শতচ্ছিন্ন সালোয়ার হাওয়ায় উড়ছিল,
খানিক বাদেই হয়তো পিঠটান দেবে।
এই এখানকার গতরখাগিরা
ওকে দুই চক্ষে দেখতে পারেনা।
থেকে থেকে শুধু বকবক আর বকবক,
কাহাতক সহ্য হয়!
সুস্থতার সীমাটা অতিক্রম করেছে বহু আগেই
টুকরো টাকরা কথার তোড় থেকে
কয়েকটি শব্দ বেশ আলাদা করে চেনা যায়-
ছিনাল, ভাতার, খানকি এই সব আর কি।
ওরা কখনো কখনো তেড়ে আসে,
ওর মুণ্ডুটা রেললাইনের উপর রেখে
আধলা ইট দিয়ে থেতলে দেবে বলে শাসায়।
তাতে কি আর ও দমে,
তাতে কি আর কেউ দমে।
রাত বিরেতে সব যখন শুনশান,
গতর খাগিরা যখন চরম ব্যস্ত
রিসকার ডেরাইভার আর চন্দ্রাহত লোকেদের পকেটের উষ্ণতা
আঁচল ভরে ভরে নিতে,
তখন রজ্যের অভিযোগের ডালি নিয়ে
ও এসে হাজির হয়।
কোনও এক গোলামের পুত জীবনটা অঙ্গার করেছে বলে-
বাঁ হাতের কনুইতে সজোরে কাষ্ঠদণ্ডের আঘাত করেছে বলে-
অবিরাম খিস্তি ঝেড়ে যায়।
কোথায় সেই গোলামের পুত
আর কবেই বা করেছে আঘাত
কেউ জানেনা।
অবিরাম ছুটে চলে কথা
ছুটে চলা ট্রেনের মতন,
এই এখন সালোয়ারটাকে হাতে নিয়ে-
পোটলা পুঁটলির অন্তরে গুঁজে দিয়ে-
ও যখন হেলেদুলে মিলিয়ে যেতে থাকল
সুদূরের ট্রেনলাইনের মতন,
গতরখাগিরা কেউ ভ্রূক্ষেপই কোরলনা,
কারণ আজ রাত্তিরেই শুনশান নীরবতার মধ্যে
ওর বাজখাই গলা
আবার শোনা যাবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


