কি করা হয়?
কিছু করা হয় না।
এইটা কেমন কথা বললা। একজন ঝাড়ুদারওতো কিছু না কিছু করে। ঝাড়ু দিয়া আবর্জনা দূর করে।
আমি ব্লগিং করি।
এইটা আবার কোন ধান্দাবাজি।
আমি লিখি।
কোন পত্রিকায়?
কোন পত্রিকায় না।
তাইলে কি বাজারের ফর্দ লেখ।
ঐ যে বললাম। আমি ব্লগে লেখি।
বুঝাইয়া বল।
ব্লগ হচ্ছে একটি ইন্টারনেট ভিত্তিক সাইট। যেখানে সবাই তাদের চিন্তা ভাবনা শেয়ার করতে পারে।
কেমন টাকা পয়সা দেয়।
কোন টাকা পয়সা দেয় না।
তাইলে এখানে সময় নষ্ট করার দরকার কি। বাসে কান পাকার ওষুধ বিক্রি করলেওতো কিছু পয়সা কঁড়ি পাওয়া যায়।
এখানে আমরা নিজের আনন্দের জন্য লিখি।
ভাল। পেট খালি থাকলেও যে আনন্দ করা যায় জানা ছিল না।
তা কি লেখা হয়। নতুন কোন ছবি মুক্তি পাইল। কোন নায়িকা কোন নায়কের সাথে পলায়ন করিল।
কোন নির্ধারিত একটি বিষয়ের উপরে এখানে লেখা হয় না। দৈনন্দি ঘটনাবলি থেকে শুরু করে এমন কোন বিষয় নাই যা নিয়ে এখানে আলোচনা করা হয় না।
পত্রিকা আর নিউজ চ্যানেলগুলি কি বইসা বইসা মাছি মারব।
আপনি পত্রিকায় কোন খবর পরদিন সকালে জানতে পারছেন। আর টিভি চ্যানেলের কোন খবরের তাৎখনিক কোন প্রত্রিক্রিয়া আপনি জানাতে পারছেন না। কিন্তু ব্লগে এটা সম্ভব। আপনি প্রতি মুহুর্তে বিভিন্ন ঘটনাবলি জানতে পারছেন এবং সাথে সাথে আমরা আমাদের প্রত্রিক্রিয়া জানাতে পারছি।
ভাল। কিন্তু বিনা পারিশ্রমিকে এইসব কইরা লাভ কি।
এটা একটা ভার্চুয়াল জগত। এখানে আমরা কেউ কাউকে চিনি না। তারপরও সবাই এক মায়ার অদৃশ্য বাধনে বাঁধা। মনে হয় হাত বাড়ালেই ছোয়া যাবে। কি দেশ থেকে কি বিদেশ থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে একজন আরেক জনের সাথে বিতর্কে জড়িয়ে পড়ি। এই ঝগড়া করছি আবার পরক্ষণেই মমতামাখা হাত বাড়িয়ে দিচ্ছি। এই অনুভূতিকে কোন কিছুর সাথে তুলনা করা যাবে না। এ অনেকটা বর্ষার প্রথম ভেসে আসা ভেজা মাটির গন্ধের মত। বৃষ্টিতে ভেজা কদম ফুলের স্পর্শ। ছেলে বেলার মত বৃষ্টির পানিতে ভাসানো কাগজের নৌকার খেলা। আকাশে ভেসে বেড়ানো মেঘের খেলা। সূযোর্দয়-সূর্যাস্তের সময় মায়াবী আলোর খেলা।
ব্যাস ব্যাস আর বলতে হবে না। বুঝাই যাচ্ছে অনেক খেলাধুলা হয় এখানে। ঠিক আছে চালাই যাও। তোমার জন্য বিনা পয়সায় উপদেশ হচ্ছে-যতই তর্ক বিতর্ক কর না কেন সবার আগে মানুষকে শ্রদ্ধা করতে শিখ। মানুষক ভালবাস তার মতামতকে সন্মান কর। না হলে কখনই একজন ভাল ব্লগার, সর্বোপরি একজন ভাল মানুষ হতে পারবা না।
** বেস্ট অফ ব্লগস বা সেরা ব্লগ প্রতিযোগিতার ষষ্ঠ আসরের চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করলো জার্মানির আন্তর্জাতিক সম্প্রচার কেন্দ্র ডয়চে ভেলে৷ যাতে আলী মাহমেদ-এর ব্লগ উঠে এলো শ্রেষ্ঠ বাংলা ব্লগ হিসেবে৷
অভিনন্দন এই প্রতিযোগিতার সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে। যারা অংশগ্রহণ করেছেন। যারা ভোট দিয়েছেন। আমি এই প্রতিযোগিতা সম্পর্কে জানতে পারি অনেক পরে। সম্ভবত আরও ব্যাপক প্রচারনার দরকার ছিল। মনিটরের পর্দায় অন্যান্য ভাষার সাথে যখন আমার বাংলা ভাষাকে ধ্রুব তরার মত জ্বল জ্বল করতে দেখি তখন কি এক অজানা আনন্দে বুক ভরে আসে।
একটা জিনিস আমাকে খুব আহত করছে। বিভিন্ন ব্লগে এই প্রতিযোগি নিয়ে কিছু ব্লগার বিরুপ মন্তব্য করছেন। এটা করে এইসব ব্লগারদের যারা ভোট দিয়েছেন তাদের ভালবাসাকে অসন্মান করা হচ্ছে। কে কোন দলের, কে কোন সাইটে লেখেন এইসব দেখেতো আর আমরা তাদের ভোট করিনি। আমার বাংলা ভাষা বিশ্বের অন্যান্য ভাষার সাথে প্রতিযোগিতা করছে এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় কথা।
এভারেস্টের চূড়ায় অন্য দেশের পতাকার সাথে আমার দেশের পতাকাও উড়ছে। পতাকা যে বাশেঁর মাথায় বাঁধা সেটা কোন ধরণের বাঁশ এটাতো আমাদের দেখার দেরকার নাই। যিনি এই পতাকা সেখানে নিয়ে গেছেন তিনি কি ঘোড়া না গাধায় চড়ে হিমালয় পাড়ি দিয়েছেন এটা নিয়েতো বিতর্ক করার কোন প্রয়োজন দেখি না। অন্যদের পতাকা নিয়েতো কোন বিতর্ক নাই। তবে সমস্ত বিতর্ক আমার দেশের পতাকা নিয়ে কেন। সব দেশের পতাকার সাথে আমার দেশের পতাকাও সমান তালে উড়ছে এরচেয়ে বড় আনন্দের আর কি হতে পারে।
আলোচিত ব্লগ
তারেক রহমানের প্রথম সফর কেন ভারতেই হওয়া উচিত ছিল?

দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরে আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখার পর প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান কলম্বোর পথ ধরে দেশে ফিরে আসেন । তিনি ভারতে ঢোকার অনুমতি পেয়েছিলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
২০২৪শের শহীদ নাকি প্রতারক ⁉️

'বায়বীয় গুলিতে আহত হয়ে নিহত' এক শহীদের উপাখ্যান।
ইনুস বাটপারের ভূয়া শহীদের বিতর্কিত 'জুলাই শহীদ গেজেট' যে অসংখ্য মিথ্যা, প্রতারনা, জালিয়াতিতে ভর্তি একটা বড় রকমের মিথ্যাচার, বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম... ...বাকিটুকু পড়ুন
গল্পঃ প্রত্যাবর্তন

চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ বিক্ষিপ্ত ।
ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই... ...বাকিটুকু পড়ুন
ষো-ল-ব-ছ-রঃ আর কি বর্ষপূর্তি পোস্ট লেখা হবে?

অবাক হয়েই চেয়ে দেখি
কখন এমন হলো?
এইতো আমার ব্লগবাড়ীটার
বয়স হল ষোল।
দুরুদুরু বুকে তখন
খুলেছিলাম ‘নিক’।
ফেলতে পলক, পেরিয়ে গেল
ষোল বছর ঠিক।
ফেসবুক আর ইউটিউবের
আছড়ে পরে ঢেউ।
সামুপাড়ায় এখন কি আর
উঁকি মারে... ...বাকিটুকু পড়ুন
জীবন পর্ব -১

(শালবন ভ্রমণ)
২০১২ সাল। সদ্য পাশ করে বের হয়েছি। কঠিন সময় পার করছিলাম। এদিক-সেদিক স্টেজ শো করে যে পেমেন্ট পেতাম, বাড়িতে ফিরতে ফিরতেই প্রায় শেষ হয়ে যেত। সকালে মায়ের হাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।