কি হচ্ছে লিবিয়ায়? স্বৈরশাসক গাদ্দাফী লিবিয়ার বিস্তীর্ণ অংশের ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারানেরা পর ক্ষমতা ছাড়তে রাজী হেচ্ছ না। ব্যাটা এখন লাদেন এর উপর দোষ চাপায়। আর সেখান আমাদের বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশের হাজার মানুষ কার্যত অসহায় অবস্থায় পড়েছে।
কিছু এলাকা থেকে সেখানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশী শ্রমিকরা আত্মরক্ষার জন্য পালিয়ে এখন মিশর লিবিয়া সীমান্ত আশ্রয় নিচ্ছে। অন্য দেশের নাগরিকরা লিবিয়া ত্যাগ করলেও বাংলাদেশীদের অভিযোগ তাদের জন্য উদ্যোগ নেই।
লিবিয়ার দারনা শহর থেকে পালিয়ে মিশর সীমান্তে আল সাফুল নামে একটি জায়গায় আশ্রয় নেয়া একজন বাংলাদেশী কর্মী মোমিনুর রহমান তালুকদার বলছেন সাড়ে চারশয়ের ওপর বাংলাদেশী এখন সেখানে খোলা আকাশের নীচে রাত কাটাচ্ছেন।
একটি কোরিয় কোম্পানিতে কর্মরত বাংলাদেশীদের ক্যাম্প ম্যানেজার মোমিনুর রহমান তালকুদার বিবিস বাংলার পুলক গুপ্তকে আল সাফুল থেকে জানান তাদের কাছে খাবারদাবার যা ছিল সব এখন শেষ। আই ও এমের মত আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থার কোনরকম সাহায্য তারা এখনও পান নি।
দারনা শহর থেকে ৪৬২জন বাংলাদেশীর যে দলটি এখন মিশর সীমান্তের কাছে পালিয়ে এসেছেন, তারা বিবিসিকে বলেছেন অত্যন্ত শোচনীয় অবস্থার মধ্যে কাটাতে হলেও বাংলাদেশ দূতাবাস বা আই ও এমের মত আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থার কোনরকম সাহায্যই তাদের কাছে পৌঁছয়নি।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব মিজারুল কায়েস অবশ্য বিবিসিকে বলেছেন, লিবিয়াতে আটকে পড়া বাংলাদেশীদের সাহায্য করতে তারা আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা বা আইওএমের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছেন।
ওই অঞ্চলে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলিতেও প্রয়োজনীয় নির্দেশও পাঠানো হয়েছে বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রসচিব মিজারুল কায়েস।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ২:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


