মনে পড়ে , তখন ক্লাস সিক্সে পড়ি বোধ হয় । হত্যা, ধর্ষণ , উত্ত্যক্ত এই সব ভারী ভারী শব্দের সাথে তখনও পরিচয় হয় নি আমার কিংবা আমাদের । হঠাৎ একদিন শুনলাম আমাদেরই শান্ত শিষ্ট শহরের আমাদের চেয়েও ছোট্ট একটা মেয়েকে কারা যেন মেরে ফেলেছে । হঠাৎ পৃথিবী অন্ধকার হয়ে যায় আমাদের । মেয়েটার নামটাও বড় মিষ্টি ছিল- 'তৃষা' । আমরা স্কুল থেকে rally করি, বিচার চাই । আমরা কোনদিনই এই মেয়েটিকে দেখিনি । কিন্তু ওর এমন পরিণতিতে আমরা সবাই খুব ভেঙ্গে পড়ি, আমরা সবাই খুব ভয় পেতে থাকি, এবং আমরা সবাই প্রথম ঘৃণা করতে শিখি । তখন আমরা বুঝিনি কেন বা কিভাবে একজন মানুষ কে অন্য কেউ মেরে ফেলতে পারে । আব্বু বলেছিল যে , ওরা মানুষ না, জানোয়ার । তখন অনেক ছোট ছিলাম । আমার animal's list টাও অনেক ছোট ছিল । আজ যখন শুনছি বাজেট,রাজনীতি,অর্থনীতি, 'পরার্থ পরতা'র নীতি , চাদাবাজি,লুন্ঠন ,গুম এই সব আরো কত কিছুর এই ব্যস্ত সময়ের ফাকে আমাদের রাষ্ট্রযন্ত্র সেই জানোয়ারদের শাস্তি কমিয়ে দিয়েছে , তখন আমি অনেকদিন পর আমার সেই পুরানো লিস্ট গুলো উলটে পালটে দেখলাম, দেখি মানুষের list টাই আজ সবচেয়ে ছোট , এবং সেই ছোট্ট listটা থেকে আজ আরো কয়েকজন কে বাদ দিতে হল । তৃষা- আমাদের ক্ষমা করো না কোনদিন
সাদা নীল জার্সি

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাইরে এসো
এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্পর্শে_ _ _ _ _
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন
বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।