নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুত্র হতে জানা যা্য ..রাত ৩টার সময় ব্লগার ঈশান হাওয়া নামে নিজেকে দাবি করা একজন ব্যক্তি ( যদিও লিখেন কম , মন্তব্য করেন বেশী...হুহ ..) জলবিয়েগের জন্য বাথরুমে যান..সেখানে তীব্র আলো্য নিজের মনে হাটতে থাকা তেলু মিয়া লোকটিকে দেখে প্রথনে হতচকিত হয়ে পরে.....তারপর ছুটে পালা্য
কিন্ত অন্য একটি প্রানীর সামনে নির্লজ্জ ভাবে জলবিয়োগরত মানুষটিকে দেখে তেলু মিয়া ওরফে্ তেলুম্যান তার কান্ড জ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তুলে ..তাই এই বিষয়ে আলাপ আলোচনার জন্য সে মানুষটির পায়ের দিকে এগিয়ে আসতে.কিন্তু তার অগ্রযাত্রাকে ভয়ংকর আক্রমন ভেবে বেকুব মানুষটি ভীষন চমকে যা্য এবং বিজাতীয় ভাষা্য চিৎকার দিয়ে উঠে ..
বিড়বিড় করে মেরে ফেলার হুমকী দিতে থাকে..
অবস্হা বেগতিক দেখে তেলুমিয়া নিজের বাসা কমোডের দিকে ছুট দেয় ..
তখন হারামী ব্লগারের পিসিতে " আমাকে আমার মত থাকতে দ্যাও ..আমি নিজেকে নিজের মত লুকিয়ে নিয়েছি " নামক গানটি বাজতে থাকে..
ছবি : খুনি ব্লগার ঈশান হাওয়া
কিন্তু খুনের নেশায় মত্ত জংলি মানুষেটিকে তখন আর গানের কথা দিয়ে আটকানো যা্যনি..।
মানুষটি আধুনিক বিজ্ঞানের সহা্যতা নি্যে তৈরি কমোডের ফ্লাস টেনে বিশ্রামরত তেলুমিয়াকে ডুবিয়ে হত্যা করে .. এরপর এটা আত্নহত্যা নামে চালানোর চে্স্টা করে সামহোয়ারে পোস্ট দেয়..
ছবি: নিহত তেলুম্যান ওরফে তেলুমিয়া
এ বিষয়ে মতামত চেয়ে ব্লগারটিকে ফোন করলে সে বলে যে যে প্রাকৃতিক কাজ সেরে নাকি সে অভ্যাস বশত সে ফ্লাস করে এবং তেলুমিয়াকে সে দেখনি ,,,সে আরো দাবী করে আত্নহত্যার জন্য তেলুমিয়া নাকি সেখানে অবস্হান করছিলো..
সাংবাদিক তেলতেলা খান যখন প্রশ্ন করেন "তেলুমিয়াকে যদি নাই দেখে থাকেন তাহলে সে যে আত্নহত্যার জন্য সেখানে বসে ছিলো সেটা কিভাবে বুঝলেন?"
একথা শুনে ব্লগারটি লাইন কেটে দেয় । এরপর থেকে তার সংযোগটো বন্ধ পাওয়া যা
যায়
তাই এটাকি খুন না আত্নহত্যা ? এটি জানতে চেয়ে হিটাকাংখী ব্লগারটি মন্তব্য আহবান করে..
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মে, ২০১২ ভোর ৬:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


