গতানুগতিক গনতান্ত্রিক দেশে এমন কি পুর্ববরতী বিএনপির সরকারের আমলেও সিটি নির্বাচনের সময়ও সরকারের সাফল্য-ব্যার্থতা, প্রাথীর ইমেজ, স্থানীয় ইস্যুগুলো বিবেচনা করা হত। এগুলার মিশ্রনে যে রেসিপি তৈরি হত সেটাই স্থানীয় নির্বাচন। স্থানীয় নির্বাচনের চতুর্থ স্তম্ভ সক্রিয় জনশক্তি বা কর্মী বাহিনী।
এসব স্তম্ভের মধ্যে প্রথমটাই বাংলাদেশে বেশী কার্যকর। মিডিয়ার দলীয় লেজুর বৃত্তির কারনে দ্বিতীয়টা সম্পুর্ন অকার্যকর। তবে আওয়ামী লীগের সবথেকে সবথেকে কার্যাকর স্তম্ভ হচ্ছে দলীয় সন্ত্রাসীরা (আওয়ামী লীগ কর্মীদের কর্মকান্ডের জন্যেই এদের সন্ত্রাসী বলছি) কিন্তু গত চারবছরের ভয়াবহ দুঃশাসন ও লুটপাট সাধারন মানুষকে এদের বিপরিতে শক্ত অবস্থানে দাড়াতে বাধ্য করেছে। তার উপর আওয়ামী লীগ নিজেদের অধীনে নির্বাচন করতে আগ্রহী ফলে রক্তারক্তি করে সিটিতে জয় ছিনিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা বাতিল করেছে।
সবশেষ দেখা যাচ্ছে গাজীপুরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চারটি স্তম্ভ ভয়ানক দুর্বল। আর এসব দুর্বলতা কাটিয়ে বিজয়ের আলো দেখতে দলীয় পোলিং এজেন্ট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এর পরও সঙ্কা কাটেনি নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে ঘোষনা দেয়া হয়েছে যে ফল ঘোষনার সময় সুনির্দিষ্ট না। অর্থাৎ যখন সুবিধা হবে আওয়ামী প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষনা করা হবে।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাওন হাওরের বর্গাচাষি আলী আকবর। কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ কৃষিকাজ করি খালি বাঁইচ্যা থাকার লাগি। কোনো লাভ নাই।’ হিসাব কষে বলেন, এখন... ...বাকিটুকু পড়ুন
খোঁজ করলে দেখাি যাবে, কুকুর-বিড়াল পালকদের অনেক কাছের আত্মীয়-পরিজন অনেক কষ্টে জীবন কাটাচ্ছে। তাদের প্রতি কোনও দয়া-মায়া নেই; অথচ পশুদের জন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন