somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হলুদ রঙ এর ভালোবাসা... :#>

২৮ শে অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


[প্রথম অংশ]

দুপুরের দিকে বাসায় ফিরে আলী। ক্লাস শেষ করে আর একটুও দাঁড়ায় না সে। ওর বন্ধুরা সবাই আড্ডা দেয় বা বাইরে কোথাও খেতে গেলেও আলী সাধারণত সে সবের সাথে নেই। অনেক বাধ্য ছেলে এমন বলা যায় না কিন্তু কিছু ব্যাপারে নিয়ম মেনেই চলে ও। বাসায় ফিরে খাওয়া-দাওয়া করে একলা। দুপুরের এই সময়ে সবার খাওয়া-দাওয়া শেষ হয়ে যায় তাই কেউ ওর জন্য অপেক্ষা করে না। ভার্সিটি জীবনের শুরুর পর থেকেই এরকম। প্রথম প্রথম আলীর খারাপ লাগতো কিন্তু এখন আর ওরকম লাগে না। নিজে খেয়ে সব গুছিয়ে রুমে চলে আসে ও। দিনের পেপার পড়ার সময় ওর এটাই। টেকি নিউজ, খেলা-ধূলা আর মাঝে মাঝে বিনোদন এর পাতাতে চোখ বুলিয়ে ঘুমিয়ে যায়। একে "ভাত ঘুম" বললেও অনেকদিন ভাত না খেলেও ঘুম পায় এই সময়ে আলীর। আলীর বাবা বিকেল ৪ টার দিকে বেরিয়ে যায় বাসা থেকে। যাওয়ার সময় নিজের ছেলেকে এভাবে ভাদাইম্মা এরমত ঘুমুতে দেখে বিরক্ত হন তিনি। ওনার মতে জীবনে ঘুম যত কম হবে সফলতা তত বেশি হবে। এইসব ভাবতে ভাবতে আলীর বাবা চলে যান। বিকেলের পরে সন্ধ্যার আগে আলীর মা আলীকে ডেকে তুলেন। এভাবে অনেকক্ষণ ঘুমুলে যে আলস্য বাড়ে সেটা আলী জানে। তবুও ঘুমানোর মত একটা ব্যাপারকে এত গুরুত্ব দেয় দেখেই আলীর বাবা-মা আলীর উপর খুব বিরক্ত। আসলে আলীর উপর বোধহয় সবাই বিরক্ত থাকে। একেকজন একেক কারণে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আলী এসব নিয়ে মাথা ঘামায় না। তার মতে "বেশি মাথা ঘামালে মাথায় খুস্কি হয়"। এরকম ভাবনা-চিন্তার বিকৃতি আসলে আলীকে দিয়েই সম্ভব।

অনেক আড্ডাবাজ না হলেও সুযোগ পেলে আড্ডাতে হারিয়ে যায় এমন অনেকেই আছেন। এদের একজন আলী। আলীর সমস্যা হচ্ছে সে তার খুব পরিচিত বা যার সাথে সহজ হওয়া যায় এমন কারো সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দিতে পারে। কিন্তু এর বাইরে নতুন কেউ হলে ওর ধাতস্থ হতে সময় লাগে। এরজন্য আলীর বন্ধু অনেক কমই বলা যায়। স্কুলের কিছু,কলেজের কয়েকটা আর ভার্সিটির কয়েকজন মিলেই তার বন্ধুচক্র। এর সাথে যোগ হয় কম কিন্তু বিয়োগ হয় বেশি। আলী সেশনজটে আটকে আছে। তার অনেক বন্ধু চাকরী করে ভালো মাইনে পায় কিন্তু আলী এখনো সকাল বেলা ক্লাসে যাওয়ার আগে বাবা-মা এর কাছে হাত পাতে। যা মিলে তা দিয়ে দিন চলে ওর। মাঝে কিছুদিন টিউশনি করে টাকা উপার্জন করে স্বাবলম্বী হবে ভাবলেও জাত ভাদাইম্মাদের দিয়ে আসলে এসব হয়না তাই ২ মাসের মধ্যে আবার সে ফিরে আসে বাবা-মার কাছে খালি হাত এ। মাঝে মাঝে ফ্রেন্ডরা ঘুরতে গেলে তাই আলীকে শক্ত করে মানিব্যাগ ধরে নিজের দূর্ভাগ্য কে ১০০ টা গালি দেয় সে। এর বেশি কি করতে পারে ও!! আলীর একটা ছোট ভাই আছে। আলী থেকে একদম আলাদা। পুরো উত্তর-দক্ষিণ মেরু টাইপ আলাদা। অনেক গোছানো এই ছোট ভাইকে দেখিয়েই আলীর বাবা-মা আলীকে খোঁটা দেয়। খাওয়ার খোঁটা, টাকার খোঁটা আর ঘুমের খোঁটা। আলীও ভেবে পায় না ওর নিজের ভাই কিভাবে এত আলাদা হল!! ওর ছোট ভাই নিজের পড়ার খরচ নিজেই চালায়। কি সব জানি রিসার্চ এর কাজ করে আর টাকা কামায়। আর মাসের শেষে বাবা-মা কে উপহার দেয়। বাসার বাজার করে। তার চেয়ে ৪ বছরের বড় হয়েও আলী নির্লজ্জের মত নিজের ছোট ভাই এর ভুল খুঁজে বের করে!! আর যাই হোক দুই ভাই এরমধ্যে আন্তরিকতার কোন অভাব নেই। আলাল-দুলাল টাইপ ভাই দুইজন কিন্তুভালোবাসা অনেক।

এখন গল্পে যে মেয়েটার কথা বলব তার নাম ভাবতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে। কমন কোন নাম ভাবলেই আমার সে নামে পরিচিত কারো চেহারা সামনে আসলে বিরক্ত লাগে। তাই অনেক ভেবে নাম দিলাম ইশা। যেহেতু গতানুগতিক একটা গল্প লিখবো তাই একটা মেয়ে নিয়ে আসলাম গল্পের মাঝখানেই। আর আপাতত আমি ইশা নামে কাউকে চিনি না তাই আরাম করে লেখা যাবে। ইশা এর ব্যাপারে যে জিনিসটা ওকে দেখলেই মনে হবে সেটা তার চুল। এইমেয়েটার মাথায় মনে হয় ২-৩ জন মেয়ের সমান চুল দেয়া হয়েছে। এতো বেশি চুলের যেমন যত্ন দরকার ঠিক তেমনি অযত্নবান ইশা। কিন্তু তবুও কখনোই ওকে উস্কু-খুস্কু দেখতে খারাপ লাগে না। মাথায় একগাদা চুল আর ইয়া বড় বড় চোখ নিয়ে ইশা মোটামুটি তার বন্ধু মহলে বিখ্যাত। অনেকে ওকে "মেডুসা" ডাকে। এক গ্রীক দেবীর নাম যার মাথায় অসংখ্য সাপ কিলবিল করত। ইশা অবশ্য এ নামটা নিয়ে মজাই পায়। মেয়েরা যেমন তাদের চিরুণী, মেকাপের সামগ্রী নিয়ে সারাদিন টেনশনে থাকে এই ইশা একমাত্র মেয়ে যে কিনা সবার থেকে এ ব্যাপারে আলাদা। ইশার সিঁথি মাথার ডানদিকে। এই জন্য হয়ত ওকে আরো বেশিই ভালো লাগে দেখতে। ইশা ঢাকাতেই জন্মে ঢাকাতেই বড় হয়েছে। তাই ঢাকার কোন জায়গায় কোন দোকান আছে আর কোন দোকানের শর্মা ভালো,কোথাকার কফি সস্তা, কোথায় লাচ্ছিতে ফ্রুট এসেন্স দেয় সব ঝাড়া মুখস্থ বলে দিতে পারে সে। সকাল বেলা বাসা থেকে বের হয়ে সকালের আর দুপুরের খাবার সবসময় সে বাইরে খায়। তার মতে তার মা এর রান্না খাওয়া আর বনে বাদাড়ে গুইঁসাপ শিকার করা দুইটাই একিরকম জঘন্য। ওর মা টিভি দেখে বা রান্নার বই পড়ে নানা রকম রান্না করে আর সেই বিস্বাদ জিনিসগুলো চেখে দেখতে গিয়ে কতদিন যে ইশা বমি করেছে তার হিসাবে আমরা না যাই।

আলী এর ক্লাসের সবাই মিলে সিলেট যাচ্ছে। সব কিছু মিলিয়ে খরচ হবে ৪৫০০/- এর মত।কিন্তু আলীর ব্যাপারে তো আগেই বললাম। তাই অনেক ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আলী যাচ্ছে না। তার উপর ওকে বাসা থেকে যেতে দিবে না। ওর বাবা-মা এর ধারণা আলী তার ফ্রেন্ডদের সাথে গেলে নিজের উপর কন্ট্রোল রাখতে পারবে না এবং একটা না একটা দুর্ঘটনা ঘটাবেই। ওভার কনশাস বাবা-মা হলে যা হয় আর কি। আলীর ক্লাস বন্ধ থাকবে ১.৫ মাস। এই সময়টাতে আলীকে ঘরে বসে ঘুমানো আর পিসির সামনে বসে দুর্বোধ্য কিছু ইংরজী সিনেমা দেখা আর মার্ক জুকারবার্গের বিনা বেতনের কর্মচারীর মত বসে ফেসবুক পাহারা দিতে হবে। এরকম একটা প্রস্তুতি নিয়েই নিয়েছিলো আলী প্রায়। ঠিক সেইসময়ে ভার্সিটির গেইটের কাছে একটা বিজ্ঞাপন এ চোখ পড়ে আলীর। "স্প্যানিশ ভাষা শিখুন"। ব্যাপারটা যদিও কেবল শখ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে কিন্তু আলীর বাবা তো পুরোই shocked!!! আলীর ইংরেজী ভাষার দক্ষতার উপর সন্দেহের তীর ছুঁড়ে তার সাথে স্প্যানিশ ভাষার লোড কিভাবে আলীর ব্রেন নিবে সেই বিষয়ে তিনি যখন বক্তৃতা করছেন তখন খাবার টেবিল থেকে আলী উঠে চলে আসে। সবার সামনে নিজেকে অপমানিত হতে দেখতে দেখতে আলী ক্লান্ত। রুমে এসে উদাস হবার মত একটা ভাব নেয় কিন্তু ওর চেহারাটা আরো হাস্যকর হয়ে যায়। আলীর মা রুমের দরজায় এসে দাঁড়ান। নিজের বড় ছেলের দিকে তাকিয়ে আস্তে করে একটা দীর্ধশ্বাস ফেলেন। যে ছেলেটা সব বাচ্চাদের থেকে কত দ্রুত হাঁটতে শিখল, কথা বলা শিখল সেই ছেলেটা এরকম অকর্মা কেন হল সেটা তিনি বুঝেন না। নিজের রুমে গিয়ে নিজের জমানো টাকা থেকে কিছু টাকা বের করে আলীর ছোট ভাই এর হাতে দেন আলীকে দেয়ার জন্য। যাতে আলী স্প্যানিশ ভাষা শিখতে পারে। এতে আসলে কি লাভ হবে সেটা আলীর মা এর জানা নেই। কিন্তু একটা মা নিজের বাচ্চাদের মন খারাপ করে বেশিক্ষণ থাকতে দিতে পারেন না। টাকাগুলো হাতে পেলেও আলীর ইচ্ছে চলে যায় মন থেকে। অনেক কিছুই হুট করে আসে আর হুট করেই বিদায় নেয়। এরমধ্যে একটা হচ্ছে আজগুবি সব ইচ্ছে।

ইশার মামা অনেক বড় শিল্পপতি। মাঝে মাঝেই উনি ইশাদের বাসায় আসেন।আর ইশার জন্য চকলেট,পুতুল এসব নিয়ে আসেন।ইশা যতই তার মামাকে বুঝানোর চেষ্টা করে যে সে অনেক বড় হয়েছে এখন পুতুল দিয়ে কি করবে কিন্তু তার মামার কথা ইশা নাকি এখনো সেই পুচকি রয়ে গেছে। অবশ্য ইশা মজা পায় ওর মামার এই খামখেয়ালিপনা দেখে। ওর মামা মাসের অধিকাংশ সময় দেশের বাইরেই থাকে। দেশে ফিরলেই কিছু না কিছু টেকনোলজিক্যাল জিনিসপত্র নিয়ে আসেন। ৪-৫ মাস আগে একটা অনেক দামী একটা ফোন কিনে আনলেন। কিন্তু উনি সে ফোন কেমনে কি করতে হয় কিছুই বুঝেন না। ইশাকে দায়িত্ব দেন বুঝিয়ে দেয়ার জন্য। ইশা যত্নকরে বুঝায় কিন্তু মামা বুঝে না। মামা ইশাকে ফোনটা দিয়ে দেয়। ইশার মা তো পুরো হুলস্থুল বাধিঁয়ে ফেলেন। কারণ উনার ধারণা ইশার কাছে ওত দামী ফোন দেখলে ওকে ছিন্তাইকারীরা ছেড়ে কথা বলবে না।কিন্তু ইশা ফোন টা নিয়ে নেয়। নিজের একটা ছবি তুলে আর সেটা ফোন এর ওয়ালপেপার করে রাখে। ইশা এর কোন ভাই-বোন নেই। এমনকি কোন কাজিন পর্যন্ত নেই। পুরো পরিবারে একমাত্র মেয়ে তাই ওর মামা-খালা-চাচা-ফুফু ওকে অনেক আদর করে। ইশার মা এর মতে আদর করে বাঁদর বানিয়েছে। ইশার মামা সামনের বছর ইউরোপ যাচ্ছেন ট্যুরে। ইশার মামীও যাবে।কিন্তু মামী চায় ইশা যাক ওদের সাথে।কারণ ইশার মামা সারাদিন সেখানে তার ব্যবসায় নিয়ে পড়ে থাকবেন আর মামীকে একলা থাকতে হবে। তাই ইশা গেলে খুব মজা হত। ইশার মা রাজী হয় না সহজে। কিন্তু ইশার দুর্দমনীয় ইচ্ছার কাছে হার মানেন তিনি। কিন্তু কথা হচ্ছে ইশা ইউরোপে গিয়ে কি করবে?? ঘুরে বেড়াবে ঠিক আছে কিন্তু এতুটুকুতেই ওকে খুশি থাকতে হবে? ইশা ভাবতে থাকে এবারের ট্যুরে মজার কি করা যায়। ওর মামাকে জিজ্ঞেস করলে মামা মাথা চুল্কে বলে ওখানে গিয়ে আইস্ক্রীম খেতে পারিস অনেক।এই জাতীয় আইডিয়া শুধু এই মামার উর্বর মাথা থেকে আসবে সেটা অপ্রত্যাশিত কিছু না। ইশা ভাবতে থাকে কি করা যায়!! আর একটা আইডিয়া সেদিন রাতেই পেয়ে যায়।

আলীর ছোট ভাই অনেক কষ্টে আলীকে রাজী করিয়েছে যে তারা দুইজন মিলে ফটোগ্রাফী শিখতে পারে। ওর ছোট ভাই টাকা জমিয়েছে একটা ডিএসএলআর ক্যামেরা কিনবে। কিন্তু ফটোগ্রাফী এর ফ ও জানে না ও। তাই দুই ভাইমিলে শিখলে শিখাটা ভালো হবে এই রকম যুক্তি দিয়ে আলীকে রাজী করায়। আলী যদিও ভেবে পায় না ছবি তোলার মধ্যে এতো আনন্দেরকি আছেকিন্তু ভাই এর পীড়াপীড়িতে রাজী হয়ে যায়। দুইজনে চলে যায় একটা ইন্সটিটিউটে। সেখানে খোঁজ নেয় সবকিছুর। আলীর ছোটভাই একবারেই রাজী হয়ে যায়। দুটো ফর্ম নিয়ে আসে। সেখানে বসেই ফর্ম ফিল-আপ করে জমা দিবে। আলী ফর্ম এর দিকে তাকিয়ে দেখে অনেক ধরণের কোর্স করায় এরা। এর মধ্যে গিটার শেখানো, আবৃত্তি শেখানো আর ভাষা শেখানোরও একটা কোর্স দেখে। আলী আকাশ-কুসুম ভেবে টিক দেয় ভাষা শিক্ষায়। আর পাশে খালি জায়গায় লিখে রাখে স্প্যানিশ। ছোট ভাই কষ্ট পাবে তাই সে বুঝতে দেয় না কিছু। কোর্স ফি এর অর্ধেকটা শুরুতে জমা দেয়া লাগে। দুইজনে কোর্স ফি জমা দেয়। দুই ভাই মনের মধ্যে আনন্দ নিয়ে ঘরে ফিরে। দুইজনের আনন্দ এর কারণ নতুন কিছু একটা শেখা। পরের সপ্তাহ থেকে ক্লাস শুরু হবে। তাই এখন শুধু অপেক্ষা...

ইশা এর মামা হঠাত করে একদিন সকালে ফোন দেয়। ইশাকে তৈরী থাকতে বলে। কোথায় নাকি যাবে। আর সেই সাথে ওর পাসপোর্ট আর ছবি রেডি রাখতে বলে। ইশা অপেক্ষা করে মামার জন্য। দুপুরের দিকে বের হয় মামা-মামি এর সাথে মামার গাড়িতে করে। ইশার রিক্সায় চড়তে অনেক মজা লাগে কিন্তু ওর মামা একটা ভীতুর ডিম। রিক্সায় চড়লে উনার ধারণা সব গাড়ি নাকি উনাকে চাপা দেয়ার জন্যই অপেক্ষা করে। গাড়িতে করে তারা চলে আসে ঢাকা ভার্সিটিতে। জায়গাটা অনেক সুন্দর লাগে ইশার কিন্তু অনেক অভিমান ওর এইজায়গা ঘিরে। ওর খুব ইচ্ছে ছিলো ঢাকা ভার্সিটিতে পড়বে কিন্তু অল্পের জন্য হয়নি। স্কোর কম থাকায় পিছিয়ে যায়।কিন্তু তবুও সুন্দর জায়গায় এলে ওর মন ভালো হয়ে যায়। আর মন ভালো হয়ে গেলে ও খুশিতে মাথা ভর্তি চুল ঝাঁকায়। ইশার এই কাজগুলো দেখে খুব মজা পায় ওর মামা-মামি। ইশার মত যদি একটা মেয়ে থাকতো ওদের। হয়ত সবার স্বপ্ন পুরোন হয় না। তাই এই মেয়েটাকে এত্ত আগলে রাখে তারা। ইশাকে নিয়ে ওর মামা "ডাস" ক্যান্টিনে যায়। ডাস এর কফিটা অসাধারণ। ওরা ডাস এর পিছনের খোলা জায়গায় গিয়ে বসে। গল্প করে। কফি খাওয়া শেষ হলে ইশার ইচ্ছে মোতাবেক মামা আর ইশা পা বাড়ায়। ওদের লক্ষ্য কিছু একটা করবে। আর রাস্তা পার হয়ে তারা চলে যায় রাস্তার উলটো পাশে......



(গল্পটার শুধু প্রথম অংশ লেখলাম আজকে। এটার দ্বিতীয় অংশেই গল্প শেষ করব। এরপরে কিহতে পারে সেটা অনেকেই আন্দাজ করেছেন নিশ্চয়। তাদের জন্য সাধুবাদ। আর যারা জানতে চান এরপর কি হল তাদের জন্য বলব...ধৈর্য ধরেন একটু।
৫টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×