somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন
আমার লেখা আপনাদের কথার সাথে মিলবেনা এটাই সত্য। কারন কেউতো একজন থাকা চাই যে আলাদা ভাবে দুনিয়াকে দেখবে। আপনি পজিটিভ ভাবে আমার লেখা পড়লে আপনাকে স্বাগতম। আর নেগেটিভ ভাবনা নিয়ে পড়লে আমার কিছু করার নাই। ভালো চিন্তা করুন। দেশ, জাতি, আর ধর্মকে ভালোবাসুন।

সবাই বলতে চায়, শুনতে চাইনা কেউ

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৩:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই দুনিয়াতে সবাই শুধু বলতে চায়। সবাই ক্ষমতাবান হতে চায়। কেউ শুনতে চায়না। সবার চিন্তা একটাই তার দিকে সবাই নজর দিক।তাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুক। আমজনতা বলতে চায়, নেতা বলতে চায়, সাংবাদিক বলতে চায়। মানবাধিকার কর্মী বলতে চায়। ব্লুগার বলতে চায়, কবি বলতে চায়, চামচা বলতে চায় চাটুকার বলতে চায়। কেউ শুনতে চায় না।


সবাই বলে, যার ক্ষমতা আছে সে অন্যের বলার হক্ক অধিকার ছিনিয়ে নেয়। অনেকে নিজের কথা অপরের মুখ দিয়ে বলায়। নিজে বলে না কিন্তু তার কথা হাজার লোকে বলে। টাকার লোভে বলে, মরার ভয়ে বলে, ক্ষমতার ভয়ে লোভে বলে । তারা যা লিখে তা মানুষ পড়ে। বাধ্য হয় তা ভাবতে। কেউ কথার বিরুদ্ধে কথা বললে তার মুখ বন্ধ করে দেয়, কলম বন্ধ করে দেয়। আর ব্লগে লিখলে ডিলেট করে দেয়। হা ভাবে আমি যা ভাবছি সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। অন্য সবার কথা মূল্যহীন।


তারা সত্যবাদী কে মিথ্যাবাদি প্রমান করে। আর কথা বলতে মানা করে। বলে আমরা যা বলছি সেটাই বল। সেইভাবে বল। সমাজের সাথে চল। সমাজ যা বলে বল। আমিও ভেবেছিলাম হয়তো কিছু লোক মানুষের মুখের আর কলমের ভাষার স্বাধীনতা দেয়। না মিথ্যা তারাও কারো মাধ্যমে মোটিভেটেড। মন বিক্রি করে দিয়ে যারা নিজেকে স্বাধীন ভাবে তাকে কি বুঝাবো। আমাদের কথার মূল্য কোথায়?মূল্য চায় কে? কথা বলার প্লাটফর্ম কোথায়? শুনতে চাইলেও নিজের স্বাধীন ভাবনা বিচার থাকা চাই। যারা অন্যের কাছে নিজের ব্রেইন বিক্রি করে দেয় তাদের বলেই লাভ কি?শুনিয়ে লাভ কি? আমাদের তো সব কিছুই বোকার মতো চলে। টিয়া পাখির মতো শিক্ষা দেয়া কথা বারবার বলে।

সবাই বলতে থাকো। বলতে বলতে যেদিন কথা শেষ হয়ে যাবে সেদিন কাউকে আমি রেকর্ড শুনিয়ে দিবোনে । এখন কারো কোন কথা শোনার সময় কোথায়? বলে যাও, সবাই বলতে থাকো । যদি বিশ্রাম নিতে মন চায়। তাহলে কি করবে না ভেবে বলতে থাকো । কে কার কথা শুনছে না ভেবেই বলতে থাকো ।। জীবনে কথা শেষ হলে কাজ ;করা শুরু করে দিয়ো।

অনেক মিডিয়া সাংবাদিক, লেখক বলতে চায়। তারা নাকি নিরপেক্ষ। আজ পর্যন্ত আমি এইটা বুঝতে পারলাম না নিরপেক্ষ জিনিসটা কি? সবাই কারো না কারো পক্ষ নেয়। তবে নিরপেক্ষ কি করে হল? আজকাল তো মানুষ নাম কামানোর জন্য নিজের কলম টাও বিক্রি করে দেয়। মাথা বিক্রি করে দেয়। নিরপেক্ষ জিনিসটা দেখতে কেমন আজ পর্যন্ত দেখতে পেলাম না। উদার নামে কি কোন প্রাণী এই গ্রহে বাসবাস করে?আমার মনে হয় নাই। অনেকে বলে আমি অনেক উদার অথচ সে তার বিপরীত পক্ষের কথা মেনে নেয়না। তাহলে উদার কি করে হল? আজব দুনিয়া, আজব সব মানুষ বাস করে এইখানে।


অনেকে বলে, বলেনা শুধু গলা ফাটিয়ে সবাইকে জানায় আমি বাক স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। আসল সত্য তো তখনি বের হয়ে আসে যখন তুমি তার বিরুদ্ধে কোন কথা বল। বা এমন সত্য কথা বল যা তার পছন্দ নয়। তখন সেই বাক স্বাধীনতা মানা ব্যক্তিও রাক্ষস সয়তান আর ঘারতেরা হয়ে যায়। তোমার মুখ বন্ধ করে দেয়। সে বলে আর তোমাকে শুনতে হয়। মানুষ বলে , শুধুই বলতে চায়। গরীবের কথা কেউ শুনেনা। যার ক্ষমতা নাই তার কথা কেউ বুঝে না ।


১) ঘটনাটা এমন যার যেখানে ক্ষমতা আছে সে সেখানে স্বেচ্ছাচারিতা ভোগ করে। আর সেখানে ভুক্তভোগী লোকেরা তার অধিকারের স্বাধীনতা টুকু ভোগ করতে পারেনা।
২)বাক স্বাধীনতা বলতে আমি বলতে চাচ্ছি সংবিধানে যা আছে সেই বাক স্বাধীনতার কথা। আঈন অনুযায়ী যা সবার অধিকার। সকল নাগরীক তার মনের কথা বলবে লিখবে। সে নাস্তিক হোক, আস্তিক হোক, গরীব হোক, সম্পদশালী হোক, বিরোধী দল হোক,বা কোন কল্প কাহিনী লেখক হোক। আমাদের সমাজে সেই স্থান কোথায়?
৩)কেন মানুষ তার কথা তখন বলতে পারেনা। যখন সে সাধারণ একজন জনতা। বা বিপদে থাকা মানুষ। কেন? কেন যার যেখানে ক্ষমতা আছে সে সেখানে স্বেচ্ছাচারীতা শুরু করে? মানুষের অধিকার কেন দিতে চায়না?
হাজার প্রশ্ন আছে, উত্তর নাই। নাই মানে নাই।।।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:০৯
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পুরো বিশ্বকাপ জুড়েই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল তৌহিদী জনতা।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪


ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চে সারা বিশ্ব যখন মেতে ওঠে, তখন আমাদের দেশের একদল মানুষের অতি-উৎসাহ এবং অনভিপ্রেত কর্মকাণ্ড সমাজের একটা বড় অংশকে বিভ্রান্ত ও বিরক্ত করেছে। ফাইনাল ম্যাচের রাতেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবশেষে শেষ হলো! কিন্তু তিনি ফিরবেন কবে?

লিখেছেন ঋণাত্মক শূণ্য, ২০ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩৫

আমি সর্ব প্রথম আগ্রহ নিয়ে ফুটবল ওয়ার্ল্ডকাপ দেখেছিলাম ১৯৯৮ তে। তখন আমি ক্লাস ৮এর ছাত্র।



আমার বড় ভাইয়ের তখন ফ্রান্সে যাবার কথা আমার আম্মার এক আত্মীয়ার বরের ব্যবসা ছিলো ফ্রান্সে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

FIFA বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ এর ফাইনাল খেলা নিয়ে আমার সামান্য কিছু কথা

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:২৮

গতকালের FIFA বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ এর ফাইনাল খেলায় মেসি অত্যন্ত নিষ্প্রভ ছিলেন। দর্শকদের তাকে মাঠে খুঁজতে হয়েছে, তিনি তার চিরাচরিত স্বভাব অনুযায়ী এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে, মাঠের সর্বকোণে বল... ...বাকিটুকু পড়ুন

চেতনা, ৭১ , পাকিস্তান ঘৃনা ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:০৫


যুদ্ধে ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত ভিয়েতনাম দুটো দেশের অর্থনৈতিক যাত্রা শুরু হয় প্রায় একই সময়ে কিন্তু তুলনামূলক ভিয়েতনামের চেয়ে বাংলাদেশের অবস্থান অনেক ক্ষেত্রে ভালো ছিল। বাংলাদেশে ছিল অনেক ভারী... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকে আমার মন ভালো নেই

লিখেছেন সামিয়া, ২১ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:০৯



দুঃখের সময়ে নানান মানুষের কথা মনে পড়ে। খুব কাছের মানুষের কথা মনে পড়ে আবার অনেক দূরের মানুষের কথাও মনে পড়ে। রক্তের আপন মানুষের কথা তো মনে পড়েই তবু একদিন কীভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×