
ছবিতে জায়গাটা দেখুন। ওপরে নীল আকাশ আর নিচে সোনালি পাথরের ঢেউ। হটাৎ দেখলে মনে হবে যেন পৃথিবীর বাইরের কোন অন্য জায়গায়। ভূ-বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে বলেছেন যে জায়গাটা ১৯০ মিলিয়ন বা ১৯ কোটি বছরের পুরোনো। একদিন এখানে ডাইনোসর চড়ে বেড়াতো। জায়গাটা ছিলো আসলে বালিয়াড়ী (sand dunes)। তারপর একসময়ে হটাৎ, যেন ম্যাজিকের মতো, বালিয়াড়ী জমে পাথর হয়ে গেলো - হয়তো বা আবহাওয়ার পরিবর্তনের জন্য। জায়গাটার নাম ওয়েভ (Wave)। জায়গাটা আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের আরিজোনা আর উটাহা প্রদেশের সীমানায়।

ওয়েভ ফটোগ্রাফারদের কাছে খুব জনপ্রিয়। যারা যায় তারা চোখ ভরে দেখতে আর ছবি তুলতে যায়। এই জায়গাটার ছবি প্রথম বেরোয় জার্মানীর একটা পত্রিকায়। তারপর থেকে ভিড় লেগেই আছে। জায়গাটা বালিপাথর বা স্যান্ডস্টোন এ তৈরি। এই পাথর সহজেই ক্ষয়ে যায় মানুষের পায়ের চাপ লেগে। অ্যারিজোণা সরকার তাই ওয়েভ এ যেতে একদিনে ২০ জনের বেশি পর্যটক কে অনুমতি দেয়না। আগে থেকে অনুমতিস জন্য আবেদন করতে হয়। ২০ জনের বেশি লোক হলেই লটারিতে ঠিক হয় কে যেতে পারবে।


এই পাথর এতো মসৃণ যে পা ফস্কে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে সব সময়। এই পাথরগুলোকে বলে স্লিকরক (slick rock)।

মাছের কাঁটার মত পাথর
এগুলো একসময়ে পানির তলায় ছিলো। পানির তলায় পলি জমে জমে একসময়ে পাথর হয়ে গেছে। এই পাথরগুলি হলো স্যান্ডস্টোন।





ছবিতে জায়গাটা দেখুন। ওপরে নীল আকাশ আর নিচে সোনালি পাথরের ঢেউ। হটাৎ দেখলে মনে হবে যেন পৃথিবীর বাইরের কোন অন্য জায়গায়। ভূ-বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে বলেছেন যে জায়গাটা ১৯০ মিলিয়ন বা ১৯ কোটি বছরের পুরোনো। একদিন এখানে ডাইনোসর চড়ে বেড়াতো। জায়গাটা ছিলো আসলে বালিয়াড়ী (sand dunes)। তারপর একসময়ে হটাৎ, যেন ম্যাজিকের মতো, বালিয়াড়ী জমে পাথর হয়ে গেলো - হয়তো বা আবহাওয়ার পরিবর্তনের জন্য। জায়গাটার নাম ওয়েভ (Wave)। জায়গাটা আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের আরিজোনা আর উটাহা প্রদেশের সীমানায়।

ওয়েভ ফটোগ্রাফারদের কাছে খুব জনপ্রিয়। যারা যায় তারা চোখ ভরে দেখতে আর ছবি তুলতে যায়। এই জায়গাটার ছবি প্রথম বেরোয় জার্মানীর একটা পত্রিকায়। তারপর থেকে ভিড় লেগেই আছে। জায়গাটা বালিপাথর বা স্যান্ডস্টোন এ তৈরি। এই পাথর সহজেই ক্ষয়ে যায় মানুষের পায়ের চাপ লেগে। অ্যারিজোণা সরকার তাই ওয়েভ এ যেতে একদিনে ২০ জনের বেশি পর্যটক কে অনুমতি দেয়না। আগে থেকে অনুমতিস জন্য আবেদন করতে হয়। ২০ জনের বেশি লোক হলেই লটারিতে ঠিক হয় কে যেতে পারবে।


এই পাথর এতো মসৃণ যে পা ফস্কে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে সব সময়। এই পাথরগুলোকে বলে স্লিকরক (slick rock)।

মাছের কাঁটার মত পাথর
এগুলো একসময়ে পানির তলায় ছিলো। পানির তলায় পলি জমে জমে একসময়ে পাথর হয়ে গেছে। এই পাথরগুলি হলো স্যান্ডস্টোন।





সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


