আক্কাস সব সময় পুকুরে (শারজাহ, আবুধাবি, লাহোর, করাচি) বড়শিতে কেচো গেঁথে মাছ ধরে। মাছ ধরতে আক্কাসের বেশ ভালই লাগে।
এদিকে ডাক্তার বলেছে আর কিছু দিন বাদেই আক্কাসের বউ এর নাকি বাচ্চা হবে। তো ওর বউ একদিন আক্কাসের কাছে বাইনা ধরে বলল ওগো আক্কাস আমার না তিমি মাছেরঝোল দিয়ে ভাত গিলতে ইচ্ছে করছে। তুমি একটু সাগরে গিয়ে বড়শি ফেলে দেখোই না কি হয়??
বউ এর কথা শুনে আক্কাস এক কৌটা কেচো আর মরিচা ধরা হুইল নিয়ে চলে আসল বংগপোসাগরে। প্রায় ১ মাস হয়ে গেল কিন্ত আক্কাস তিমি মাছের দেখা না পেয়ে নাকের পানি আর চোখের পানি এক করে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানাল ও আল্লাহ আমার মাসুম বাচ্চা বউ তিমি মাছের রোস্ট খাবে। তুমি কিছু একটা কর। এই বলে আক্কাস আবার কেচো গাথা শুরু করল। কেচো গাঁথতে গাঁথতে হাতে ফেনা তুলে ফেলেছে বেচারা।
আক্কাসের নামের সাথে কাজের ও অনেক খানি মিল আছে আর এজন্যই সে আক্কাস। কারন আক্কাস নিজেও জানে যে তিমি মাছ কেচো খায় না।
একমাস ধরে চলতে থাকা এইরকম বোকামি দেখে এক তিমি মাছের রাগ হলে সে লাফ দিয়ে ডাংগায় ঊঠে আসে। কিন্ত হায়!! এতবড় তিমি মাছ সে কিভাবে নিবে??
এবার নিজের লুংগি খুলে সেলিব্রেশন করতে লাগল আর বলল দেখ আমি কেচো দিয়ে তিমি মাছ ধরেছি। এবার নিজের লুংগিতেই তিমি মাছ বেধে বিমানের টিকিট ধরল আক্কাস।
হ্যা পাঠক আমি পাকি জারজ ইমরান এর কথা বলছিলাম এতক্ষন । যে তোরা কিনা গোটা সিরিজেই বাঙালির কাছে ধবল ধোলাই খেয়ে ranking থেকে ছিটকে পড়লি আর আজ তামিমের উইকেট পাওয়ার পর যে বুনো উল্লাস টা করলি তা আফ্রিকার বুনো শুওর কেউ হার মানায়।
আমরা বলব না যে লাস্ট ম্যাচে তোদের জিতে যেতে সাহায্য করেছি। তবে এটা বলব যে তোরা অনেক ভাল খেলেছিস।
কিন্ত তোদের কান কাটা রমিজ্জা, তলা ফাটা ইনুচ, মহিশবাহরা কখনই আমাদের ভালটা সহ্য করতে পারে না। আর তোদের আফ্রিদি আছে না? যে কিনা অফ স্টাম্পের বাইরের বল ও লেগ সাইডে ছাড়া খেলতে পারে না। lolzzzzz
ইমরানের বুনো উল্লাস সারা পৃথিবী দেখেছে যে সভ্যতার এই যুগেও তোরা কতটা নীচ অসভ্য? ছি ছি fuck ইস্তান তোরা এইটা ক্যামনে পারিস??
আর এক পাকি জারজ হচ্ছে ওহাব রিয়াজ যে মাছ না পেয়ে ছিপে কামড় দিতে চায়। তোদের আবার লজ্জা আছে নাকি?? তোদের আবারো দাওয়াত রইল। আসিস কিন্তু .....A new Banglawash is waiting for fuckistan.

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



