‘আদিবাসী মিথ এবং অন্যান্য’ বইটির মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ
সালেক খোকন
এই গাঙ্গেয় বদ্বীপে আর্যদের আগমনের পূর্বে অন্তত আরো চারটি জাতি ছিল : নেগ্রিটো, অষ্ট্রো-এশিয়াটিক, দ্রাবিড় ও ভোটচীনীয়। এ দেশে নিগ্রোদের মতো দৈহিক বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন এক আদিম জাতির বসবাসের কথা অনুমান করা হয়। সময়ের বিবর্তনে তাদের স্বকীয় অস্তিত্ব বিলুপ্ত। প্রায় সাড়ে পাঁচ কি ছয় হাজার বছর পূর্বে ইন্দোচীন থেকে আসাম হয়ে অষ্ট্রো-এশিয়াটিক বা অস্ট্রিক জাতি বাংলায় আগ্রাসন চালিয়ে নেগ্রিটোদের উৎখাত করে। এরাই কোল, ভীল, সাঁওতাল, মু-া, পাহান প্রভৃতি আদিবাসীর আদি-পুরুষ।
অষ্ট্রো-এশিয়াটিক জাতির আমলে কিংবা কিছুটা পরে দ্রাবিড় জাতি এ দেশে এসে অষ্ট্রো-এশিয়াটিক জাতিকে গ্রাস করে ফেলে। অষ্ট্রো-দ্রাবিড় জনগগোষ্ঠীর সংমিশ্রণেই আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠীর সৃষ্টি হয়। এ প্রাক-আর্য জনগোষ্ঠীই বাঙালিদের তিন-চতুর্থাংশের বেশি দখল করে রয়েছে। আর্যদের পর এ দেশে মঙ্গোলীয় বা ভোটচীনীয় জনগোষ্ঠীর আগমন ঘটে। কিন্তু বাংলার মানুষের রক্তের মধ্যে তাদের রক্তের মিশ্রণ খুব বেশি নয়। বাংলার উত্তর ও উত্তর-পূর্ব সীমান্তে এদের অস্তিত্ব রয়েছে। গারো, কোচ, ত্রিপুরা, চাকমা ইত্যাদি আদিবাসী এ গোষ্ঠীভূক্ত।
কালের বিবর্তনে এইসব আদিবাসী এখন সংখ্যালঘু। সংখ্যাগুরুদের প্রভাব এবং নিপীড়নে তাদের অস্তিত্বই সঙ্কটাপন্ন। লুপ্ত হচ্ছে তারা এবং তাদের ভাষা, সংস্কৃতি। হাজার হাজার বছর ধরে যেসব বিশ্বাস প্রচলিত ছিল তাদের মধ্যে, হারিয়ে যাচ্ছে সেগুলোও। সেসব বিশ্বাস বা মিথ বা লোককথা যেমন অভিনব তেমনি বিস্ময়করও। কয়েকবছর ধরে আদিবাসীদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সংগ্রহ করি সেসব মিথ। ঝরঝরে গদ্যে তুলে আনার চেষ্টা করেছি কড়া, সাঁওতাল, ভুনজার, ওরাও, তুরি ও মাহালিদের মিথগুলোসহ বসন-ভূষণ, খাদ্যাভ্যাস, আচার-অনুষ্ঠান, গোত্র পরিচালনা, জীবনযাপন পদ্ধতি, টিকে থাকার সংগ্রামের চিত্র সহ নানা বিষয়। আদিবাসীদের এসব লিখা নিয়ে ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ বের করেছে ‘আদিবাসী মিথ এবং অন্যান্য’ নামে একটি বই। অমর একুশে বই মেলায় বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১,বৃহস্পতিবার বিকেল ৪.৩০ টায় নজরুল মঞ্চে। অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রখ্যাত ছড়াকার ও শিশুসাহিত্যিক জনাব লুৎফর রহমান রিটন,মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক জনাব গোলাম মোর্তোজা।
মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে সকল বন্ধুদের আমন্ত্রণ রইল।
সাদা নীল জার্সি

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাইরে এসো
এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্পর্শে_ _ _ _ _
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন
বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।