গতানুগতিক গনতান্ত্রিক দেশে এমন কি পুর্ববরতী বিএনপির সরকারের আমলেও সিটি নির্বাচনের সময়ও সরকারের সাফল্য-ব্যার্থতা, প্রাথীর ইমেজ, স্থানীয় ইস্যুগুলো বিবেচনা করা হত। এগুলার মিশ্রনে যে রেসিপি তৈরি হত সেটাই স্থানীয় নির্বাচন। স্থানীয় নির্বাচনের চতুর্থ স্তম্ভ সক্রিয় জনশক্তি বা কর্মী বাহিনী।
এসব স্তম্ভের মধ্যে প্রথমটাই বাংলাদেশে বেশী কার্যকর। মিডিয়ার দলীয় লেজুর বৃত্তির কারনে দ্বিতীয়টা সম্পুর্ন অকার্যকর। তবে আওয়ামী লীগের সবথেকে সবথেকে কার্যাকর স্তম্ভ হচ্ছে দলীয় সন্ত্রাসীরা (আওয়ামী লীগ কর্মীদের কর্মকান্ডের জন্যেই এদের সন্ত্রাসী বলছি) কিন্তু গত চারবছরের ভয়াবহ দুঃশাসন ও লুটপাট সাধারন মানুষকে এদের বিপরিতে শক্ত অবস্থানে দাড়াতে বাধ্য করেছে। তার উপর আওয়ামী লীগ নিজেদের অধীনে নির্বাচন করতে আগ্রহী ফলে রক্তারক্তি করে সিটিতে জয় ছিনিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা বাতিল করেছে।
সবশেষ দেখা যাচ্ছে গাজীপুরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চারটি স্তম্ভ ভয়ানক দুর্বল। আর এসব দুর্বলতা কাটিয়ে বিজয়ের আলো দেখতে দলীয় পোলিং এজেন্ট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এর পরও সঙ্কা কাটেনি নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে ঘোষনা দেয়া হয়েছে যে ফল ঘোষনার সময় সুনির্দিষ্ট না। অর্থাৎ যখন সুবিধা হবে আওয়ামী প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষনা করা হবে।
লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫
এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন
আওয়ামী দোসর নবনীতা আপার মতে, মার্কো রুবিও ভারতে গেছেন শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ব্যবস্থা করতে। ডিসেম্বর মাসে যাতে শেখ হাসিনা ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে ফিরতে পারেন, সেই আলোচনা করতেই নাকি... ...বাকিটুকু পড়ুন