
তারই ধারাবাহিকতায় উক্ত অভিযোগের শুনানীকালে গতকাল (২০ মার্চ) রবিবার প্রধান বিচারপতি বলেন, “দুজন মন্ত্রী যখন ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন, তখন আমি বিদেশে ছিলাম। আমি টেলিফোনে একজন মন্ত্রীকে বলি বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করতে। একই সঙ্গে বলেছি দেশে ফেরার আগে দুই মন্ত্রীকে প্রেসের সামনে ক্ষমা চাইতে হবে। মন্ত্রী বললেন, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার বৈঠকে দুই মন্ত্রীকে বকাঝকা দিয়েছেন। আমি বললাম, ওই বকাঝকায় কিছু হবে না। পরদিন ক্ষমা না চাইলে কনসিকোয়েন্স (পরিণতি) সাংঘাতিক হবে। মন্ত্রী কোনো কথা বললেন না”।
এখন আমার খুব বেশী জানার ইচ্ছে (কোনভাবেই আদালতকে অবমাননা করার উদ্দেশ্যে নয় এবং আদালতের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখে)-আদালত অবমাননার অভিযোগের ঘটনায় আনুষ্টানিকভাবে অভিযুক্তদের প্রতি আদালত অবমাননার রুল না দিয়ে বা অভিযুক্তদের আদালতে তলব করে ব্যাখ্যা না চেয়ে ( যদিও পরবর্তী সময়ে আপিল বিভাগ দুই মন্ত্রীকে আদালতে তলব করেন ও তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল দেন) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক একজন মন্ত্রীকে টেলিফোন করে বিষটি প্রদানমন্ত্রীর গোচরীভুত করা সহ প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে মন্ত্রীদ্বয়কে ক্ষমা চাইতে বলা এবং তা না করলে সাংঘাতিক কনসিকোয়েন্স এর ভয় দেখানো কতটা যৌতিক?
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ৯:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


