সাবেক লিজেন্ড প্লেয়ার উসমান দেম্বেলের ফ্র্যান্স অথবা ১৮ বছরের টগবগে যুবক লালমিয়া জামালের স্পেন,যদিও সে এখনো সঠিক গার্লফ্রেন্ড চুজ করতে পারেনি।
এদিকে বিগড়ানোর ব্যাপার হচ্ছে পেরেজ মাদ্রিদে একের পর এক প্লেয়ার সাইনিং করতেছে,বিশ্বকাপের আড়ালে বার্সেলোনার প্রতিটা টার্গেটকে হয় দাম বাড়িয়ে দিয়েছে না হয় কিনে নিয়েছে। টেকা আর জেদ মানুষরে কই লইয়া যায় পেরেজ তার জ্বলন্ত উদাহরণ। বার্নার্ডো সিলভা তো পারছেনা বার্নাব্যুর মাটিতে "ঠ্যাকাই মাথা" করতে।
এখন এইসব বলতে গেলে তোমরা বুঝবা? তোমরা তো সিজিনাল তাইনা।
আর্জেন্টিনা এবার বিশ্বকাপ জিতবে না,তারা এবার বিশ্বকাপের শেফে নাই,তারা ইতিমধ্যে চ্যাম্পিয়ন,তাদের প্রতি ঐ রেসপেক্টটা ও রাখতে হবে,যদিও ওদের তাঁরা অনেক কম,তাই বেশি একটা রেসপেক্ট দেখানোর ও কিছু নাই।
তো অনেকেই নতুন নতুন আমাকে বলে বসে,আমি কি ব্রাজিল ফ্যান কিনা? আমি সেভেন আপ টিমের সমর্থক,ইত্যাদি ইত্যাদি।
চান্দুরা,২০১৮ সালে স্পেনের কাছে তোমাদের ৬-১ এর পরাজয় আমি হাসপাতালে শুয়ে দেখেছিলাম,তখন তোমরা দুটবল মানে বুঝতা বৃষ্টি আসলে DEER বলকে লাইত্থানো। এইসব বলবনা,এইগুলা সিজনালদের কাজ,চার বছরে একবার এদেরকে উন্মাদ অবস্থায় দেখতে পারাটাও সৌভাগ্যর।
যাই হোক!!!
ব্রাজিল মরক্কোর ম্যাচটা অবশ্যই ডিফিকাল্ট হবে,ওল্ড স্কুল ট্যাক্টিস বনাম সংগঠিত ডিফেন্স ও দ্রুত ট্রানজিশনের। আজকের এই ম্যাচটায় ভুল করা যাবেনা,দ্রুত ট্রানজিশন, ব্রাহিম দিয়াজ,সাইবারি ও হাকিমিদের ব্লক করতে না পারলে ম্যাচ টাফ হয়ে উঠবে।
কিন্তু ম্যাচশেষে দেখা যাবে ব্রাজিল জিতবে। কার্লো আনচেলত্তি শুধু চশমার ফাঁকে চোখ টিপ্পনি দিবে,ব্যস ম্যাচ উইন। আসল ফিফা ওয়ার্ল্ডকাপের উন্মাদনায় সবাই স্বাগতম।
গ্রান্দে ব্রাজিল
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



