পেপার খুলে প্রথম খবর টা পরেই চিন্তা করতে লাগলাম এও কি সম্ভব.সরকার নাকি তত্ত্ববধায়ক ও নির্বাচন কমিশনারের সংস্কার প্রস্তাব মেনে নিয়েছে.আর এই কারণে বিরোধী দল তাদের হরতাল ও অবরোধ প্রত্যাহার করে নিয়েছে.এই খবর পড়ে আর কোন খবর পড়ার সাহস হল না.
9টার দিকে বন্ধুর বাসাই যাব বলে ঘর থেকে বের হলাম.কিন্তু ঘর থেকে বের হয়েই আবার চিন্তাই পরে গেলাম.আমি কি ঠিক দেখছি.টিএন্ডটি তাদের কাজের জন্য যে রাস্তা খুঁরাখুরি করেছিল .এখন দেখছি তারা সাধ্যমত চেষ্ট করে রাস্তা ঠিক করে দিচ্ছে.আজ দেখি আসলেই দিন খারাপ যাবে.
আমাদের বাসার সামনের রাস্তই সব সময় যানজাট লেগে থাকে.এখন যানজটের মধ্যে পরতে হবে তা চিন্তা করেই বিরক্ত লাগছে.কিন্তু আজ কোন যানজট দেখলাম না.রাস্তাই দেখি সব গড়ি,রিক্সা নিয়ম কানুন মেনে চলছে.আর ট্রাফিক পুলিশ ও দেখলাম তৎপর.আজ দেখি সত্যিই.....
10.30থেকে ক্লাস আছে.কিন্তু যেতে ইচ্ছা করছে না.কোন ক্লাস ঠিক মত হয় না.কলেজে গিয়ে টাসকি খাবার অবস্থা.এত পোলাপান কোনদিন দেখি নাই.স্যার রা নাকি সিদ্ধান্তনিয়েছে তারা আর ব্যাচে পড়াবেনা.তারা এখন থেকে ক্লাসে ই যা পড়ানো পড়াবে.কোন কোচিং চলবেনা.আসলেই কঠিন অবস্থা.
ভয়ে ভয়ে বাসাই আসলাম.কি খারাপি আছে কে জানে.যা অভিঙ্গতা হলো আজ.এই লিখা টা ব্লগে পোস্ট করতে হবে.কিন্তু পিসি ছাড়লেই তো কারেন্ট চলে যাই.24 ঘন্টার মধ্যে 12 ঘন্টাই কারেন্ট থাকে না.কিন্তু কি আবাক ব্যাপার আজ একবারো কারেন্ট গেল না.আসলেই আজ দিনটা খারাপ গেল.
--------------------------
কচুরি পানার উপরে এক ফোঁটা বৃষ্টির পানি.কিন্তু চারিদিকে প্রচন্ড বাতাস হচ্ছে.কচুরি পানা কি বৃষ্টির ফোঁটা কে ধরে রাখতে পারবে???
............................................................
ভাল কিছু দেখার মত চোখ আমার মনে হয় নাই.তাই খারাপের মাঝে ভাল কে খুঁজলাম.
..............................................................
হতাশার মাঝে আশা
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


