তামাম দুনিয়ার দেশগুলি যখন নিজেদের উন্নতি দিনের পর দিন নিশ্চিত করছে তখন উল্টা পথের পথিক শুধু আমরা কেবল বাংলাদেশী তথা বাঙ্গালীরাই। কোনটা ন্যায় আর কোনটা অন্যায় এ যেন গোলোক ধাঁধাঁ। আমরা মনে করি সন্মিলিত মানুষ যখন কোন দাবিকে কেন্দ্র করে জড়ো হয় তখন সেখানে সাধারণত ভালো কিছু জিনিসই নিশ্চিত হয়, কারন, খারাপ কোন দাবিকে প্রকাশ্যে উপস্থাপন করা যায় না। কেবল আমরাই ব্যাতিক্রম, যা খুশি তাই আমরা বলি এবং করি।
নিরপদ সড়কের দাবিতে যখন শুভবুদ্ধির মানুষেরা আন্দোলন করছে তখন সারাদেশের সকল আক্কেল জ্ঞান সম্পন মানুষ তাতে সমর্থন জানিয়েছেন। আবার বিপরীত ঘটনাও আমরা দেখলাম। নিরপদ সড়কের দাবিতে যিনি অগ্রনায়ক তাঁর প্রতিকৃতিতে জুতার মালা পরিয়েছে কিছু কান্ডজ্ঞানহীন ভাবী ঘাতক। সড়ক অনিরাপদ আছে থাকুক, এটা নিরাপদ করার দরকার নাই। নিরাপদ সড়কের দাবি করা অন্যায়, এ দাবিকারীদের গণধোলাই দেয়া উচিৎ।
পৃথিবির বহু মনিষী শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে কাজ করেছেন, আমার বিশ্বাস এই বাঙ্গালী মূর্খ শ্রমিকদের কান্ড দেখলে তাঁরা অনেকখানিই নিরুৎসাহিত হতেন। আজ আমার বিশেষভাবে মনে পড়ছে হুমায়ন আজাদের সেই কথা, সবকিছু চলে যাবে নষ্টদের দখলে। শহীদ মীনার দখল করে নিল এই নষ্টদের দল, পুলিশ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আঙ্গুল চুষছে, পুলিশ কেন এই প্রকাশ্য ঘাতকতের পোন্দানী দিয়ে তাড়িয়ে দেয় না ???? অথচ ন্যায়সঙ্গত দাবীতে আন্দোলনরত বুদ্ধিজীবি কিংবা ছাত্রদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রায় অশিক্ষিত পুলশেরা কুন্ঠাবোধ করে না।
রাজশাহীতে দুইজন শিক্ষার্থী সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছে আর শাজাহান চুদীর ভাই দাঁত কেলিয়ে নিরাপদ সড়কের দাবীর বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে। ডিজিটাল চক্রবৃদ্ধি হারে এই জারজদের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে । এদের রোখার জন্য এখনই উপযুক্ত সময়। বাংলাদেশে চাই বিপ্লব, যার সূচনা হোক ইন্টারনেট ব্যবহারকারী আমাদের হাতেই। আবুলের দল নিপাত যাক গড়ে উঠুক সত্যিকারের সোনার বাংলা।
এফ এইচ রিগ্যান

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


