অবশেষে ভিওআইপি লাইসেনসের ওপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হলো ।এর ফলে ভিওআইপি ওপর আর কোন বাধা নেই এবং বৈধভাবে ভয়েস ব্যবসা করা যাবে বলে আপাততঃ মনে হচ্ছে ।এতদিন ধরে ও অবৈধভাবে ভয়েস ব্যবসা হচ্ছিল এবং বর্তমানে র্যাবের তৎপরতায় প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে ফলে বিটিটিবির আয় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে ফলস্বরূপ বিটিটিবি আরও 30টি দেশে কম টাকায় যাতে কল করা যায় এবং বর্তমান সার্কিট ব্যবস্থাকে 7000 কল থেকে 12000 কল -এ উন্নীত করতে যাচ্ছে । এখন প্রশ্ন হলো ভিওআইপি উম্মুক্ত করার ফলে সরকার কী সত্যি লাভবান হবে ? নাকি মুষ্টিমেয় কিছু প্রতিষ্টান লাভবান হবে ? এ বিষয়ে জনাব জাকারিয়া স্বপন গত 29 -12-2006 তারিখের প্রথম আলোর খোলা কলম পাতায় বিস্তারিত লিখেছেন ।আশা পড়েছেন । এর আগে আমরা দেখেছি ,2005 সালের বাজেটে সরকার মোবাইলের সিমের ওপর 900 টাকা কর আরোপ করেছিল যার ফলে টেলিটক যারা কিনছিল তাদের এ কর পরিশোধ করতে হয়েছিল বলে 2700 টাকা দিয়ে সিম কিনতে হয়েছে অথচ একই সময়ে অন্যান্য কোম্পানি গুলো পানির দামে ( 80 টাকা দিয়ে সিম কিনলে 120 টাকার টকটামই ফ্রি!!!!!!!!!! )সিম বিক্রি করেছিল । স্ববতঃ প্রশ্ন জাগে , আদৌ কী অন্যান্য কোম্পানি গুলো সরকার আরোপিত কর পরিশোধ করেছিল ? যদি করে থাকে তাহলে কত লক্ষ সিম বিক্রি করেছে আর সরকারকে কত টাকা কর পরিশোধ করেছে সে হিসাব কী সরকারের আছে ? আমার বিশ্বাসএ বাড়তি করের বোঝা না চাপালে টেলিটকের গ্রাহক বর্তমানে চেয়ে দ্্বিগুন হতো ।এর পেছনে কার ও হাত ছিল কিনা খতিয়ে দেখা দরকার বলে মনে করি । আর একটা দুঃখের বিষয় হলো বিটিটিবি -এর মাধ্যমে উন্নত দেশ গুলোতে কম খরচে কল করা গেলে ও মধ্যপা্রচ্যে র দেশগুলোর জন্য এ ব্যবস্থা নেই অথচ কম আয়ের লোকগুলো বেশি আছেন মধ্যপা্রচ্যে । তাই আমাদের ভেবে দেখা দরকার ,বর্তমান আইনি কাঠামোতে ভিওআইপি র লাইসেনস উম্মুক্ত করলে সরকারের রাজস্ব বাড়বে না অন্য কেউ লাভবান হবে ?
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


