আমি নিঃস্ব, ফেরারী, ভিখিরী
পথে পথে ঘুরে
ভবঘুরে সেজে জীবন-যাপন করি।
উদ্দেশ্যহীন মাঠে-ঘাটে আর বনজঙ্গলে ঘুরি
অবারিত সুখ দিগন্তের মাঝে খুঁজে ফিরে তবু মরি।
শুষ্ক-প্রকৃতি, অসীম আকাশের বিশালতা দেখে হাসি
তরুর স্নিগ্ধ ছায়ার প্রশান্তি মনেতে বাজায় বাঁশি।
কোমল ছায়ার স্পর্শ
মুছে নেই ঐ দু’চোখের অশ্রু
ভুলে বিষাদ হর্ষ।
কতদিন যায় গুনি
শুনতে পাই ঝরাপাতার ঐ মর্মর সব ধ্বনি।
মনে ভর করে ত্রাস
শহরতলীতে পারব কি নিতে
প্রাণ খুলে মুক্ত শ্বাস
সবুজ-শ্যামল লাবণ্যে ঘেরা
ভয়াল অরণ্যভূমি
অপার বিস্ময় খেলা করে চোখে
চমকে জাগি আমি!
একি দেখছি? স্বপ্ন নাকি
চারিপাশে কিছু নাই
শহরতলীর বদ্ধ আবাস
আবারও দেখতে পাই।
(এটাও উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ার সময় লেখা। কলেজের মাধ্যমেই প্রথম আমার শহর জীবন শুরু। এর আগে পড়াশোনা সব ছিল মফস্বলে। শহরবাসী হওয়ার পর প্রায়ই কষ্ট হত। সবসময় বন্দী বন্দী লাগত। সেই কষ্ট থেকেই এটা লেখা)
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




