somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মুনাজির
"রব হিসেবে আল্লাহকে, দীন হিসেবে ইসলামকে ও নবী হিসেবে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পছন্দ করেছি।"কোনো দল পছন্দ করি না, তবে সরকারের হিতাকাঙ্খী ও তার ভালো কাজের সহযোগী হওয়া পছন্দ করি।

স্বাধীনতার সময় ভারত বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়েছে!!! আবারও বাড়াল, কিস্তু এবার গ্রহণ করতে নারাজ কেন!!!‎

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ভারতের ১০০ কোটি ডলারের ঋণে পাঁচটি প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কঠিন শর্তের কারণে প্রকল্পগুলো বাদ দেওয়ার ‎নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরও তা কার্যকর করা যাচ্ছে না। প্রকল্পগুলো বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছে ভারত। ‎তবে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান চান ভারতীয় ঋণেই প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন।
‎
গত ২০ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ভারতীয় ঋণের শর্ত কঠিন ‎ও বাস্তবায়ন জটিলতার কারণে প্রকল্পগুলো বাদ দেওয়া হবে। বৈঠকে নৌ, শিল্প ও রেল মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, ‎সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোই চায়, প্রকল্পগুলো ভারতীয় ঋণের প্রকল্পের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হোক।
‎
কিন্তু গত ২৯ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে লেখা এক চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিকবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান ‎প্রকল্পগুলো বাদ না দেওয়ার সুপারিশ করেন। চিঠিতে তিনি বলেন, ভারতের শর্তাবলি কঠিন—এই বক্তব্যটি প্রধানত প্রচারণামূলক, বাস্তব ‎তথ্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত বলে মনে হয় না। তাঁর মতে, ভারতীয় ঋণ ব্যবহার সম্পর্কে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ‎প্রথম থেকেই অনীহা প্রকাশ করেছে। তা ছাড়া ভারতীয় ঋণের শর্তাবলি অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় ঋণের তুলনায় নমনীয় বলেও তিনি মনে করেন।
‎
তিনি আরও বলেন, ‘এখানে দুটি বিষয় আছে। যেসব প্রকল্প প্রত্যাহারের কথা বলা হচ্ছে, মন্ত্রণালয়গুলো সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে এগুলো করার ‎আদৌ দরকার নেই। আরেকটা হতে পারে, ভারতীয় টাকায় প্রকল্প করব না, করব দেশীয় টাকায়। অন্তত দ্বিতীয়টি যেন না হয়।’ ‎

বিএসটিআই আধুনিকীকরণ: বিএসটিআই অভিযোগ করে আসছে যে, প্রকল্পের আওতায় ভারত যে পণ্য বা যন্ত্রপাতি সরবরাহ করবে তা ‎বিএসটিআইয়ের বর্তমান কাঠামোর সঙ্গে মানানসই নয়। এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই প্রকল্পটি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। বাংলাদেশের ‎নীতিনির্ধারণী মহলের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিষয়টির সুরাহা করার দায়িত্ব ছেড়ে দেয় ভারত।
‎
কিন্তু মসিউর রহমান তাঁর চিঠিতে বলেন, ‘বিএসটিআই কর্তৃপক্ষ ভারত থেকে আমদানি করতে প্রথম থেকেই অনীহা দেখায়। (ভারত ‎আমাদের কিছুই দেবে না!)’ তিনি প্রকল্পটি প্রত্যাহার না করার সুপারিশ করে বলেন, অন্য কোনো উৎস থেকে আমদানি করতে হলে সময় ‎লাগবে। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে (ভারতে রপ্তানি বৃদ্ধি) এবং বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতির ওপর চাপ পড়বে।

মিটারগেজ রেলওয়ের কোচ কেনা: দুই দফায় দরপত্র আহ্বান করা হলেও প্রথম দফায় কেউ অংশ নেয়নি। দ্বিতীয় দফার দরপত্র খোলা হয় ‎গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর। এখন কারিগরি মূল্যায়ন কমিটির প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। তবে ভারত এখন মিটারগেজ কোচ ‎তৈরি করে না—এমন প্রেক্ষাপটে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে প্রকল্পটি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিকবিষয়ক উপদেষ্টা তাঁর চিঠিতে বলেন, ভারত মিটারগেজ কোচ সরবরাহের অনানুষ্ঠানিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ‎ইআরডিকে ভারত জানিয়েছে, এই প্রকল্পটি এখনো তাদের ঋণের তালিকাভুক্ত প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

১২৫টি ব্রডগেজ প্যাসেঞ্জার ক্যারেজ: এই প্রকল্পটিতে ১২৫টি ব্রডগেজ শীতাতপনিয়ন্ত্রণবিহীন কোচ সংগ্রহের প্রকল্প। কিন্তু ভারত এখন এ ‎ধরনের কোচ তৈরি করে না। তাই ভারতের পক্ষ থেকে ১২৫টি নন-এসি কোচের পরিবর্তে ৭০টি এসি কোচ সংগ্রহের নতুন প্রকল্প তৈরির ‎পরামর্শ দেওয়া হয়। এমন প্রেক্ষাপটে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে প্রকল্পটি বাদ দিয়ে এসি কোচ কেনার প্রকল্প তৈরির সিদ্ধান্ত হয়।

মসিউর রহমান চিঠিতে উল্লেখ করেন, যমুনার অপর পারে ব্রডগেজ লাইনের জন্য এসি কোচ নেই বললেই চলে। সরকারি বা বেসরকারি ‎বিমান যায় না; বাসই একমাত্র ভরসা। অন্য কোনো যুক্তি থাকলেও দেশের উত্তরাংশের যাতায়াতব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য অধিকসংখ্যক এসি ‎কোচ চালু করা বিবেচনার দাবি রাখে। এ ছাড়া খুলনা-কলকাতা ট্রেন সার্ভিস চালু করতে সরকার সম্মত হয়েছে। এ জন্য অতিরিক্ত এসি ‎কোচের দরকার হবে।

ভারতের ১০০ কোটি ডলারের ঋণে পাঁচটি প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কঠিন শর্তের কারণে প্রকল্পগুলো বাদ দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরও তা কার্যকর করা যাচ্ছে না।


মনে রাখবেন বাংলাদেশকে বিষ খাওয়ানোর জন্যই ভারত বাংলাদেশকে স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহায্য করেছে! মনে ‎রাখবেন আমরা এটাকে সাহায্যই ভাবছি, কিন্তু ভারত করেছে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে, সে পাকিস্তানকে দুর্বল ও ‎বাংলাদেশ থেকে তার স্বার্থ উদ্ধার করার জন্য টোপ দিয়েছে। ভারতের বাবারও ক্ষমতা ছিল না বঙ্গবন্ধুর সাথে ‎প্রতারণা করে বেড়ু বাড়ি নিয়ে ছিটমহল না দেয়া ইত্যাদি। ‎

ভারতের বাংলাদেশের সাথে বৈইমানী করার ফিরিস্তি খুব দীর্ঘ... এতকিছুর পরও ভারত খাই খাই ... করছে, আর ‎আমাদের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা উপদেশ দিচ্ছেন ...!!!

এসব উপদেষ্টারাই স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশকে অন্যদেশের ‎দেয়া ভিক্ষা পর্যন্ত ভারতে পাচার করে বঙ্গবন্ধু সরকার দ্বারা ভারতের সাহায্যের প্রথম ফল ১৯৭৪ইং এ দর্ভিক্ষ ‎উপহার দিয়েছিল। যা পাকিস্তানও দিতে পারেনি। অথচ এ বঙ্গবন্ধুই মুক্তির ডাক দিয়েছিল, এটাই কি মুক্তি! ‎পাকিস্তানের দুর্ভাগ্যই বলতে এসব উপদেষ্টাদের কেন সে খুজেঁ নিল না। সরকারে থেকে যারা ভারতের স্বার্থ দেখছেন ‎না তারা সাবধান হোন, সবচেয়ে দেশপ্রেমিক প্রধানমন্ত্রীর সুনজড়ে পড়তে হয়ত দেরি হবে না!!!‎

‎
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমরা কোন ইসলাম পালন করছি! কাদের ফলো করছি!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

খোদা ও নবীজীকে অবমাননা করলে অর্থাৎ ধর্মীয় অবমাননা করলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এমন আয়াত কোরআনে পেলাম না!
অনেক খুঁজলাম.........আমি পাই নাই। আপনি পেয়েছেন কি?



পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং ঢাকা দক্ষিণের নতুন সমীকরণ: রাজনৈতিক খেলায় ইশরাক কোথায়?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২

রাজনীতির মাঠে অতি-উৎসাহ কখনো কখনো যে আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়াতে পারে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে, দলবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবের প্রতি বাংলার মানুষের কেন এত ক্ষোভ?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যা দূরীকরণে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশটিতে বাংলাদেশের প্রায় ৩৫ লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। সৌদি আরবই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক শ্রমবাজার। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সৌদি আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মনের হিংসা দূর করো রব=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:২৯


তবুও হিংসা এসে যায় কারণে অকারণে;
পারি না সামলাতে মন আমার - ইয়া রব,
নিতে পারি না সহজ করে কিছু
মনের কিনারে ভাঙ্গে হুড়মুড় স্বার্থের কলরব।

স্বচ্ছ মনের মানুষ কী করে হই,
সহজরে করে ফেলি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি প্রবাসীর মৃত্যুদন্ড ও রটানো গুজব

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২২

আপনি যে দেশে যাবেন, সেই দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রাখাটা আপনার দায়িত্ব।
আমেরিকায় আপনি মদ কিনতে পারবেন। কিন্তু আপনার বয়স অবশ্যই ন্যূনতম ২১ হতে হবে। ইউরোপে হয়তো এই বয়সটা ১৮।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×