সবাই যখন মারামারি তে ব্যস্ত নিতাই তখন আন্ডার ওয়ার,ল্যাপটপ আর মোবাইল চুরিতে ব্যস্ত। নিতাই জানে যে সুযোগ বার বার আসে না। তাই বলে আন্ডার ওয়ার আর ছেঁড়া জুতাও চুরি করতে হবে??
উফফফফ!! এইগুলো সে ইউজ করবে না তো। নিতাই এই গুলো অনলাইনে সেল করবে। ওহ তাই বলেন।
নিতাই এর বুদ্ধি আছে মাইরি। নিতাই পরের আন্ডার ওয়ার পরলে তার নিম্নদেশে ঝামেলা হতে পারে তাই সে এই গুলো পরবে না। আবার নিতাই এর সাথে যে গার্লফ্রেন্ডটা আছে না ওটাও সে গত পহেলা বৈশাখে টিএসসি থেকে চুরি করেছে।
কিন্ত পরিতাপ এর বিষয় হল নিতাই নিজেও জানে যে অন্যের গার্লফ্রেন্ড ইউজ করলে সেখানেও ট্রান্সমিটেড ডিজিসের ঝুকি বেড়ে যায়। কিন্ত কথায় আছে না চোর না শুনে ধর্মের কাহিনী।
অন্যের আন্ডার ওয়ার আরেকজন পরলে কোন ক্ষতি নেই তবে ট্রান্সমিটেড ডিজিসের এর ঝুকি টা অনেকখানি বেড়ে যায়। তার মানে হচ্ছে আমার যদি নিম্নদেশে চুলকানি থাকে তারও এই চুলকানি হওয়ার সম্ভাবনা ১০০ তে ১০০।
আসলে ইউনিভার্সিটি লেভেলে হলে থাকবেন অথচ মারামারির সম্মুখীন হবেন না তা বলা মুশকিল।
২০১২ সালের শেষ এর দিকের কথা ........আমি এডমিশন এর জন্য কুষ্টিয়া থাকতাম। আমি নাকি খুব সাহসী ছিলাম এখন ও আছি। তাই আমি গিয়েছিলাম সেদিন ইসলামি ইউনিভার্সিটির লালন শাহ হলে একজন বহিরাগত হিসেবে হল পাহারা দিতে।
রাতের খাবার শেষে কয়েকজন এর সাথে আমি ও গন রুমে বসে আছি। কিচ্ছুক্ষণ পরে রাত ১১ টার দিকে মারামারি বেধে গেল। অবস্থা বেগতিক তাই আমিও চোরের মত পালিয়ে এসেছিলাম।
আমি অক্ষত ছিলাম তবে কয়েকজন কে কুষ্টিয়া সদরে আর বাকিদেরকে রাজশাহী আর ঢাকা মেডিকেল নিয়ে যাওয়া হল।
পরে শুনতে পারলাম যে ওরা হলে মারামারি করতে আসে নাই ওরা এসেছিল ডাকাতি করতে। মোবাইল, ল্যাপটপ থেকে শুরু করে ছেড়া জুতা, লুংগি, রেক্সনা মিনিপ্যাক এবং বিপদের দিনের সংগী স্বাদের আন্ডার ওয়ার টাও রেহাই পাইনি।
পুনশ্চ : হায়রে নিতাই শেষপর্যন্ত তুই আন্ডার ওয়ারটাও ছাড়ালি না?? তুই বড্ড বে শরম রে নিতাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



