ভারতীয় ব্যাটসম্যান খেলতে পারে
না এমন বোলারকে নিষিদ্ধ করে
অহরহর। আজমল, নারাইন,
সেনানায়েকে হারিয়ে যাচ্ছে আজ
ভারতের চালের কারনে।আজ
ভারতীয় ব্যাটসম্যানকে আউট দিলে
আম্পায়ারকে তাচ্ছিল্যের হাসি
দেওয়া, প্যাভিলিয়নে ফিরে গিয়ে
সরাসরি হুমকি দিয়ে রাখা নীতি
একদিন ভারতের ক্রিকেটের খারাপ
বৈকি ভালো বয়ে আনবে না। জানা
যায় ভারতে ক্রিকেটকে ঘিরে গড়ে
উঠেছে বিশাল জুয়ার বাজার।
ক্রিকেট পাগল ভারতীয়রা জয়
নিশ্চিত জেনে খেলা দেখার আগ্রহ
হারিয়ে ফেলবে। বেশি সোনার
ডিমের জন্য হাঁসের পেট কাটা কখনই
সুবুদ্ধি নয়।
ভাগ্য ভালো যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স,
জার্মান, রাশিয়ায় এ খেলা জনপ্রিয়
নয়। জনপ্রিয় হলে হয়তো আজ এই
খেলার কারণে যুদ্ধ লেগে যেত। যা
নয় তা নিয়ে কথা না বলি। তবে এটুকু
বলে রাখি বাংলাদেশে আজ দু-
একজন খেলোয়াড়ের ওপর নির্ভরশীল
নয়। মোস্তাফিজের মতো একেকটি
রহস্যময় খেলোয়াড় বাংলাদেশ
নিয়মিত উপহার দেওয়ার ক্ষমতা
রাখে। তবে মানসিক এ নগ্ন খেলায়
যেন কোনো মেধাবী
ক্রিকেটারের মৃত্যু না হয়। এ জন্য
সমস্বরে প্রতিবাদ করার সময় এসেছে।
ক্রিকেট আজ নীতি বিবর্জিত এক
খেলা। আমি সেই খেলার এক একনিষ্ঠ
ভক্ত। আর ভক্ত হিসেবে এই
নীতিহীনতায় বারংবার সমর্থন
দিচ্ছি। এভাবে চলতে থাকলে হয়তো
একদিন থাকবে না এই উন্মাদনা।
স্টেডিয়ামে উঠবে না দর্শকের ঢেউ।
ক্রিকেট কে বাঁচাতে আওয়াজ তোল
আইসিসিতে ভারত আগ্রাসন বন্ধ হোক।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই মার্চ, ২০১৬ রাত ১০:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




