
হজ্জ করার চিন্তাটা মাথায় ছিলো বেশ কিছুদিন ধরেই, কিন্তু কি করে যেনো মাথায় এলো ওমরা হজ্জটা করে আল্লাহর ঘরটা আগে ভালোভাবে চিনে নেই। আমি যখন যেখানে যাওয়ার ব্যাপারে চিন্তা করি সেটা কোননা কোনভাবে বাস্তবায়িত হয়েই যায়। ইতিমধ্যে বড় ছেলের এসএসসি শেষ হয়ে গিয়েছে, একটা মওকা পাওয়া গেলো। স্বস্ত্রীক উড়ে গেলাম সোনার মক্কা-মদিনায়। ওমরা হজ্জ করার আগে পরে যথেষ্ট সময়ও পেয়েছিলাম, আর সেই সুযোগে মক্কা মদিনার কিছু ছবিও তুলেছি, সেটা নিয়ঐ আমার আজকের পোষ্ট.....

(২) মক্কা থেকে মদিনার দূরত্ব ৪২৩ কিলোমিটার। আর প্রায় পুরো পথটাই ধুঁধুঁ মরুভুমি আর কিছু পাথুরে পাহাড়। মরুভূমির মাঝে মাঝে কিছু ঝোপ জাতিয় গাছপালা আর কয়েকটি খেজুরের বাগান ছাড়া কিছুই নজরে পরেনা।

(৩) মদিনা মসজিদের সামনে লম্বা ভাবে দাড়ানো মিনারের মতো দেখতে জিনিসগোলো আসলে ছাতা, রোদ কিংবা বৃষ্টিতে মুসুল্লীদের সুরক্ষা দেয় এই ছাতাগুলো।

(৪) ছাতাগুলো খোলার সময় যেমন দেখায়।

(৫) ছাতাগুলো খোলার পর এমন সুন্দর একটা অবস্থা দেখা যায়।

(৬) মসজিদের ভেতরের একটা অংশ।

(৭) মসজিদের ভেতরে মুসুল্লীদের পান করার জন্য সব সময় জমজমের পানি সংরক্ষিত থাকে।

(৮) খুব ভোরেই পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা এমন গাড়ির বহর নিয়ে ছুটোছুটি লাগিয়ে দেয়।

(৯) মসজিদের সামনের অংশ থেকে বড় বড় বিল্ডিংগুলোর জন্য ভালোভাবে ছবি তোলা খুব কষ্টকর।

(১০) খেজুর গাছগুলোতে সবে মাত্র খেজুর ধরা শুরু করছে।

(১১) উহুদ পাহাড়, এই পাহাড়ের উপরই উহুদের যুদ্ধ হয়েছিলো।

(১২) উহুদ পাহাড়টা একেবারেই ছোট, তাই অনায়াসেই এর চুড়ায় বসে এমন পোজ দেওয়া যায়।

(১৩) উহুদ পাহাড়ের উপর দাড়িয়ে তোলা নিচের ছবি।

(১৪) উহুদ পাহাড়ের পাদদেশে চমৎকার ভাবে সাজিয়ে রাখা ফুটপাতের খেজুরের দোকান।

(১৫) কিবলাতাইন বা দুই কিবলার মসজিদ। গবেষকদের মতে, কিবলা পরিবর্তনের দিন হজরত মুহাম্মদ (সা.) এই মসজিদে জোহর কারো কারো মতে আসর নামাজ আদায় করছিলেন। জেরুজালেম নগরীর বায়তুল মুকাদ্দাস মসজিদমুখি হয়ে নামাজ আদায় করছিলেন তিনি। দুই রাকাত নামাজ শেষ করেছেন। ঠিক এমন সময় আল্লাহর পক্ষ থেকে হজরত জিবরাইল (আ.)-এর মাধ্যমে নির্দেশ আসে কিবলা পরিবর্তনের। রাসূল (সা.)-কে মক্কা নগরীর পবিত্র কাবামুখি হয়ে নামাজ আদায়ের নির্দেশ জানিয়ে দেন হজরত জিবরাইল (আ.)। এই নির্দেশ পাওয়ার সাথে সাথে রাসূল (সা.) নামাজের মধ্যেই কিবলা পরিবর্তন করেন। সাথে সাথে পরিবর্তন করেন তার পেছনে নামাজ আদায় করতে থাকা সাহাবিরা। এ ঘটনার পর থেকেই মসজিদটি পরিচিতি লাভ করে ‘মসজিদ আল কিবলাতাইন’ বা দুই কিবলার মসজিদ হিসেবে।

(১৬) এমন জংলী লতাপাতা ও ফুল মদিনাতে সত্যিই দূর্লভ, ামি ওদের খুঁজে পেয়েছিলাম একটা খেজুরের বাগানে, ওখানে সব সময় পানি দেওয়া হয় বলেই ওরা ফুটতে পেরেছিলো।

(১৭) মসজিদে কুবা। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদিনা শরিফে হিজরতের প্রথম দিন কুবায় অবস্থানকালে এর ভিত্তি স্থাপন করেন। স্বয়ং রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ মসজিদের নির্মাণকাজে সাহাবাদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন।

(১৮) সন্ধায় যখন আস্তে আস্তে আলোগুলো জ্বলতে থাকে তখন এই মসজিদ এই অন্যরূপ সৌন্দর্য্য ধারণ করে।

(১৯) মক্কা মদিনাতে ফুটপাতের পসারটা আমাদের দেশের মতোই ব্যাপক, আর ওখানে অধিকাং ফুটপাত ব্যবসাই মহিলারা পরিচালনা করে।

(২০) মসজিদে ননবীর এই অংশেই রসুল (সঃ) এর রওজা মোবারক অবস্থিত।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে আগস্ট, ২০১৫ সকাল ৮:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




