করিতেছে ‘কল’, সাজিতেছে দল
মহাযুদ্ধের মহাপ্রস্তুতি
দেখিবে ধরণী আজ, কার কত বল।
আসমান টলে, টলে ঐ বিরাট ভবন
ভাইয়ের রক্তে হাত হবে রঞ্জিত
আবু জেহেলদের কান্ড দেখে কাঁপে এ বিশ্বভূবন।
ঝনঝন ঠনঠন ভীষণ শব্দে জাগি ওঠে মারনাস্ত্র
হিতাহিত জ্ঞান ভুলে সব
দূরে রাখে ন্যায় শাস্ত্র।
জাতির পিতার সন্তানেরা আজি কট্টর অতি, কুবুদ্ধিটা বড় খাঁটি
দুই হস্ত শোভিত তাহার
দিয়া আগ্নেয়াস্ত্র আর লাঠি।
খোদার কীর্ত্তন করিতে যাদের গলাটা যায় ফাটি
শান্তির ধর্ম করিতে প্রতিষ্ঠা
ভন্ডের দল দেয় মানুষের রগ কাটি।
বাংলার জয় গেয়ে ছোটে ঐ পশুদল
করিতে বাংলা মায়েরে বিনাশ
স্বজাতির ধ্বংসে তাকবীর ধ্বনিতে চলে সে কোন নরপিশাচ ?
হিংস্র পশু সে তো হন্তারক, পাগল হয়ে যায় যবে
পাগল পশু যদি নাই হতো, ওরা
সতীর্থ-সহপাঠি খুন জখম করে কেন তবে ?
একটা নয় দুইটা নয় হীরক রাজারা হাজারে হাজার
নালিশ করিব কোথা কে জানে
উপরওয়ালাও রাখিয়াছে করি বদ্ধ,আপন দ্বার।
সে বড় কঠিন ! পুত্রের লাশ কাঁধে পিতার গমন, কবরের পথে
ঈশ্বর, ভগবান, খোদা কে পারিছে কখন
মায়ের আর্তনাদ আর আঁখিজল রুধিতে ?
কেহ নাহি পারুক, পারিব এই আমি, এই আমরা
বাঁচতে হবে, বাঁচাতে হবে
লোকের চক্ষে হইনা যত শক্তিহীন নস্যি ছোকরা।
ভীরুর দলও হবে সংগ্রামী উড়াবে বিপ্লবী ঝান্ডা
আসবে সেই শুভদিন যেদিন
রক্ত দিয়ে রুধিত হবে রক্তের ঝর্ণা।
এফ এইচ রিগ্যান
১২/০১/১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


