নামটা কেমন কেমন হয়ে গেলো না?
প-রা-জি-ত মে-ঘ-দ-ল, মেঘের মতো এতো সুন্দর আর রোমান্টিক জিনিষকে টেনে নিয়ে পরাজয় বরণ করিয়ে দিলেন...?
কেবল মাসকাওয়াথ ভাইয়ের সাথে কথা বলার ধরণ টাই আমার এমন। ঠুশঠাশ করে জিজ্ঞাসু মনোভাবে সমালোচনা করে ফেলি। সেদিনও করছিলা। শুনলেন, বললেন 'পরাজিত মেঘদল' নামকরণের পেছনের কারণটা। তাঁর কাছে পরাজিত মেঘদলের সংগা শুনে আমার কাছে আরো একবার 'পরাজিত' সহ 'সব কিছুর' অর্থ রি-অ্যারেঞ্জড হলো, ঠিক যেমনটা হয় কোন পাজ্ল শাফলিঙের সময়। বলাই বাহুল্য সংগাটা ছিলো অনুভূতিতে ঝাঁকুনি তোলার মতো!
"তুমি ও আমার চোখে 'পরাজিত মেঘদল'। অরুণদা'কে ঘিরে গল্পের প্লট এগুলেও বইটা আমি তোমাকে উৎসর্গকরতে চাই"। কথাটা শুনেই শিউরে উঠলাম, "বলেন কি এইসব? উৎসর্গ টুৎসর্গের মাঝে আমি নাই। আমারে এমন ঝামেলায় ফেইলেন না, প্লীজ...."। আমার কথা শেষ হতে না হতেই বলললেন, "আমার বই আমি যাকে ইচ্ছা তাকে উৎসর্গ করবো, তোর কি"? - পরে অনেক চেষ্টা-তদবীর-কসরত করে অবশ্য নিজের নামটা উৎসর্গের জায়গা থেকে কাটানো গিয়েছিলো, সে জায়গায় এসেছে সকল পরাজিত মেঘদলের নাম...।
কালকে রাতে পরাজিত মেঘদল-এর প্রচ্ছদটা ফাইনাল করা হলো। বন-কোলনের স্বনামধন্য চিত্রকর মারুফ ভাইয়ের বাসায় বাঙালীয়ানা ভূড়িভোজনের পর যখন ব্যাকইয়ার্ডে গিয়ে দাড়ানোর পর সেদিন ঝড়ের পর তান্ডবের কথা বলছিলেন, তখন ছিমছাম ব্যাকইয়ার্ডটা দেখে আমার কেবলই মনে হচ্ছিলো, "অ্যা লিটল হাউজ অন দ্যা প্রেইরী"।
পরাজিত মেঘদলের জন্য 'পরাজিত মেঘদল'-এর বইমেলাতে প্রাপ্তিস্থল হবে 'জনান্তিকের' কুটির। নিজেতো কোনদিন কোন বই বের করতে পারবোনা, সেই দুঃস্বপ্নও দেখি না। কিন্ত বইমেলায় প্রকাশিত কোন বইয়ে নিজের স্পর্শ রাখার সুযোগটা ছাড়লাম না। পরাজিত মেঘদলের এই প্রচ্ছদটাতে আমার নিজের হাতের ছুঁয়ে দেয়া আছে, যাদের কাছে কোনদিনই হয়তো যেতে পারবোনা, তাদের জন্য।
আর বাকিরাতো আছেই!
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৭:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


