somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার শৈশব এবং যাদুর শহর (১৪)

২৪ শে আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



(অনেক দিন লিখা হয় না , যে জ্যামে বসে লিখতাম, সেই জ্যামেই বসে থাকি এখন স্টিয়ারিং হুইল ধরে, ড্রাইভার বিদায় করার বিড়ম্বনা। বনানী ফ্লাই ওভারে আসলে, আমার বরাবর অভিমন্যুর কথা মনে পরে, সে বালক চক্র বুহ্য ভেদ করতে পারে কিন্তু আর ফিরে আসতে পারে না, আমারও তাই, এই জ্যাম ঠেলতে ঠেলতে চারিদিকে চক্র বুহ্যর কথাই মনে আসে, দেখি ক্রমশ চেপে চেপে আসে সব, আর লিখা এগোয় না। অনেক দিন পরে লিখা তাই কমেন্টে আগের লিখার লিঙ্ক গুলো দিয়ে দিলাম ধারাবাহিকতাটা ধরে রাখতে, অনেকেই আমার এই এলেবেলে লিখাটা পড়েন, এতেই আমি ধন্য, আর যারা নতুন কানেক্ট হলেন তাঁদের জন্য এই সিরিজের সব গুলোর লিঙ্কই দেয়া রইলো। আগে ভাগেই ধন্যবাদ জানিয়ে রাখলাম।)

এরপর আর খুব বেশি দিন থাকা হয়নি, ছোট্ট সবুজ শান্ত সে মায়ার শহরে।
সে যাদুর শহরে। ভালবাসা এক যাদু, খোলা হাওয়া এক যাদু। শব্দ এক যাদু। বর্ণ, গন্ধ সব সব এক যাদু, এক ইন্দ্রজাল নিশ্ছিদ্র। এক মায়া অমোঘ।

তারপর সে পাঠ চুকল। সব কিছু এলোমেলো, এর মাঝে যতটুকু যা সমভব বড় ভাই বোনেরা গুছিয়ে আনলও, ঠিক হল আমি আর শারমীন নেত্রকোনায় আমার মেজবোনের ওখানে থাকবো, ওর বর নেত্রকোনা সরকারী কলেজে ছিলেন তখন, ম্যাথম্যাটিকসে, আমরা বেশ একটা পড়াশুনোর আবহে থাকবো, সে ভাবনা থেকেই এ সিদ্ধান্ত। আমার মেজ ভাই সহ আমরা নেত্রকোনায় পৌঁছলাম। এখন যত সহজ যাতায়াত, তখন ঠিক এমন নয়, বাসের রাস্তা ভয়ংকর, একমাত্র ভরসা, “মহুয়া এক্সপ্রেস”, সে এক অভিজ্ঞতা বটে।আমাদের কে ময়মনসিং হয়ে আসতে হল। এক রাত এক দিন থাকলাম আমার মা’এর মামার বাসায়, বিশাল সংসার কে কোন দিক দিয়ে আসছে যাচ্ছে কোন ঠিক নেই, রান্না খাওয়া হচ্ছে তো হচ্ছেই, চা এর কেতলি মনে হয় সেই যে সকাল বেলা উনুনে বসে আর বুঝি থামবার বিরাম নেই। মামারা (আমার মা’এর মামাতো ভাই) বেলা করে উঠে, করকরে ইস্ত্রি করা জামা প্যান্ট পরে বেরিয়ে যাচ্ছেন, টহলে, ভুর ভুরে আতর কি পারফিউমের গন্ধ ছড়িয়ে, বনেদী আড্ডাবাজ সব। কত যে মানুষ ছিল ঠিক বুঝে উঠতে পারিনি, তবে এরই মাঝে একজন যেন একদম আলাদা, উঠান পেরিয়ে বড় একটা ঘর, টানা বারান্দা, সেখানে নিমগ্ন ঋষির মত ড্রইং করে যাচ্ছিলেন “রেনু মামা”, কার্ল মার্ক্সের মত দাঁড়ি, টকটকে ফর্সা, অদ্ভুত একটা আকর্ষণ অনুভব করেছিলাম, সে বয়েসে, তিনি মিউনিসিপ্যাল্টিতে আর্কিটেক্ট হিসেবে কাজ করতেন। বাড়ির সামনে দুটো রক, ছেলে ছোকড়ারা জোর আড্ডা দিচ্ছে। জমজমাট চারিদিক!

এক রাতই ছিলাম, তারপর সেই মহুয়া এক্সপ্রেস। ঢাকা টু মোহনগঞ্জ ভায়া ময়মনসিং, প্রতিটি ষ্টেশনে ধরে, কামরা গুলতে ঠেশে লোকেরা উঠে,সে কি উৎকট গন্ধ, লোকেদের ঘেমো গন্ধ, এরমাঝে ফেরিওয়ালার চানাচুর মুড়ি, থেকে থেকে দেশলাইয়ের ফসফরাস গন্ধ। ট্রেন চললে রক্ষে নাহলে গরম ভয়ংকর। মনে হয় ট্রেইন টা সন্ধ্যায় ছিল। অন্ধকার কামড়া, কোন অচেনায় চলেছে, মনে হয়। একটু পর পর থামছে, থামলেই ঝাঁপিয়ে পরে শব্দেরা, নানান শব্দের মিশেল। তারপর আবার ছুট, কখন ঘুম, কখন জেগে এক সময় এসে পৌঁছই, সে শহরে। ম্লান হলদে আলো আর রিকশার মিষ্টি টুন টুন। ধূপের গন্ধে ভরপুর।
নদীর ধার ঘেসে ঘেসে রাস্তা চলেছে, ছোট ছোট বাড়ী, গাছ পালা, আলো আঁধার নিরব একটা শহর। আমার বোনের বাসাটি ছিল, শহরের একধারে, সড়ক থেকে একটি কাঁচা রাস্তা কিছুদুর গেছে, বাঁয়ে একটা হেফজ খানা, তারপর মাদ্রাসার বিশাল পুকুর, তারধার ঘেসে চলেছে কাঁচা রাস্তা, শেষ মাথায় খালি একটা উঁচু জমি, তার ডানদিকে ঝিল বাম দিকে তেতলা বাসা, সবুজ তার জানালা খোলা। আমরা দোতলার যে ঘরটিতে ছিলাম তার জানালা দিয়ে ঝিলটি দেখা যেত, ঝিলের পিছেই ছিল রেইল রাস্তা তারপর নিচু জমি, তারপর কংস নদ। সে বাসার ছাদে উঠলে আকাশ পরিষ্কার থাকলে গারো পাহাড় দেখা যেত। দৃশ্যটা ছিল এমন, দূরে রেইল রাস্তা তারপর খাঁখাঁ মাঠ, যেন তেপান্তর, তারপর কংস, তারও পরে সবুজ গ্রাম, দুপাশ থেকে এসে এসে থেমে গেছে মিশে গেছে, আর এর মাঝ দিয়ে দেখা যায় সে নীল পাহাড়, কোন দূরের মেঘ কি কুয়াসারা ঢেকে রাখে মায়ায়, ঢেকে রাখে কুহকে। কি এক হতবাক অলীক সে রূপ, সে কোন সুদূর শৈশবে দেখা, এখনো সে মায়া যেন ছড়িয়ে আছে, যেন ভুলে যাওয়া ফুলেদের সৌরভ, যেন শেষ সন্ধ্যায় কোন যাদুর লালিমা, রয়ে যায় সবটা জুড়ে, দীর্ঘ এক সময় জুড়ে। কোন কোন শেষ বিকেলের রাঙ্গা আলোয় দেখতাম ভরা নদে নৌকোদের পাল তুলে চলে যাওয়া, ছেঁড়া খোঁড়া মেঘেদের ফাঁকে মদির লাল আকাশ আর দূরের পাহাড় নীরব। মনটা কেন যেন কেমন করে উঠত। কিসের এক অচেনা ব্যাথা ঘিরে ধরত, কিংবা কেজানে এখন বুঝি এমনই মনে হচ্ছে, সে হারান পাহাড়, নদ আর সেই রাঙ্গা সন্ধ্যা গুলোর চলে যাওয়ায়। এই ভিড়ের হট্টগোলে নিজেদের হারিয়ে ফেলা আমরা দূর থেকে যখন খুঁজে বেড়াই সেই জমিয়ে রাখা, লুকিয়া রাখা হারান সময় গুলো, তখনই বুঝি সেই ব্যাথা গুলি ঘিরে ধরে, কুয়াশাদের মত পাক খেয়ে খেয়ে ঘিরে ধরে। মন বলে আহ সময়! নিষ্ঠুর সময়!

শহরে সন্ধ্যা নামলেই ধূপের গন্ধ মো মো করত, একটাই মাঝারি প্রশস্ত সড়ক শহরের এ মাথা থেকে ওমাথা গেছে চলে, দুপাশে ঘর বাড়ি দোকান, বাজার এই সব। শহরে দুটি রেইল স্টেশন ছিল, একটা বড় ষ্টেশন আর একটা ছোট ষ্টেশন। ছোট ষ্টেশন থেকে সাতপাই এর দিকে যেতে গেলে,হাতের ডানে এক ডাক্তার সাহেবের বাসা পরত, ছোট্ট টিনের বাসা, লাল চওড়া বারান্দা, সবুজ ঘাসের লন, সাদা সাদা বেতের চেয়ার পাতা থাকত, গেইটে মাধবী লতা।

স্কুলে কিছু বন্ধু জুটল আর পাড়ায়। সেবারই প্রথম বন্যা দেখি, ঘুম থেকে উঠে দেখি, মাদ্রাসার মাঠ, পাশের উঁচু জমি সব ঘোলা পানিতে সয়লাব, আর কি যে এক হাওয়া দিচ্ছে! আগে আর কখন বন্যা দেখিনি, অবাক হয়ে গেছি ঘুম থেকে উঠে! দৌড়ে ছাদে গেলাম, দূরের রেইল রাস্তাটা শুধু জেগে আর সব শুধু পানি আর পানি। দূরে দেখা যায় লোকেরা মাথায় বোচকা নিয়ে উঁচু রেইল রাস্তায় উঠে আসছে। অবুঝ মন কি আর বুঝে, কাগজ পেন্সিল নিয়ে বসে গেলাম, কত স্কেচ করেছিলাম সে সময়, প্রতিভা কিছু থাকলে জয়নুলের দুরভিক্ষের সিরিজের মত হতে পারত। তা তেমন কিছু হয়নি আমি বরাবর মিডিওকার, শুধু একটা কাজ আমি ভাল পারি সে হল দেখতে। জানালা দিয়ে পানি দেখি, ইস্পাত রঙ্গা আকাশ দেখি, ঢোল কলমির জেগে থাকা পাতার কাঁপন দেখি। শারমিন তখন তপন চৌধুরীর ক্যাসেট কিনেছিল স্টেরিওতে বাজত, পলাশ ফুটেছে, শিমুল ফুটেছে, এসেছে দারুন মাস, কিংবা অনাবিল আশ্বাসে জীবনের বন্দরে ভিড় করে কত চেনা মুখ। কত যুগ পার হয়ে গেল এই গান গুলো আর শোনা হয়নি।

সেই বন্যায় পুরো বাসার ছেলে পুলেরা শুধু ছাদে গিয়ে হইচই করতাম আর খবরের কাগজ ছিড়ে এরোপ্লেইন বানাতাম। সে বাসার বিভিন্ন ফ্ল্যাটে সমবয়সী বেশ কয়েকজনই ছিলাম। এই বন্যার মাঝেই মেজদি সহ সবাইকে কি এক কাজে ঢাকায় ফিরতে হল, আমি একা বাসায়। ব্যবস্থা হল, একদিন নিচতলার রাসেল থাকবে তো আরেক দিন তিনতলার শহীদ থাকবে রাতে, আর বুয়া রান্না বান্না করে দিয়ে যাবে, কোন অসুবিধে নেই। কোন একদিন আমি রাসেল কে বললাম আজকে আসতে হবে না শহীদ আসবে আর শহীদ কে বললাম রাসেল থাকবে। পাড়ায় ছিল “রুপক পাঠাগার” সেখান থেকে নিয়ে এলাম এই ঢাউস “ভৌতিক অমনিবাস”। বিকেল থেকেই রাতের কথা ভাবতে লাগলাম, আর কেমন যেন বুকটা দুরু দুরু করতে লাগলো আবার ভালোও লাগতে লাগলো, রবীন্দ্র নাথের ভাষায় “সুখের মত ব্যাথা” জাতীও কিছু। অনেকটা আসলে এমন, নাগরদোলায় চড়লে পরে, নামার সময় পেটটা কেমন খালি খালি লাগে আবার মজাও লাগে তেমন একটা অনুভূতি।

সেই কাঙ্ক্ষিত রাত এল , সারা রাত বই পড়ে কেটে গেল, ভয়, ভুত কিছুরই দেখা মিলল না। সকালে বই ফেরত দিতে গেলে রুপক ভাই এর বাবা অবাক হয়ে বললেন একদিনে এই বই শেষ, তুমি কি পড়ার বই পড় না!

মেজদিরা না আসা পর্যন্ত সে বাসায় কি যে তান্ডব গেল! সবাই কে নিয়ে পুরো বাসা জুড়ে লুকোচুরি খেলতাম। সে এক কান্ড বটে!
একদিন কলিং বেল শুনে দরজা খুলে দেখি মেজদি কোলে নিনিয়া, আর শারমিন লাল একটা জামা পরা পরীর মত লাগছে, ওদের আরও দুদিন পরে আসার কথা ছিল আগেই এসে আমাকে অবাক করে দিল। শারমিন এনেছিল তিন গোয়েন্দার “ছুটি” আরা এরফান জেফাপের “ ডেথ সিটি” (সেবার সেরা দুটি বই), আর মেজদি এনেছিল “প্রফেসর শঙ্কুর কান্ডকারখানা”। কি আনন্দেরই না দিন গুলি ছিল। আনন্দের চোটে ওদের সব মাফ করে দিলাম। কিনা প্রথম যখন মেজদির বাসায় এসে উঠলাম, ওরা দুই জনেই কিছু হলেই বলত সিজারটা খুব পাজি, সিজারটা অমুক সিজারটা তমুক, আমি রাগ হয়ে কিছু বললেই বলত আরে তুমি নাতো সামনের বাসার এক দাঁড়ি ওয়ালা বয়স্ক লোকের কথা বলে বলত ওই লোকের নামও সিজার, আমি থতমত খেয়ে চুপ হয়ে যেতাম। ওই লোককে আমি মনে মনে লেনিন নাম দিয়েছিলাম। একদিন পুকুরে সাঁতার কাটছি দেখি সেই তথাকথিত “সিজার” সাহেবও এসছেন, আমি দুরু দুরু বুকে জিজ্ঞেস করলাম, আচ্ছা আপনার নাম কি সিজার? কটমট করে তাকিয়ে বলল “না”। আমি দূর থেকে দেখলাম মেজদি আর শারমিন কি যেন বলাবলি করছে আর হাসছে, আমি খুব রাগ নিয়ে বাসায় ঢুকলাম, ওদের বলতেই ওরা বলল নাতো উনার এটাই নাম, তোমাকে দেখে মনে হয় উনার রাগ লেগেছে তাই “না” বলেছেন। কি যন্ত্রণা! এখন কি করি। সে বই পেয়ে এদের সব কিছু ভুলে গেলাম!

সময় গুলি কিভাবে যে চলে যেতে থাকে, গানে গল্পে , হাওয়ায় হাওয়ায়! সে শহরে আমাদের অনেক আত্মীয়জন ছিলেন। আমার বাবার নানার বাড়ী নেত্রকোনায়, আবার আমার নানাবাড়িও নেত্রকোনায়। তাই সেখানে অনেক ফুফু, খালা আর কাকাদের সাথে দেখা হল। বাবার নানা ছিলেন বৃহত্তর ময়মনসিংহের প্রথম মুসলিম এডভোকেট। নাম করা লোক ছিলেন। বাবার এক মামা তখনও জীবিত ছিলেন উনার সাথে দেখা হয়েছিল, সুন্দর বৃদ্ধ একজন মানুষ। এক ফুফা ছিলেন ডাক্তার, খুব সুন্দর বাসা ছিল তাঁদের, বাসার সামনে অনেক বড় ফুলের বাগান। আরেক খালার বাসার সামনেই ছিল আইস্ক্রিম ফ্যাক্ট্রি, আমাদের ছোট বড় অনেক ভাই বোন ছিল, তাই যে কোন দাওয়াত পানিতে খুব হইচই হত। বিশেষত মেজদির মেয়ে নিনিয়ার জন্ম দিনে। আমরা খুব মজা করে ঘর সাজাতাম, আর অনুষ্ঠান শেষে সবাই অনেক গান টান করত। মেজদি তখন গান শিখত গোপাল বাবুর কাছে, রেডিওর বাঁধা উচ্চাঙ্গ সংগীত শিল্পী ছিলেন তিনি, ভরাট কণ্ঠে যখন গাইতেন “কাবেরী নদী জলে কে গো বালিকা...” গম গম করে উঠত চারিদিক,এমন কণ্ঠ আমি খুব কমই শুনেছি। আমি শুনে শুনে নজরুলের অনেক গান শিখে ফেলেছিলাম তখন।

এর মাঝে ঠিক হল আমাকে ঢাকা ফিরে আসতে হবে, ধান্মন্ডি গভঃ বয়েজ স্কুলে ভর্তি হব। আবার সব শুরু হবে নতুন করে। এর মাঝে দাবা ফেডারেশন থেকে খবর এল আমার বাবার নামে একটা আন্তর্জাতিক জুনিয়র টুর্নামেন্ট হবে, আমাকে সেখানে খেলতে হবে, ততদিনে আমি আনবিটেন ডিসট্রিক্ট চ্যাম্পিয়ন হয়ে গিয়েছিলাম। বাবা আমৃত্যু দাবা ফেডারেশন এর চেয়ারম্যান ছিলেন। পর পর দু বছর সে টুর্নামেন্টটা হয়েছিল। কিন্তু আফসোস আমার আর সে টুর্নামেন্টে খেলা হয়নি। সাথে যাওয়ার মত লোক পাইনি তাই দেরী হয়ে গেল।
তারপর কোন এক সকালে বাসে করে, সে শহর ছেড়ে চলে এলাম একা, এই শহরে, এক যাদুর শহরে,কোন এক উজ্জ্বল দিনে! আর কখনই ফেরা হয়নি সে সবুজ জানালার বাসায়, সে বিষণ্ণ মেঘেদের শহরে। সে হাহাকার বাতাস, সে ফিকে নীল পাহাড় আমার ভাবনায় কড়া নারে থেকে থেকে। আমার আর ফেরা হয় না!যদিও খুব ইচ্ছে হয় দেখতে সে পাহাড় আবছায়া!
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৫১
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ দহনবেলার কহন কথা

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:১৫




বুকের অভিমান, ক্ষত লুকিয়েছি মনে


নিঝুম রাতের সঙ্গী তারা গভীর গোপনে।


অচেনা নক্ষত্র জ্বলে নেভে দুরে একাকী 


বিচ্ছিন্নতার উপমা হিসেবে নিজেকেই রাখি। 


আসমুদ্রহিমাচল জ্বালা বুকে তবু দায়িত্ববান 


হাজার দহনে পুড়ে খাঁটি শিখা অনির্বাণ।


© রফিকুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০০১ সালেও বিএনপিকে ডোবানোর দায়িত্ব নিয়েছিল টুকু!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৫১


ভয়াবহ লোডশেডিং। মধ্যরাতে ঢাকবাসীর হাঁসফাঁস। হঠাৎ করে এতো লোডশেডিং হওয়ার কোন কারণ নেই অথচ মধ্যরাতে ভয়াবহ লোডশেডিং। গ্রামে বিদ্যুৎ থাকেনা বললেই চলে। গ্রামে বিদ্যুৎ যাওয়ার সময় আছে কিন্তু আসার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বাষ্ট্রপতি নির্বাচন নাকি রাষ্ট্রীয় খরচে তামাশা!!!

লিখেছেন শাহিন-৯৯, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


বাংলাদেশে সম্মানিত রাষ্ট্রপতি (হবু)


নির্বাচন, এই শব্দটি শুনা মাত্র যে বিষয়টি আমাদের মাথায় আসে তা হচ্ছে ভোট প্রদানের যোগ্য ভোটারদের স্বাধীন ভোটের মাধ্যমে একজন যোগ্য ব্যাক্তিকে দায়িত্ব অর্পণের জন্য নির্বাচিত করা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

গজব পরিস্থিতি দেশের: বিদ্যুৎ নেই বিল ডাবল

লিখেছেন অর্ক, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৭



হাহাকার পড়ে গেছে দেশে। গ্যাস, বিদ্যুৎ সংকট চরম আকার নিয়েছে, নিচ্ছে। একদিকে বিদ্যুৎ নেই, অপরদিকে ভূতুড়ে বিল। অদ্ভুত ব্যাপার। বিদ্যুৎ নেই, নিয়মিত লোডশেডিং হচ্ছে, স্বাভাবিকভাবেই বিল কম হওয়ার কথা; সেখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ ভাড়াটে কান্নাকারী

লিখেছেন রাজসোহান, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



লোকে ভাবে আমরা কান্না বিক্রি করি। আমরা কান্না বিক্রি করি না। আমরা শব্দ বিক্রি করি।

শোকসভায় সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো নীরবতা। বক্তা বক্তৃতা শেষ করে বসে পড়লেন, পরের বক্তা এখনো মাইকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×