বিজ্ঞানীদের মতে, যে কোন জানোয়ার থেকে মানুষকে আলাদা করে "হাসি"। দুনিয়ার কোন জন্তু-জানোয়ার, পাখি, মাছ আরো যা যা আছে তা হাসতে পারে না। শুধু মানুষই হাসতে পারে।
কিন্তু আমার মনে হয় জানোয়ারদের সাথে মানুষকে আলাদা করার জন্যে আরেকটা ফ্যাক্ট গোনা যেতে পারে। সেটা হচ্ছে বিভিন্ন সময়ে মানুষের ব্যবহার। মাঝে মাঝে মানুষ নামের কিছু প্রানী এমন আচরন করে যা দেখলেই টাস্কি। প্রানী বিজ্ঞানীরা জন্তু-জানোয়ারের কোন আচরনে টাস্কি খায় না (ন্যাশনাল জিওগ্রাফীতে টাস্কি খাবার ভাব ধরে, আসলে খায় না) কারন তাদের সবার আচরন একটা প্যাটার্নের মধ্যে। কিন্তু মানুষ নামক প্রানীটা আপনাকে সময়ে অসময়ে, কারনে আর অকারনে বিভিন্ন ভাবে টাস্কি খাওয়াবে যা হয়তো আপনি আশাও করেননি।
আমার ব্লগটা যদি কোনভাবে কোন প্রানী বিজ্ঞানীর চোখে পরে তাহলে দয়া করে আমার পয়েন্টটা ভেবে দেখবেন।
কিছু "দরকার হতে পারে" টাইপ ইনফর্মেশনঃ
১। হায়নার সাথে চোখাচোখি হলে হায়না একটু পর পর হাসি দেয়। আসলে এটা হাসি না এইটার মানে হচ্ছে হায়না মনে মনে আপনাকে খাবার প্লান করছে।
২। কোনদিন যদি দেখেন হায়না আপনাকে দেখে হাসি দিয়েছে তাহলে খুশি হয়ে তাকেও আবার হাসি উপহার দিয়ে যাবেন না কিন্তু, আপনার দাঁত দেখলে হায়না মনে করবে আপনি তাকে আক্রমন করতে চাচ্ছেন। ভয় পেয়ে আপনার অপর ঝাপিয়ে পড়তে পারে।
৩। হায়না নিজের চেয়ে উচ্চতায় বড় প্রানীকে হামলা করে না। কিন্তু আপনি যদি শুয়ে পরেন তাহলে সে হামলা করতে পারে। তার কাছে দৈর্ঘ থেকে উচ্চতার দাম বেশী।
বিঃ দ্রঃ ব্লগের দুইটা অংশই সমান গুরুত্বপুর্ন। তাই দুইটা অংশই মনে রাখার চেষ্টা করবেন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


