somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০১৫ সমূহের সাফল্য ও অগ্রগতি

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০১৫ সমূহের সাফল্য ও অগ্রগতি

একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পৃথিবীর দরিদ্র জনগোষ্টির জন্য খুলে দিয়েছে অপার সম্ভাবনার দুয়ার। ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় কৃষি বিপ্ল¬ব, শিল্প বিপ্ল¬বের পর বর্তমান পৃথিবী নতুনতর এক বিপ্ল¬বের মুখোমুখি হতে চলেছে যার নাম তথ্য বিপ্ল¬ব। একথা বলার অপেক্ষা রাখে না যদি এই শতাব্দীকে নতুন কোন নামে অভিহিত করা হয় তবে তথ্য প্রযুক্তির শতাব্দী হবে তার জন্য উপযুক্ত।
বর্তমান শতাব্দীর গ্লে¬াবালাইজেশনের ফলে একটি দেশের উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি অন্যতম নিয়ামকের ভূমিকা পালন করছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির হাতিয়ার হচ্ছে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট । কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের বদৌলতে পৃথিবী এখন গ্বাল ভিলেজে পরিণত হয়েছে। বলা চলে পৃথিবী হাতের মুঠোয় নয় আঙুলের ডগায় চলে এসেছে। কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার এবং সফল প্রয়োগ যে কোন অনুন্নত দেশকে উন্নত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালনে সচেষ্ট।
বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার সেই উপলব্ধি কে বাস্তবে রূপদানের লক্ষ্যে ২০২১ সাল নাগাদ পরিকল্পনা গ্রহণ করেন । কর্মপরিকল্পনার নাম ঘোষিত হয় রপকল্প ২০২১ নামে । যেখানে ২০২১ সালের মধ্যে ’ডিজিটাল বাংলাদেশ’ হিসেবে বাংলাদেশ পরিচিতি লাভ করবে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ (রূপকল্প ২০২১)

নবম জাতীয় সংসদের নির্বাচনী ইশতেহারে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বিজয়ের সূর্বণ জয়ন্তীকে সামনে রেখে ভিশন ২০২১ বা রূপকল্প ২০২১ ঘোষণা করে। যেখানে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মধ্য দিয়ে বাংলদেশকে ২০২১ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি লাভ করবে মর্মে ঘোষণা করা হয়। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে আইসিটি মূল নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে । আইসিটির ব্যাপক ব্যবহারের মাধ্যমে সরকার দারিদ্র্যতা দূরীকরণ, সু-শাসন প্রতিষ্ঠা, মানসম্মত শিক্ষার মাধ্যমে সামাজিক ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যসেবা, সকলের জন্য আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করাসহ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দেশকে প্রস্তুত রাখতে সচেষ্ট থাকবে।
ডিজিটাল বাঙলাদেশের কৌশলগত মূখ্য অগ্রাধিকারসমূহ হচ্ছে -, সকলের জন্য সমান অভিগম্যতা , সক্রিয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উদ্যেগ, ২১ শতকের শিক্ষা, র্স্বজনীন এবং মানসম্মত স্বাস্থসেবা, উৎপাদনমূখী কৃষি, ন্যায়ানুগ বিচার প্রক্রিয়া, আইনের যথাযথ প্রয়োগ, দূর্যোগ এবং পরিবেশের প্রতি হুমকি মোকাবেলা, এবং কার্যকর ও সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী তেরী করা। মূলত ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য - জনগনের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেয়া।

বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় অর্থ মন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত সংসদে তাঁর বাজেট বক্তৃতায ডিজিটিাল বাংলাদেশ প্রসঙ্গে বলেন- ‘ ‘আমাদের রূপকল্প অনুযায়ী ২০২০-২১ সাল নাগাদ আমরা এমন এক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চাই, যেখানে অর্থনীতির চালিকাশক্তি হবে উন্নত প্রযুক্তি এবং উচ্চতর প্রবৃদ্ধি। সেই বাংলাদেশে স্থিতিশীল থাকবে দ্রব্যম–ল্য, আয়-দারিদ্র্য ও মানব-দারিদ্র্য নেমে আসবে ন–্যনতম পর্যায়ে, সবার জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত হবে, ব্যাপকভাবে বিকশিত হবে মানুষের সৃজনশীলতা এবং সক্ষমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা পাবে, হ্রাস পাবে সামাজিক বৈষম্য, প্রতিষ্ঠা পাবে অংশীদারিত্বম–লক গণতন্ত্র এবং অর্জিত হবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট বিপর্যয় মোকাবেলায় সক্ষমতা। তথ্য-প্রযুক্তিতে বিকশিত হয়ে সেই বাংলাদেশ পরিচিত হবে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ হিসেবে।’

মিলিনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল ২০১৫


জাতিসংঘ পৃথিবীর তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর শান্তি, নিরাপত্তা এবং উন্নয়নে যে কর্মকৌশল গ্রহণ করেছে তার নাম সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০১৫ বা মিলিনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল ২০১৫। জাতিসংঘের ১৯১ টি সদস্য রাষ্ট্র মিলিনিয়াম ডিক্লিয়ারেশনের (GA Resolution A/54/2000) মাধ্যমে দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকার ব্যক্ত হয় সকলের জন্য সমান অধিকার , মর্যদা,স্বাধীনতা এবং জীবন ধারণের জন্য নূন্যতম স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
পরবর্তীতে সহস্রাব্দ ঘোষণার বিস্তারিত জাতিসংঘের মহাসচিব তাঁর রিপোর্ট "A Road Map Towards the Implementation of the UN Millennium Declaration" (GA Resolution A/56/326). করেন। এই দুইটি ঘোষনাপত্র সমন্বয়ে ২০০০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘ বিশ্বব্যাপী বিদ্যমান চরম দারিদ্র ও ক্ষুধা নির্মূল করা, সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা, নারী পুরুষের সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন,শিশুমৃত্যু হ্রাস, প্রসূতি স্বাস্থ্যের উন্নয়ন, এইচআইভি/এইডস, ম্যালেরিয়া এবং অন্যান্য রোগের মোকাবেলা, টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং উন্নতির লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে জাতিসংঘের ১৯১টি সদস্য রাষ্ট্র এবং ২৩টি আর্ন্তজাতিক সংগঠন সর্বসম্মতিক্রমে ৮টি লক্ষ্য এবং ২১টি লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে মিলিনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলস ২০১৫(এমডিজিস)বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০১৫ ঘোষণা করেন।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০১৫ এর ৮টি লক্ষ্য সুন্দর ভাবে সন্নিবেশ ঘটানো হয়েছে। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০১৫ কে প্রগতিশীল ও সমতাপূর্ণ বিশ্ব বিনির্মানের পথ নকশা হিসেবে উল্লেখ করা যায় । অনুরূপভাবে ভিশন ২০২১ কে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনিমানের পথ রেখা বলা যায়। দিন বদলের অঙ্গীকার সমৃদ্ধ রূপকল্প ২০২১ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০১৫ বাস্তবায়নে মাইল ফলক হিসেবে ভবিষ্যৎ বির্নিমানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা করবে।

ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০১৫সমূহের সাফল্য ও গ্রগতি নিম্নে ধারাবাহিক ভাবে উপস্থাপন করা হলো।


লক্ষ্য ১ ঃ চরম দারিদ্র এবং ক্ষুধা নিমূল করা

(Eradicate Extreme Poverty and Hunger)

লক্ষ্যমাত্রা-১ ঃ যাদের দৈনিক আয় ১ ডলারের কম সেসব মানুষের অনুপাত ১৯৯০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে অর্ধেক কমিয়ে আনা।

লক্ষ্যমাত্রা-২ ঃ নারী, পুরুষ এবং তরুন যুব সমাজের জন্য উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

লক্ষ্যমাত্রা-৩ ঃ ১৯৯০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে মোট জনগোষ্ঠীর ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা অর্ধেকে হ্রাস করা।

পরিকল্পনা, সাফল্য ও অগ্রগতি ঃ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানের লক্ষ্যে ঘোষিত ভিশন ২০২১ এ বলা হয়েছে লক্ষ্য দারিদ্র হ্রাস নয় দারিদ্র নির্মূল করা। এ জন্য ২০১৫ সালে না হোক ২০১৭ সালে জাতিসংঘ ঘোষিত সহস্রাব্দ লক্ষ্যমাত্রা পূরণের কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে। বর্তমান দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র পুনর্মূল্যায়ন করে যথোপযুক্ত পিআরএসপি প্রণয়ন করা হবে। ২০১২ সাল নাগাদ বর্তমান দারিদ্র্যের হার ক্রমান্বয়ে ৪৫ থেকে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। ২০১৩ সালে দরিদ্র জনগোষ্ঠী হবে বর্তমানের ৬.৫ কোটির স্থলে ৪.৫ কোটি এবং ২০২১ সালে হবে ২.৫ কোটি। দারিদ্র নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অতি দরিদ্রদের জন্য গড়ে তোলা হবে টেকসই সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী।

২০২১ সালে জনসংখ্যা হবে ১৬.৫ কোটি। শ্রমশক্তি হবে ১০.৫ কোটি। ২০২১ সালেরর মধ্যে শ্রমশক্তি অন্তত ৮৫ শতাংশের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। বর্তমানে ৪.৫ কোট কর্মরত শ্রমিকের সংখ্যা ২০১৩ সালে হবে ৫.৬ কোটি এবং ২০২১ সালে হবে ৯ কোটি। শিল্পের বিকাশ, কৃষির শ্রমঘন বৈচিত্র্য সাধন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, রফতানি প্রসার ও জনশক্তি বৃদ্ধিসহ কর্মসংস্থানের নানা উদ্ভাবনী কর্মসূচী গ্রহণ করা হবে।

লক্ষ্যমাত্রা -১ ঃ যাদের দৈনিক আয় ১ ডলারের কম সেসব মানুষের অনুপাত ১৯৯০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে অর্ধেক কমিয়ে আনা।

সূচক ১.১ ঃ Proportion of population below national upper poverty line, percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৫৬.৬ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৩৮.৭ (২০০৮) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ২৯.০ শতাংশ।

সূচক ১.২ ঃ Poverty Gap Ratio, percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ১৭.০ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৯.০ (২০০৫) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ৮.০ শতাংশ।

সূচক ১.৩ ঃ Share of poorest quintile in national consumption, percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৬.৫ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৫.৩ (২০০৫) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট প্রযোজ্য নহে

লক্ষ্যমাত্রা -২ ঃ নারী, পুরুষ এবং তরুন যুব সমাজের জন্য উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
সূচক ১.৫ ঃ Employment to population ratio, Percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৪৮.৫ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৫৯.৩ (২০০৯) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট সব।

লক্ষমাত্রা -৩ ঃ ১৯৯০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে মোট জনগোষ্ঠীর ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা অর্ধেকে হ্রাস করা।

সূচক ১.৮ ঃ Prevalence of underweight children under five years
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৬৬.০ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৪৫.০ (২০০৯) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ৩৩.০ শতাংশ।

সূচক ১.৯ ঃ Proportion of population below minimum level of dietary energy consumption, percent

বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ২৮.০ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ১৯.৫ (২০০৫) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ১৪.০ শতাংশ।

লক্ষ্য ২ ঃ সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা
(Universal Primary Education)


লক্ষ্যমাত্রা -৪ ঃ ২০১৫ সালের মধ্যে ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সকল শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা।

পরিকল্পনা, সাফল্য ও অগ্রগতি ঃ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানের লক্ষ্যে ঘোষিত ভিশন ২০২১ এ বলা হয়েছে ২০১০ সালের মধ্যে প্রাথমিক স্তরে নিট ভর্তির হার ১০০ শতাংশ হবে। ২০১৩ সালে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। ২০১৪ সালে নিরক্ষরতা মুক্ত বাংলাদেশ করা হবে।

লক্ষ্যমাত্রা -৪ ঃ ২০১৫ সালের মধ্যে ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সকল শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা।

সূচক ২.১ ঃ Net enrollment in primary education, percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৬০.৫ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৯১.৯ (২০০৮) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ১০০ শতাংশ।

সূচক ২.২ ঃ Proportion of pupils starting grade 1 who reach grade 5, percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৪৩.০ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৫৪.৯ (২০০৮) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ১০০ শতাংশ।

সূচক ২.৩ ঃ Adult literacy rate of 15+ years old population(proxy), percent Adult literacy rate of 15-24 years old population(Female), percent

বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৩৬.৯ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৫৮.৩ (২০০৭) শতাংশ, ২০১৫ সালের টার্গেট নাই।


লক্ষ্য ৩ ঃ নারী -পুরুষের সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়ন
(Gender Equality and Empower Women)


লক্ষ্যমাত্রা ৫ ঃ ২০০৫ সালের মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে এবং ২০১৫ সালের মধ্যে সকল শিক্ষা স্তরে নারী -পুরুষের বৈষম্য দূর করা।

পরিকল্পনা, সাফল্য ও অগ্রগতি ঃ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানের লক্ষ্যে ঘোষিত ভিশন ২০২১ এ নারীর ক্ষমতায়ন ও সম-অধিকার প্রতিষ্ঠা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে রাষ্ট্র ও সমাজ জীবনে নারীর সমান অধিকার ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৯৭সালের নারী নীতি পুনর্বহাল ও কার্যকর করা হবে, বৈষম্যমূলক আইনসমূহের সংস্কার করা হবে এবং সংসদে প্রত্যক্ষ ভোটে নারীর জন্য ১০০ আসন সংরক্ষিত করা হবে। নারী শিক্ষা উৎসাহিত করার লক্ষ্যে উপবৃত্তি অব্যহত রাখা হবে। কর্মক্ষেত্রে নারীর নিরাপত্তা, কর্মবান্ধব পরিবেশ ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে ।

লক্ষ্যমাত্রা ৫ ঃ ২০০৫ সালের মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে এবং ২০১৫ সালের মধ্যে সকল শিক্ষা স্তরে নারী -পুরুষের বৈষম্য দূর করা।

সূচক ৩.১(ক) ঃ Ratio of girls to boys in primary education(Gender Parity Index=Girls/Boys)

বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ০.৮৩ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ১.০৩ (২০০৯) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ১.০ শতাংশ।

সূচক ৩.১(খ) ঃ Ratio of girls to boys in secondary education(Gender Parity Index=Girls/Boys)

বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ০.৫২ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ১.১৭ (২০০৯) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ১.০ শতাংশ।

সূচক ৩.১(গ) ঃ Ratio of girls to boys in tertiary education(Gender Parity Index=Girls/Boys)

বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ০.৩৭ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ০.৩২ (২০০৬) শতাংশ, ২০১৫ সালের টার্গেট ১.০ শতাংশ।

সূচক ৩.২ ঃ Share of women in wage employment in the non-agricultural sector, percent

বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ১৯.১ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ২৪.৬ (২০০৮) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ৫০ শতাংশ।

সূচক ৩.৩ ঃ Proportion of seats held by women in national parliament, percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ১২.৭ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ১৯.০ (২০০৯) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ৩৩ শতাংশ।

লক্ষ্য ৪ ঃ শিশু মৃত্যু হ্রাস
(Reduce Child Mortality Rate)


লক্ষ্যমাত্রা ৬ ঃ ১৯৯০ সাল থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুহার দুই তৃতীয়াংশে হ্রাস করা।

পরিকল্পনা, সাফল্য ও অগ্রগতি ঃ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানের লক্ষ্যে ঘোষিত ভিশন ২০২১ এ বলা হয়েছে ২০২১ সালে শিশুমৃত্যুর হার ৩.৮ থেকে কমে হবে ১.৫ শতাংশ ।

লক্ষ্যমাত্রা ৬ ঃ ১৯৯০ সাল থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুহার দুই তৃতীয়াংশে হ্রাস করা।
সূচক ৪.১ ঃ Under-five mortality rate (per 1000 live births)
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ১৪৬ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৫৩.৮ (২০০৮) শতাংশ, ২০১৫ সালের টার্গেট ৪৮ শতাংশ।

সূচক ৪.২ ঃ Infant mortality rate (per 1000 live births)
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৯২ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৪১.৩ (২০০৮) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ৩১ শতাংশ।

সূচক ৪.৩ ঃ Proportion of 1 year-old children immunized against measles, percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৫৪ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৮২.৩ (২০০৯) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ১০০ শতাংশ।

লক্ষ্য ৫ ঃ প্রসূতি স্বাস্থ্যের উন্নতি নিশ্চিত করা
(Improve Maternal Health)


লক্ষ্যমাত্রা ৭ঃ ১৯৯০ সাল থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে প্রসবকালীন মৃত্যুর হার তিন-চতুর্থাংশ হ্রাস করা।

লক্ষ্যমাত্রা ৮ ঃ ২০১৫ সালের মধ্যে রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ এর সার্বজনীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।

পরিকল্পনা, সাফল্য ও অগ্রগতি ঃ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানের লক্ষ্যে ঘোষিত ভিশন ২০২১ এ বলা হয়েছে ২০২১ সাল নাগাদ মাতৃমৃত্যুর হার ৩.৮ থেকে কমিয়ে ১.৫ শতাংশে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রা ৭ঃ ১৯৯০ সাল থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে প্রসবকালীন মৃত্যুর হার তিন-চতুর্থাংশ হ্রাস করা।

সূচক ৫.১ ঃ Maternal mortality ratio, per 100,000 live births
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৫৭৪ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৩৪৮(২০০৮) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ১৪৪

সূচক ৫.২ ঃ Proportion of births attended by skilled health personnel, percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৫.০ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ২৪.৪ (২০০৯) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ৫০ শতাংশ

লক্ষ্যমাত্রা ৮ ঃ ২০১৫ সালের মধ্যে রিপ্রোডাক্টিভ হেলথ এর সার্বজনীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।

সূচক ৫.৩ ঃ Contraceptive prevalence rate, percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৩৯.৭ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৫৯.০ (২০০৭) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট নাই।

সূচক ৫.৪ ঃ Adolescent birth rate, per 1000 women
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৭৭.০ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৬০.০ (২০০৮) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট নাই।

সূচক ৫.৫(ক) ঃ Antenatal care coverage (at least one visit), percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ২৭.৫(১৯৯৩) শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৬০.৩ (২০০৭) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ১০০ শতাংশ

সূচক ৫.৫(খ) ঃ Antenatal care coverage (at least four visit), percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৫.৫(১৯৯৩) শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ২০.৬ (২০০৭) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ১০০ শতাংশ

সূচক ৫.৬ ঃ Unmet need for family planning, percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ১৯.৪ (১৯৯৩) শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ১৭.৬ (২০০৭) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ৭.৬ শতাংশ।

লক্ষ্য ৬ ঃ এইচআইভি/এইডস, ম্যালেরিয়া এবং অন্যান্য রোগের মোকাবেলা
(Combat HIV/AIDS, Malria and Other Diseases)


লক্ষ্যমাত্রা-৯ ঃ ২০১৫ সালের মধ্যে এইচআইভি/এইডস এর বিস্তার রোধ এবং রোগীর সংখ্যা হ্রাস করা।

লক্ষ্যমাত্রা -১০ ঃ ২০১০ সালের মধ্যে সকল এইচআইভি/এইডস রোগীর সার্বজনীন চিকিৎসা নিশ্চিত করা।

লক্ষ্যমাত্রা -১১ ঃ ২০১৫ সালের মধ্যে ম্যালেরিয়া রোগের বিস্তার রোধ এবং রোগীর সংখ্যা হ্রাস করা।

পরিকল্পনা, সাফল্য ও অগ্রগতি ঃ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানের লক্ষ্যে ঘোষিত ভিশন ২০২১ এ বলা হয়েছে ২০২১ সালের মধ্যে সকল প্রকার সংক্রামক ব্যাধি সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে। এইচআইভি/এইডস, কুষ্ঠ, যক্ষাসহ সংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধের ব্যবস্থা এবং রোগ নিরাময়ে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

লক্ষ্যমাত্রা-৯ ঃ ২০১৫ সালের মধ্যে এইচআইভি/এইডস এর বিস্তার রোধ এবং রোগীর সংখ্যা হ্রাস করা।
সূচক ৬.১ ঃ HIV prevalence among population (per 100,000 population)
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ০.০০৫ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ০.১ শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট স্থগিত

সূচক ৬.২ ঃ Condom use rate, percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে নাই, বর্তমান অবস্থা ৪.৫ (২০০৫) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট নাই

সূচক ৬.৩ ঃ Proportion of population aged 15-24 years with comprehensive correct knowledge of HIV/AIDS, percent

বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে নাই, বর্তমান অবস্থা ১৫.৮ (২০০৬) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট নাই।

লক্ষ্যমাত্রা -১১ ঃ ২০১৫ সালের মধ্যে ম্যালেরিয়া রোগের বিস্তার রোধ এবং রোগীর সংখ্যা হ্রাস করা।

সূচক ৬.৬(ক) ঃ Prevalence of malaria per 100,000 population
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৪৩(২০০০) শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৫৯ (২০০৮) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট স্থগিত

সূচক ৬.৬(খ) ঃ Death rate associated with malaria per 100,000 population
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ০.৩৭(২০০০) শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ০.১১ (২০০৮) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট স্থগিত

সূচক ৬.৭ ঃ Proportion of Children under-5sleeping under insecticide treated bed nets [13 Malaria prone districts] percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৮১ , বর্তমান অবস্থা ৮১ (২০০৯) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ৯০%।

সূচক ৬.৯(ক) ঃ Prevalence of TB per 100,000 population
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ২৬৪(১৯৯০) ছিল, বর্তমান অবস্থা ২২৫(২০০৭) , ২০১৫সালের টার্গেট স্থগিত।

সূচক ৬.৯(খ) ঃ Death rates associated with TB per 100,000 population
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৭৬(১৯৯০) ছিল, বর্তমান অবস্থা ৫০(২০০৮), ২০১৫সালের টার্গেট স্থগিত।

সূচক ৬.১০(ক) ঃ Detection rate of TB under DOTS, percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ২১(১৯৯৪) শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৭০(২০০৯) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ধরে রাখা।
সূচক ৬.১০(খ) ঃ Cure rate of TB under DOTS, percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৭৩(১৯৯৪) শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৯২ (২০০৯) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ধরে রাখা।

লক্ষ্য ৭ ঃ টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করা
(Ensure Environmental Sustainability)


লক্ষ্যমাত্রা ১২ ঃ জাতীয় পর্যায়ে নীতি ও কার্যক্রমে টেকসই উন্নয়ন নীতিমালা অঙ্গীভূত করা এবং পরিবেশ সম্পদের ক্ষয়রোধ।

লক্ষ্যমাত্রা ১৩ ঃ ২০১০ সালের মধ্যে জীববৈচিত্র্যর ক্ষতির হার হ্রাস নিশ্চিত করা।

লক্ষ্যমাত্রা ১৪ ঃ নিয়মিত সুপেয় পানি প্রাপ্তির সুযোগহীন জনসংখ্যার আনুপাতিক হার ২০১৫ সালের মধ্যে অর্ধেকে হ্রাস করা।

লক্ষ্যমাত্রা ১৫ ঃ ২০২০ সালের মধ্যে নূন্যতম ১০০ মিলিয়ন বসতীর বাসিন্দদের জীবনমানের গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি সাধন।

পরিকল্পনা, সাফল্য ও অগ্রগতি ঃ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানের লক্ষ্যে ঘোষিত ভিশন ২০২১ এ বলা হয়েছে ২০১১ সালের মধ্যে দেশের সকল মানুষের জন্য নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করা হবে। ২০১৩ সালের মধ্যে প্রতিটি বাড়িকে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। আবহাওয়া পরিবর্তন ও বিশ্ব উঞ্চায়নের কারনে উদ্ভুত বিপর্যয় থেকে বাংলাদেশকে সুরক্ষার সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা, পরিকল্পিতভাবে বায়ু দূষণ প্রশমন, শিল্প ও যানবাহনজনিত পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ এবং বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে। বনভূমি ও জলাধার সংরক্ষণ এবং নদী ভাঙ্গন রোধসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে বাংলাদেশকে নিরাপদ ভূখন্ডে পরিণত করা হবে।
প্রাণিসম্পদ রক্ষায় সমান্বত নীতি ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। নদী খনন, পানি সংরক্ষণ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদী ভাঙ্গন রোধ, বনাঞ্চল ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার ব্যবস্তা করা হবে। সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ ও লবণাক্ততা রোধ ও সুন্দরবনসহ অববাহিকা অঞ্চলের মিঠা পানি প্রাপ্তি সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে গঙ্গা ব্যারেজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হবে।

লক্ষ্যমাত্রা ১৩ ঃ ২০১০ সালের মধ্যে জীববৈচিত্র্যর ক্ষতির হার হ্রাস নিশ্চিত করা

সূচক ৭.১ ঃ Proportion of land area covered by forest (percent) (tree coverage)
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৯.০ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ১৯.২ (২০০৭) শতাংশ( ট্রি ডেনসিটি> ১০%,) ২০১৫সালের টার্গেট ২০.০ শতাংশ ( ট্রি ডেনসিটি >৭০%,) ।

সূচক ৭.২ ঃ CO2 emissions, metric tons per capita
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ০.১৪ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ০.৩০ (২০০৭) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট নাই।

সূচক ৭.৩ ঃ Consumption of ozone-depleting CFCs in metric tons
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ১৯৫ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ১৫৫ (২০০৭) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ০ শতাংশ।

সূচক ৭.৪ ঃ Proportion of fish stock within safe biological limits
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে নাই, বর্তমান অবস্থা নাই , ২০১৫সালের টার্গেট নাই।

সূচক ৭.৫ ঃ Proportion of total water resources used, percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে নাই, বর্তমান অবস্থা ৬.৬ (২০০০) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট নাই।

সূচক ৭.৬ ঃ Proportion of terrestrial and marine areas protected, percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ১.৬৪ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ১.৬৮ (২০০৭) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ৫.০ শতাংশ।

সূচক ৭.৭ ঃ Proportion of species threatened with extinction
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে -, বর্তমান অবস্থা -, ২০১৫সালের টার্গেট -।

লক্ষ্যমাত্রা ১৪ ঃ নিয়মিত সুপেয় পানি প্রাপ্তির সুযোগহীন জনসংখ্যার আনুপাতিক হার ২০১৫ সালের মধ্যে অর্ধেকে হ্রাস করা।

সূচক ৭.৮ ঃ Proportion of population using an improved drinking water sources, percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ৮৯.০ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৯৭.৮ (২০০৯) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ১০০ শতাংশ।

সূচক ৭.৯ ঃ Proportion of population using an improved sanitation facility, percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ২১.০ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৮০.৪ (২০০৯) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট ৬০ শতাংশ।

লক্ষ্যমাত্রা ১৫ ঃ ২০২০ সালের মধ্যে নূন্যতম ১০০ মিলিয়ন বসতীর বাসিন্দদের জীবনমানের গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি সাধন।

সূচক ৭.১০ ঃ Proportion of urban population living in slums, percent
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে নাই, বর্তমান অবস্থা ৭.৮(২০০১) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট নাই

লক্ষ্য ৮ ঃ উন্নয়নের জন্য বিশ্বজনীন অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা
(Develop a Global Partnership for Development)



লক্ষ্যমাত্রা ১৬ ঃ একটি মুক্ত, নিয়ম-ভিত্তিক, নিশ্চিত ও বৈষম্যহীন বাণিজ্য ও অর্থব্যবস্থা গড়ে তোলা যেখানে সুশাসন, উন্নয়ন ও দারিদ্র্য দূরীকরনে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংকল্প যুক্ত হবে।

লক্ষ্যমাত্রা ১৭ ঃ বিশেষ প্রয়োজনে ক্ষুদ্রতম উন্নয়নশীল দেশ(LDC) গুলোকে এড্রেস করা ।

লক্ষ্যমাত্রা ১৮ ঃ বিশেষ প্রয়োজনে ল্যান্ডলক উন্নয়নশীল দেশ এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের ছোট দ্বীপকে এ্যাড্রেস করা।

লক্ষ্যমাত্রা -১৯ ঃ দীর্ঘমেয়াদী টেকসই বির্তক এর জন্য জাতীয় এবং আর্ন্তজাতিক পরিমাপকের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশ গুলোর বির্তক সমস্যার ব্যাপকভাবে চুক্তি সম্পাদন করা।

লক্ষ্যমাত্রা -২০ ঃ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহের সহজ প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীগুলোর সাথে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
লক্ষ্যমাত্রা -২১ ঃ ব্যক্তি মালিকানা খাতের সহযোগিতায় তথ্য ও যোগাযোগ সহ অন্যান্য খাতে নতুন প্রযুক্তির সুবিধা বৃদ্ধি।

পরিকল্পনা, সাফল্য ও অগ্রগতি ঃ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানের লক্ষ্যে ঘোষিত ভিশন ২০২১ এর মৌলিক চাহিদা পূরণ সম্পর্কে বলা হয়েছে সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নাগরিকদের জন্য অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবন ধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয আয়ের গড় বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার ২০১৩ সালে ৮ শতাংশ এবং ২০১৭ সালে ১০ শতাঙশে উন্নীত করে ২০২১ সাল পর্যন্ত অব্যহত রাখা হবে। ভিশন-২০২১ এ সুশাসনের জন্য আইনের শাসন, রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন ও দূনীর্তি ও দূনীর্তিমুক্ত সমাজ গঠনের প্রতিশ্রƒতি সবিস্তারে বিবৃত হয়েছে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্যদূরীকরনের রপরেখা প্রণীত হযেছে। মৌলিক চাহিদা পূরণ ছাড়াও শ্রমশক্তির অভিক্ষেপ, দারিদ্র নিমূল, খাদ্য ও পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, শিল্প, জ্বালানী নিরাপত্তা, ভৌত অবকাঠামো, আবাসন, পরিবেশ ও পানিসম্পদ প্রভৃতি ক্ষেত্রে উন্নয়নের রপকল্প সন্নিবেশিত হয়েছে।

২০২১ সালে তথ্য প্রযুক্তিতে ’ডিজিটাল বাংলাদেশ’ হিসেবে বাংলাদেশ পরিচিতি লাভ করবে। পরবর্তীতে ঘোষিত পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশীপ (পিপিপি) উদ্যোগ, যা ২০২১ সালের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের জন্য আবশ্যিক ভৌত অবকাঠামো নির্মানের (বিশেষত জ্বালানী ও বিদ্যূৎ খাত) জন্য ব্যক্তি খাতের দক্ষতা , জ্বালানী ও বিদ্যুৎ সৃজনশীলতার সঙ্গে সরকারের নীতির সমন্বয় ঘটাবে।
২০১৩ সালে মাধ্যমিক স্তরে এবং ২০২১ সালে প্রাথমিক স্তরে আইটি শিক্ষা বাধ্যতামূলক হবে এবং এ উদ্দেশ দেশের বিভিন্ন স্থানে হাইটেক পার্ক, সফটওয়্যার টেকনোরজি পার্ক , আইসিটি ইনকিউবেটর এবং কম্পিউটার ভিলেজ স্থাপন করা হবে।

লক্ষ্যমাত্রা -২১ ঃ ব্যক্তি মালিকানা খাতের সহযোগিতায় তথ্য ও যোগাযোগ সহ অন্যান্য খাতে নতুন প্রযুক্তির সুবিধা বৃদ্ধি।

সূচক ৮.১৪ ঃ Telephone line per 100 population
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ০.২ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ০.৯২ শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট নাই।

সূচক ৮.১৫ ঃ Cellular subscriber per 100 population
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে নাই , বর্তমান অবস্থা ৩০.৮ (২০০৮) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট উল্লেখ্য নাই।

সূচক ৮.১৬ ঃ Internet users per 100 population
বেস ইয়ার ১৯৯০/১৯৯১ সালে ০.০ শতাংশ ছিল, বর্তমান অবস্থা ৩.৪ (২০০৮) শতাংশ, ২০১৫সালের টার্গেট উল্ল্যেখ নাই।

স্মরনীয় অগ্রগতি ঃ
জাতিসংঘের মুখপাত্র বলেন-, বাংলাদেশ গত দুই দশক এর উপর পাঁচ বছরের নিচে বাচ্চাদের মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে স্মরণীয় অগ্রগতি লাভ করেছে। শূণ্য থেকে এক বছরের নিচের বাচ্চাদের মৃত্যু হারের গতি

ক্ষুধা এবং দারিদ্রমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবাধ তথ্য প্রবাহের যে ভূমিকা তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা তবে একটি দিক খেয়াল রাখতে হবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উৎকর্ষতা, উদ্ভাবন এবং সুফলটুকু শুধু মাত্র ব্যবসায়ীক দৃষ্টিকোন থেকে দেখলে চলবে না এই সম্ভাবনাময় প্রযুক্তিকে সূদুর প্রসারী করতে পৌছে দিতে হবে গণ মানুষের আঙিনায়। একে সহজলভ্য করতে ভূমিকা রাখতে হবে সরকারের নীতি নিধারক মহলকে, এগিয়ে আসতে হবে বেসরকারী প্রতিষ্টান সমূহকেও। মনে রাখতে হবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিই পারে দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে দেশের চেহারা পাল্টে দিতে, পৌছে দিতে পারে উন্নয়নের শীর্ষ চূড়াঁয়।
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা -২০১৫ অর্জনের গতি ত্বরান্বিত করার মধ্যে দিয়ে অর্জিত হতে পারে বর্তমান সরকার ঘোষিত রূপকল্প - ২০২১। বিশ্বের দরবারে পরিচিতি লাভ করবে সুখী, সমৃদ্ধশালী, ক্ষুধা এবং দারিদ্রমুক্ত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ নামে।

তথ্যসূত্রঃ

1. United Nations Millennium Development Goals website, retrieved 16 June 2009.
2. About the Millennium Development Goals, OECD Development Co-operation
Directorate website, retrieved 16 June 2009.
3. United Nations. 2006. "The Millennium Development Goals Report: 2006." United
Nations Development Programme.
4. UN Millennium Development Goals
5. Review Summit 2010
6. United Nations Millennium Declaration
7. Millennium Development Goals: Needs Assessment and Costing 2009-2015 '- Ministry of
Planning
8.Wikipedia

9.MDGs Report 2009 - Ministry of Planning

10.Indicators 1.1, 1.2, 1.3 & 1.9 (HIES 2005); Indicators 1.5 (LFS 2005); Indicators 1.8
(CNS 2005);
11. Indicators 2.1 (DPE 2007); Indicators 2.2 (MICS 2009(Preliminary)); Indicators 2.3
(SVRS 2008, MICS 2009(Preliminary));
12. Indicators 3.1a, 3.1b (MICS 2009(Preliminary)); Indicators 3.1c (BANBEIS); Indicators
3.2 (Year Book, BBS); Indicators 3.3 (Gender Statistics, 2009);
13. Indicators 4.1, 4.2 (MICS 2009(Preliminary)); Indicators 4.3 (MICS 2006);
14.Indicators 5.1 (SVRS 2008); Indicators 5.2 (MICS 2009(Preliminary)); Indicators 5.3, 5.4,
5.6 (SVRS 2007); Indicators 5.5 (DHS);
15.Indicators 6.1, 6.6 (DG Health); Indicators 6.9, 6.10 (NTP. DG Health); 6.2 (SVRS),
6.3(MICS BBS);
16.Indicators 7.1, 7.6 (DoF); 7.2, 7.3(DoE); Indicators 7.8, 7.9 (MICS 2009(Preliminary));
7.10 (Pop Census, BBS);
17. Indicators 8.14, 8.15, 8.16 (BTRC)


৩২ জাতীয় বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সপ্তাহ ২০১১ উপলক্ষ্যে ২১/০৩/২০১১ ইং তারিখে জেলা বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কমিটি, জেলা প্রশাসন বগুড়ার ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত সিম্পোজিয়ামে উপস্থাপিত প্রবন্ধ।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:০১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনব প্রতারনা - ডিজিটাল প্রতারক

লিখেছেন শোভন শামস, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৮



একটি সাম্প্রতিক সত্য ঘটনা।
মোবাইল ফোনে কল আসল, একটা গোয়েন্দা সংস্থার ছবি এবং পদবী সহ। এই নাম্বার সেভ করা না, আননোন নাম্বার। ফোন ধরলাম। বলল আপনার এই নাম্বার ব্যবহার করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগে নিজেকে বদলে দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪১



"আমার স্বামী সংসারের কুটোটাও নাড়ান না। যেখানকার জিনিস সেখানে রাখেন না। মুজা খুলে ছুঁড়ে যেখানে সেখানে ফেলে দেন। নিজেকে পরিষ্কার রাখতে বারবার ভুল করেন! এতো বছর বিবাহিত জীবন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×