
আকাশে ভ্রাম্যমান সমস্ত জ্যোতিষ্কের মধ্যে সবচেয়ে বিস্ময়কর ও এর আবির্ভাব সবচেয়ে উত্তেজনাপুর্ণ। আকাশের অন্যান্য জোতিষ্কের চেয়ে ধুমকেতুর বৈশিষ্ট্য এর লেজ।ধুমকেতুর আবির্ভাবের সাথে মানুষ প্রাচীনকালের নানা অশুভ শক্তির আভাস ও ইঙ্গিত কল্পনা করত।
যখন ধুমকেতু প্রথম আকাশে দেখা যায় তখন এক একটি অস্পষ্ট তারার মত মনে হয়। তারপর উজ্জলতা যত বাড়তে থাকে ততই একটি লেজ দেখা যায়। ধুমকেতুর লেজ কয়েক হাজার মাইল লম্বা এমনকি কুড়ি কোটি মাইল পর্যন্ত হতে পারে।
হ্যালির ধুমকেতুঃ সম্ভবত হ্যালির ধুমকেতুই সবচেয়ে বিখ্যাত।এটা ৭৫ বছর পর পর দেখা যায়।১৫৩১,১৬০৭,১৬৮২,১৭৫৯,১৮৩৫,১৯১০, এবং ১৯৮৫ সালের শেষের দিকে এটি দেখা গেছে। এখন বলুনতো এটা আবার কবে দেখা যাবে?
বিয়েলার ধুমকেতুঃ আরেকটি বিখ্যাত ধুমকেতুর নাম বিয়েলার ধুমকেতু।এটা সাত বছর পর পর আকাশে দেখা যায়।১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ঠিক ঠিক ভাবে দেখার পর ১৮৬৫ সালে যখন আবার এটা আকাশে দেখা দেয় তখন মানুষের চোখের সামনে এটি দুইভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। আবার সাত বছর পর ১৮৭২ সালে সেই একই স্থানে আবার এই যমজ দুইটি ধুমকেতুকে উদয় হতে দেখা যায়। ১৮৭৯ সালে সে স্থানে আর ধুমকেতু দুটির দেখা মেলেনি তবে সে জা্য়গায় দেখা যায় অসংখ্য উল্কা পিন্ড। বড়ই আজব! তাই না!
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




