জনগণকে না জানিয়ে গোপন জরিপের মাধ্যমে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রায় দেড় হাজার একর জমি ভারতের হাতে তুলে দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশের রয়েছে মাত্র চারশত একরের মতো জমি। প্রায় সব পেয়েও ভারতীয় জনগণ প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠেছে। সভা-সমাবেশ করছে। এমনকি তারা বাংলাদেশের পতাকাও পুড়িয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকার সংসদ, সংসদীয় কমিটি, মন্ত্রীপরিষদ কাউকে না জানিয়ে চুপিসারে দেশের জমি ভারতের হাতে তুলে দিয়েছে। সবাইকে পাশ কাটিয়ে গোপনে জমি দিয়ে দেয়ার কারণে দেশের জনগণও প্রতিবাদ জানাতে পারেনি। অন্যদিকে প্রতিবাদের মুখে ভারতের আসাম ও মেঘালয় প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীদ্বয় বাংলাদেশকে সামান্য জমি দিয়ে ভারতই বরং লাভবান হয়েছে।
গত ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং বাংলাদেশ সফরকালে উভয় দেশের মধ্যে স্থল সীমানাবিরোধী মীমাংসা সংক্রান্ত প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়। ১৯৭৪ সালে ইন্দিরা-মুজিবের সীমান্তচুক্তির আলোকে এই প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়। মূলত, এই প্রটোকল স্বাক্ষরের মধ্য দিয়েই অত্যন্ত গোপনে বাংলাদেশের জমি ভারতের হাতে তুলে দেয়। বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার অত্যন্ত গোপনে এই জমি তুলে দিয়েছে। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম থেকে প্রাপ্তখবরে জানা গেছে, সীমান্তের অচিহ্নিত লাঠিটিলা-ধুমবাড়ির ৭১৪ একর জমি দেয়া হয়েছে ভারতকে, বাংলাদেশের হাতে আছে মাত্র ৯০ একর। বড়াইবাড়ি গোটাটাই বাংলাদেশের। এখন থেকে ভারতকে দেয়া হয়েছে ৩৮১.০৫ একর আর বাংলাদেশের রয়েছে ২৬৭.০৫ একর।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


