আসলে ঘটনা প্যাচ খাইছে অন্য জায়গায়।
সায়েনস ফিকশান লেখক, প্রখ্যাত হৈমিক ধারার প্রবর্তক মাননীয় হিমু কর্তৃক সংকলিত স্বনামধন্য, সেরা বিজ্ঞানী (যে কিনা অগনিত সেরা জার্ণাল প্রসব করিয়াছে এবং ইহা বিজ্ঞানীর অন্যতম সহকারী শ্রাবন দত্ত কর্তৃক সুপারিশকৃত) জনাবে কেবলাকান্ত ওরফে ড. ওমর আলী, সংক্ষেপে ও. আলী-কে নিয়া লিখিত সায়েনস ফিকশান আসলেই সত্যি কাহিনী হিসাবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।
ব্লগানেট অফ দ্যা "এ্যাপ"-এর একমাত্র পত্রিকা "কাওয়ালী কথন" এর বরাত দিয়ে একের অধিক সূত্র জানায়, বিজ্ঞানী ও. আলি "ময়ুর কণ্ঠী নীল পোশান" পান করেণ যাতে সময়ের কনিষ্ঠ আঙ্গুল ধরে সভ্যতার প্রাথমিক স্তরে গিয়ে ডারউইন ব্যাটার মাথায় প্রিয় বেসবলের ব্যাট খানা দিয়ে "পাতাইল্যা" একটা বারি মেরে প্রমান করতে পারেণ ডারউইন হালায় একটা গঞ্জিকাসেবন কারী। (কেউ যেন "গঞ্জিকা" ভুল করে "ধম্পিকা" না শোনেন, তাইলে কইলাম খবর আছে....) যাইহোক।
"বাইঞ্চোৎ ডারউইন, আমার লগে টাফালিং...? খাড়া আইতাছি, তোর হাঙ্কি-পাঙ্কি আর বিটলামী ছুটাইতে। বাসে, ট্রামে যেইহানে পামু, মেরুদন্ড পাতাইল্যা এমুন একটা বারি দিমু.... খাড়াইতেই পারবিনা মরার আগে, থিওরী ঝারবি কেমনে....?" এই বলে যেই না "পাতাইল্যা বারির" একটা শ্যাডো করতে যাবেন ও. আলী, অমনি সহকারী শ্রাবন দাস (মতান্তরে শ্রাবন দত্ত) কোতাইয়া উঠলো,
: ওস্তাদ করেণ কী? আরেট্টু হইলেই তো আমার ভবলীলা সাংগ হইছিলো....।
বদমেজাজী ও. আলী হুংকার দিয়া ফাল দিয়া উঠিলো,
: stupide, pourquoi n'avez-vous pas apport
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



