রম্য চিঠি গল্প, মেআরখেন স্টুডে
আকবর,
কেমন আছেন? অনেক দিন ধরে, মনে হয় ইমেইল করেন না, খালিশ এর ভাই এর ছবি পাঠাবেন ইমেইলে, সাথে পরিবারের সবার ছবিই পাঠালে ভাল হয় ।
জরুরী কথা ছিল, কিন্তু না আজ আর করব না, আপনার মোবাইল নাম্বারটা মনে হয় হারিয়ে ফেলেছি, আপনি ইমেইলে পাঠিয়েদিবেন । আর আমার ফোন করতে চাইলে আমার মোবাইল ফোনে ডাইরেক্ট ফোন করবেন, বাসাতে ফোন না করলেই ভাল ।
আর আমি চেষ্টা করি নতুন বাসায় উঠার, কারণ ছোট খাট কিছু কাজ, টাজ করি করি তো তাই ।
সময় পেলে আমিও ফোন করব । কিন্তু এখনও সময় পাইনি । যাই হোক, আমার ভিসা বাড়ানোর জন্য আর আমাকে এডপট করার জন্য অনেক টাকা লাগবে, মাহীন একা কোলাতে পারবেনা, তাছাড়া আমাকে চালাতে অনেক খরচা করতে হয়, যদিও আমিও কিছু টা নিজের পায়ে দাড়িয়েছি, কিন্তু সেরকম না, অথার্ত যা ইনকাম হয়, এতে মেসের বাড়ি ভাড়া আর খাওয়া পড়া চলে যাবে, কিন্তু দেশে পাঠানোর মত সামথর্্য হবে না ।
কারন আমার কাজ পারমিশন না থাকায় ঝামেলা সৃষ্টি হয়েছে, তার উপর বয়স আঠার এর নীচে , তার উপর ভিসার সমস্যা মানে স্পনসর ভিসা , অতএব এসব কারণে কাজ পাওয়া যাচ্ছে না ।
যদি আমাকে এডপ্ট করা হয় এতে অনেকটা উন্নতি হবে, কিন্তু উকিলকে দিতে হবে অনেক টাকা যা আমার পক্ষে অনেক দূরহ, এই ব্যাপারেই আলাপ করতে চেয়েছিলাম ।
1600ইউরো সম্ভবত লাগবে, সব মিলিয়ে । আমি এর এক তৃতীয়াংশ দিতে পারব (1/3)
আর মাহীন তো আমার বাকি খরচা চালাচ্ছেই ।
মেসের খরচটা আমার পক্ষে চালিয়ে নিয়ে আর খাওয়া দাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব ।
তবে 1600 ইউরো আমার পক্ষে সম্বব না ।
যদিও ছোড়দাকে আমি বলেছি যে,
এই মাস তো প্রায় শেষ আর আগামী মাসের 10 তারিখের মধ্যে দিব ।(10.10.2006) (কাল্পনিক)
কারণ সময় বাড়লে আমার বয়স বাড়বে এতে এডপ্ট করতে দেরী হবে অথবা এডপ্ট নাও হতে পারে, সবই আদালতের ব্যাপার ।
কারণ 17 বছর বয়সে এডপ্ট সাধারণত করা যায় না, তবুও চেষ্টা চালানো যেতে পারে ।
তাই শেষ চেষ্টা করছি ।
আর মাহীনের কাছেও হঠাত করে এত টাকা হবে না, তাই আমিই এতদিন ধরে কিছু জমিয়েছি, তাছাড়া ছোড়দা আমার ইনসুরেনস তো চালাচ্ছেই ।
তাই এই ব্যাপারে , আপনার সাথে কথা ছিল ।
আপনি আমাকে ইমেইল ব্যাক করেন, আর না হলে এস.এম.এস. করেন ।
তাহলে আমি আপনাকে ফোন করব । আর সাথে ইমেইলে যোগাযোগ করব ।
আর মাহীনকে জানাবেন না, কারণ উনি পছন্দ করেন না আপনাকে, কিন্তু আমার পক্ষে সম্পূর্ণ 1600 ইউরো দেওয়া সম্ভব না । তাই ....
আমার হ্যান্ডি নাম্বার তো আপনার কাছে তো আছেই তবুও আবার দেই ।
********************
আর অতি সত্ত্বর ফোনে যোগাযোগ করলে ভাল হবে আমার জন্য ।
আমার অবস্থা মোটামোটি, তবে এডপ্ট করা হলে অবস্থা আরও উন্নতি হবে আশা করি ।
আর আবারও বলছি, আমার ইমেইল এর কথা যেন মাহীন না জানতে পারে ।
ভাল থাকবেন ।
সাবিতা , খালিশ ওর ছোট ভাই কেমন আছে জানাবেন । আপনার কোকিল ও শাকিলকে সালাম আমার সালাম দিবেন ।তবে এভাবে জানাবেন যাতে তারা বুঝতে না পারে আপনার সাথে আমার যোগাযোগ আছে ।
কাল্পনিক বৈদেশকি গল্প চিঠির মাধ্যমে
আপনি কি বুঝাতে চাচ্ছেন, আমি তা জানি না,
তবে যদি অঞ্চল ভিত্তিক মানুষের অবস্থা জানতে চান তাহলে বলি , আরব অঞ্চলের মানুষরা পূর্বে যথেষ্ট স্মৃতি শক্তির অধিকারী ছিল, সুতরাং এই দিকে এই অঞ্চল এর মানুষ কিছুই না । এই হিসাবে সবচেয়ে ফাউল কথা আপনি বলেছেন, যে, খৃস্টান ও মুসলমানদের থেকে মেধাবী । কারণ মুসলমানদের এক সময় নামী দামী বিজ্ঞানী , গবেষক ছিলেন । এই যে আল---জেবরা নিয়ে টানাটানি করে, তা কিন্তু আল-জিবার গ্রন্থ থেকে এসেছে, আরও অনেক ব্যাপার আছে, যা আমার এখন স্মরণ আসছে না, থাকলে সব উল্লেখ করে দিতাম, সুতরাং বৌদ্ধ ভিক্ষুদের থেকে মুসলমানরাও কম ছিল না, কিন্তু আপনি কথাটা এভাবে বলতে পারতেন যে, খৃস্টানদের ও মুসলমানদের থেকেও এদের জ্ঞান চর্চা সমমানে ছিল, তাহলে না হয় মানা যেত কিন্তু এই বলে আপনি সবাইকে ছাড়িয়েঁ উপরে উঠে নিজের বিজয়কে আঙ্গুল দেখিয়ে যাবেন, তাহলে তাকেঁ বোকামি বলা হবে, খৃস্টানদেরদেরও কীর্তি কম ছিল না ওরাও হাজারো জিনিস আবিষ্কার করে যাচ্ছে , জ্ঞান চর্চা করে যাচ্ছে, তারা এখন মুসলমানদের থেকেও অনেক এগিয়ে গেছে ।
মুসলমানরা কেন পিছিয়ে পড়েছে জানেন , মনে হয় তা আপনি জানেন না । কারণ যেই অসভ্য -বরবর আরবদেরকে মহানবী(সা
াৃুাুািুািুাি
এইতো.
উদ্দেশ্য উন্নত জীবন,
ছোয়া লেগেছে,
কিন্তু আশানুরূপ হয় নি,
অপেক্ষায় আছি ।
সময়ের পাতা
[গাঢ়]
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



