somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ব্লগিয় সমাবেশ : কাসেল ভ্রমন

০৬ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ৮:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


কয়েকদিন থেকেই মনটা বিক্ষিপ্ত হয়ে আছে। একটা অস্থিরতা সবসময় তাড়া করে ফিরছে। পরিচিত কোন কিছুই আর ভালো লাগছিলো না। ঘর-বাইর-কাজ করে করে হাঁপিয়ে উঠেছি। ব্লগিংও তেমন করে রি-ফ্রেশ করতে পারছিল না।

...একটা ঘুরণা দেয়াটা জরুরী হয়ে পড়েছিল। অথচ আশে পাশে তেমন জায়গা ও নেই যে হুট করে চলে যাবো। মানহাইমে ভাইয়ের কাছে যাওয়া যায়। কিন্ত সেখানেও যেতে ইচ্ছে করছে না।

হঠাৎ ই ব্লগের কল্যানে খুব কাছে চলে আসা একজন, সুমন চৌধূরী বল্লেন উইকেন্ডে চলে যেতে। পাকা কথা দিলাম না, কারণ আমি জানি আমার কোন ঠিক ঠিকানা নেই। আর প্ল্যান করে আমি কখোনোই তেমন কিছু করতে পারি না, যতটা না পারি হুট হাট করে!

বার তিনেক প্ল্যান পরিবর্তন করেও শেষ পর্যন্ত দেড় ঘন্টার নোটিসে নিজেকে তৈরী করে রওনা হয়ে গেলাম কাসেল, সুমন চৌধূরি ওরফে বদ্দা যে শহরে থাকেন।

বৃষ্টিস্নাত আবহাওয়ায় রাতের বেলা যখন নামলাম কাসেল 'আম স্টেয়ার্ণ' - এ ততক্ষণে ঘড়ির কাঁটা রাত পৌণে দশটা। বদ্দা চুল দোলাতে দোলাতে এলেন আমাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।

ঘরে ঢুকার পথেই কথা হলো তাঁর বন্ধু স্বনামধন্য টিটু ভাইয়ের সাথে। (আপনারা হয়তো বদ্দার ব্লগে তাঁর ছবি দেখে থাকবেন)। কিছুক্ষণ পর যোগাযোগ হলো নাসির ভাই, বদ্দার আরেক চমৎকার বন্ধুর সাথে। রাত বেশি হয়ে যাওয়াতে আসবেন কিনা এই নিয়ে যখন দ্্বিধান্বিত, তখন ই আমি ফোন নিয়ে একটু কাঁচুমাচু করতেই বেচারা রাজি হলেন আসতে। (ধন্যবাদ নাসির ভাই রাতের বেলা কষ্ট করে আসার জন্য)

বদ্দা ইতোমধ্যে তাঁর প্রাগৈতিহাসিক ল্যাটকা খিচুড়ি রান্না শুরু করে দিয়েছেন (অলরেডি ব্লগে বিজ্ঞাপন ও দিয়ে দিয়েছেন)। সবার চোখ লাগানোর জন্যেই কিনা, খিচুড়িটা যে কি হলো সেটা নিয়ে বার কয়েক হাসির রোল পড়ে গেলো। তবে টিটু ভাইয়ের "রুই স্পেশাল" টা চমৎকার ছিল। মাঝে টেলিফোনে কনফারেন্স করে কথা হলো অরূপ-মাশীদ দম্পতির সাথে।

গল্প চল্লো ভোর 6 টা পর্যন্ত। তারপর খানিক ঘুমের বিরতি, আবারো রান্না, আবারো ভুড়ি-ভোজন হলো আমাদের। ভোজন শেষে সবাই মিলে সামহোয়্যারে হুমড়ি খেয়ে পড়লাম। হাসাহাসি, মাতামাতি চল্লো আরো কয়েকদফা।

সন্ধ্যার দিকে বেরিয়ে পড়ে একটু হাঁটা হাঁটি করে টিটু ভাই, নাসির ভাইয়ের বাসা হয়ে স্টেশন থেকে গাড়ি ধরে আমার গন্তব্যে চলে এলাম (আজ) রাতেই।

অনেক অস্থিরতা, বিক্ষিপ্ততার মাঝেও প্রায় 24 টা ঘন্টা একদম খারাপ কাটেনি মোটেও।


ছবি : কাসেলের ট্রেড মার্ক হারকিউলিস
উৎস : ইন্টারনেট
বিশদ বর্ণনা : বদ্দাকে জিজ্ঞেস করেণ, উনি জানেন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
২১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একটি মিনি পোস্ট!

লিখেছেন গিয়াস উদ্দিন লিটন, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৬

ইদানীং ব্যস্ততার কারণে সামুতে আসা হয়না। মাঝে মাঝে ঢু মারলেও লগইন করা হয়না।
আজ একটা ভাবনা মনে উদয় হওয়ায় সবার সাথে শেয়ার করতে এলাম-

জামায়াতের একজন সংসদ সদস্য সংসদে দাড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেই সৈনিকটি কি রাতে ঘুমাতে পেরেছিল?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:১৯


সেই সৈনিকটি কি রাতে ঘুমাতে পেরেছিল?

এই বাংলাদেশের পলিমাটিতে ইতিহাস খুব ভয়ংকর।

এখানে কখনো কখনো নদী শুধু পানি বহন করে না- বহন করে রক্তের স্মৃতি।
গাছ শুধু ছায়া দেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

কুরআন থেকে মাদ্রাসার ছাত্রের বিস্ময়কর বিদ্যুৎ আবিস্কার :-ls

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫২

চারিদিকে বিদ্যুতের জন্য ত্রাহি ত্রাহি অবস্থার মধ্যে মাদ্রাসার এই ছাত্রটি কুরআন গবেষণা করে আমাদের জন্য ফ্রি বিদ্যুতের ব্যবস্থা করেছেন। বিজ্ঞান পড়েননি, পড়েছেন কুরআন-হাদিস! সেই মাদ্রাসাছাত্রই বানালেন মাধ্যাকর্ষণ দিয়ে বিদ্যুতের যন্ত্র!

অবেশেষে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে----- ড্রাকুলা হাসিনা।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৭



ড্রাকুলার হাসিনা তো আর এমনি এমনি বলেনি যে, আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে।

রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। যা মূলত ভারতকে একতরফা সুবিধা দেওয়ার জন্য তৈরি... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবিশ্বাস্য, অবিস্মরণীয়! বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে!!! :-ls B-)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯



অবিশ্বাস্য, দুর্দান্ত, অতুলনীয়,অবিস্মরণীয় যে বিশেষণই ব্যবহার করি না কেন বাংলাদেশের এই জয়ের মহত্ব বুঝাতে কোন শব্দ ভান্ডারই যেন যথেষ্ট নয়। আমি রীতিমত বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি বাংলাদেশের এমন পারফর্মেন্স দেখে!! বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×