ঔ যে ধেঁয়ে আসছে কাল ঝড়... আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সবাইকে..অধিকাংশ মানুষ নিজের ছোট্ট ঘর ছেড়ে কোথাও যেতে রাজি নয়..“আমরা আমাদের ঘরেই মরবো” বলছে তারা..।
প্রশাসন তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাবার জন্য লাঠি চার্জ করছে..
১০ নম্বর মহা বিপদ সংকেতের সিগন্যাল উড়ছে পতপত করে..
ল ল মানুষ গড়িয়ে পড়া চোখের জলের সাথে স্মরন করছে প্রভুকে..“হে প্রভু রা কর”
ঝড় এলো..কাল এলো.. অথৈ সমুদ্রে অর্ধশতাধিক ট্রলারে থাকা প্রায় ৫৫০ জেলে ফিরলোনা ঘরে। ঝড় এলো... সুন্দরবন এলাকার মানুষের টালির ঘর গুলো মুড়ির মত ছড়িয়ে পড়লো..।
ঝড় এলো..কত সন্তান পিতা হারালো...কত পিতা সন্তান।..ছিটকে পড়লো নব জাতক মায়ের কোল থেকে...শুধুই হাহাকার..আর হাহাকার
ওফ্ আর লিখতে চাইনা..
আর ঠিক সেই সময়,
আমরা যারা সুধী সমাজ, দেশের মানুষের জন্য চিন্তা করতে করতে ঘুমাতে পারিনা। ..যারা মানুষের দুঃখে কেঁদে লুটিয়ে পড়ি, সেই সব হিপোক্রেটরা, রাজধানীর পাঁচতারা হোটেলে দেশ বিদেশের ন্যাংটো মাগিদের পাছা দোলানো হাটা উপভোগ করছিলাম..পুলকিত হচ্ছিলাম..
দেশের সনামধন্য শিল্পী..বিদেশ থেকে উড়িয়ে আনা.. আলকা ইয়াগনিক এর গানের মূর্ছনায় মূর্ছা যাচ্ছিলাম..
আগে থেকে আমার ভাইদের বিপদের কথা জানা সত্ত্বেও আমরা পারিনি আমাদের নির্ধারিত অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে..
কারন আমরা শুয়োর..
ঝড়ে ছিটকে পড়া শিশুর চিৎকার ..সেই শতশত মানুষের মৃত্যুর আগের আর্তনাদ, আমাদের কানে আসেনি জমকালো অনুষ্ঠানের বাদ্যের শব্দে...
আমরা কেউই বল্লাম না আমার সেই ভাইদের কথা,,যারা মৃত্যু কে দেখেছে স্বচোখে..
আমার ভায়ের মৃত্যুর সময় আমরা ঠিকই আনন্দে দিশেহারা হলাম..
আমদের কি কিছুই বলবেন না আপনারা???
আমরা শুয়োর প্লিজ আমাদের থুথুুদিন ...প্লিজ...থুথু দিন..
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


