Click This Link
আল্লাহর বাণীঃ- নিশ্চয় জাহান্নাম সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য ঘাঁটি,উহা অবাধ্যগনের ঠিকানা, তথায় অবস্হান করবে তারা অনন্তকাল,তথায় তারা ঠান্ডা বস্তু ও শরবতের স্বাদ আস্বাদন করবে না, কিন্তু গরম পানি ও পুঁজ ব্যাতীত।
দোযখ অত্যন্ত ভয়াবহ স্থান। এটা পাপিদের জন্যে নির্ধারিত। এটা অতিশয় কষ্ট ও সীমাহীন দুঃখ-দুর্দশার স্থান। দোযখের দুঃখ-কষ্টের বর্ণনা দেয়া মানুষের পক্ষে সম্ভাব নহে। বেহেশ্ত যেমন সীমাহীন এবং অকল্পনীয় সুখ ও আনন্দের স্থান, তদ্রুপ দোযখও সীমাহীন এবং অকল্পনীয় দুঃখ-দুর্দশার স্থান। দোযখের আগুনের উওাপ দুনিয়ার আগুনের উওাপের মত নয় বরং দোযখের আগুনের উওাপ দুনিয়ার আগুনের উওাপের তুলনায় সওরগুণ বেশী।
হাদীছে পাকে আছে যে, হুজুর (সাঃ)এরশাদ করেছেন, দুনিয়ার আগুন দোযখের আগুনের সওর ভাগের এক ভাগ এবং দুনিয়ার আগুনের সওরগুণ বেশী দোযখের আগুন। তাছাড়া দোযখের আগুন দুনিয়ার আগুনের ন্যায় লাল নয় বরং এইটা অত্যন্ত ঘোর কাল। হাদিছে পাকে আরও উল্লেখ আছে যে হুজুর (সাঃ) ফরমায়েছেন-দোযখের আগুন এক হাজার বছর উওাপ দেয়ার পর তা লাল রং ধারং করে, অতঃপর পুনরায় তাকে এক হাজার বছর উওাপ দেয়ার পর তা সাদা রং ধারন করে, অতঃপর আবার এক হাজার বছর উওাপ দেয়ার পর তা ঘোর কাল হয়ে সম্পূর্ণ অন্দকারের মত রুপ ধারণ করে।দোযখের মধ্যে সবচাইতে নিম্নতম শাস্তি যার হবে, তাকে শুধুমাএ আগুনের দু’খানা জুতা পরিয়ে দেয়া হবে। এ জুতা দু’খানার তাপে ফুটন্ত গরম পানির মত তার মাথার মগজ টগবগ করে ফুটতে থাকবে। অথচ সে সাম্যান শাস্তির মধ্যে থেকেও মনে করবে যে, দোযখে বোধ হয় আমার ন্যায় কাউকেও এমন ভীষণ শাস্তি দেয়া হচ্ছে না। দোযখীরা পিপাসায় কাতর হয়ে পানি চাইলে তাদিগকে উওপ্ত গরম পানি ও বিভিন্ন পঁচা-গলা শরীর হতে নির্গত পূঁজ দেয়া হবে। এটা মুখে দেয়া মাএই তাদের মুখের গোশ্ত খসে পড়বে এবং সামান্য এক ফোটা পূঁজ পেটে গেলেই সমস্ত নাড়ী-ভূঁড়ি পযন্ত খসে পড়বে।
মোটকথা, দোযখ শুধু আজাবের জায়গাই হবে।
দোযখ মোট ৭টি। যথা- ১।হাবিয়া ২।সায়ীর ৩।সাক্বার ৪।হুতামা ৫।জাতুল্লাহাম ৬।জাহীম ৭।জাহান্নাম।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


