somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সানবীর খাঁন অরন্য রাইডার
আঁচলের ঘ্রাণে বিমোহিত হতে মনে প্রেম থাকা লাগে। চুলের গন্ধ নিতে দুহাত বাড়িয়ে দেয়া লাগে। হাহাকার থাকা লাগে। দুনিয়া ছারখার হওয়া লাগে। সবাই আত্মা স্পর্শ করতে পারে না।আমার সমস্ত হাহাকার ছারখারে তুমি মিশে আছো।

প্রেমপত্র-৯৯

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তরুলতা

কোন এক বর্ষায় আমার দেওয়া কদম তোমার খোপায় দেখার কি ইচ্ছে আমার,শুধু তুমি আমার দেয়া ফুল পরবে বলে,তোমার দেয়া ছাতা আমার মাথায়,তোমার হাতে শক্ত করে ধরা আমার হাত,আমার পাশে বৃষ্টি ভেজা তুমি।খালি পায়ে হেটে চলা শহরের এ পিচঢালা পথে;তোমার আমার ব্যস্ত জীবনটাকে একটু ভিজিয়ে নিতে।চাঁদণী রাত আবার তোমাকে তেমনটা টানে না,কিন্তু আমার তো চাঁদের আলো চাই-ই্‌।তাইতো গান শুনতে শুনতে তোমার কোলে মাথা রেখে,তোমারই লাগানো ফুলের গন্ধে ঘুমিয়ে যেতে চাই আমি,আমার মাথায় একটু হাত বুলিয়ে দিও।আমি একটু চাঁদের আলো এসে পড়বে তোমার মুখে্‌ সে আলোই প্রাণ ভরে দেখব তোমায়্‌।আমার চোখের একফোটা জল তোমার পায়ে গড়িয়ে পড়বে তখন এ জল সমার্পনের জল।যেদিন থেকে নিজেকে চিনেছি,সেদিন থেকে চারপাশের চাহণিতে আমি আমার শ্লোকবলাকে খুঁজে চলেছি,ফিরিয়ে দিয়েছি পৃথিবীকে্‌,ফিরিয়ে দিয়েছি কত সব নেশা কত আনন্দ কত বসন্ত,শুধু তুমি আসবে বলে,এক সাথে হাসবে বলে্‌।কত বর্ষায় কাগুজে নৌকা ভাসিয়েছি তোমার তরে্‌,কত সন্ধ্যয় হৃদয় জ্বেলে ,ফুলে ফুলে রাজপথ সাজিয়ে,শুধু তুমি আমার প্রিয় শাড়ীতে সাজাবে বলে,হৃদসিংহাসন ধুয়ে মুছে সাজিয়েছি তুমি আসবে বলে।কতদিন তোমাকে উড়ো চিঠি পাঠিয়েছি।তোমার সাড়া না পেয়ে অভিমানের জলে নৈকা ভাসিয়েছি,ভেবেছি তুমি হয়তো চিঠি পাওনি অথবা ব্যস্ত্‌,কিন্তু তুমি আসবে্‌,কাজ ফুরালেই তুমি ছুটে আসবে একটু প্রান দিতে,তোমা্র আশায় তোমার পথ চেয়ে কতকাল কেটে গেছে প্রিয় মানবী।এই আমারই স্বপ্নে আকা একান্তই আমার তুমি এলে অজান্তে্‌।অবাক হয়ে গেলাম্,কখন এসে টুপ করে বসে আছো হদয়ে আমি বুঝতেই পারিনি কিন্তু সবচেয়ে বেশি অবাক হলাম যখন আবিষ্কার করলাম আমি তোমার দৃষ্টি সীমার বাহিরে,দুরে কোথাও হারিয়ে ,তখন তোমাকে ছাড়া আমার চলেই না, চাতকের মত ছটফট করি।তবে তোমার কাছ থেকে হ্রদয়ের টান পেতে যদি আমাকে,আমার ভালবাসাকে লুকাতেই হয়,তবে তোমার এ টান আমি চাই না কারণ ভালবাসা লুকানোর জিনিস না,লুকানোও যায় না,নিজ মহীমায় সবসময়ই ঝলমল করে।যদি ফিরে চাও একদিন! তুমিও এবং আমিও দেখবে আমাদের একটা আকাশ ছিল।আষাঢ়ের সন্ধ্যায় নক্ষত্র ছিল,একটা অদৃশ্য চড়ুই পাখি ছিল। একটা জোছনায় আমি তোমার জন্য ফুপিয়ে ফুপিয়ে কেঁদেছিলেম।
আজ থেকে কয়েকহাজার বছর পরের এক জোছনায় কোনো এক যুবকের পিতাকে গুনগুনিয়ে রবীন্দ্রসংগীত শুনাতে শুনাতে মনে করিয়ে দিবে অনেক বছর আগের এক জোছনায় তোমার জন্যে আমার লেখা কিছু চিঠি ছিল।আজ থেকে একশ বছর পরেও এই একই জোছনা থাকবে। এই নারিকেল গাছের পাতার ফাকে জোছনা উকি দিবে অন্য কোনো চোখে।ব্যাঞ্জনবর্ন আর স্বরবর্নের ফাকে একদিন মনে পরে যাবে আমাদের নস্টালজিক দিনগুলো। ফুপিয়ে কেঁদে গাল ফুলিয়ে বসে থাকবে। কে জানে! কোথাও না কোথাও তোমার জন্য একটা কালসিটে থাকবে আমার চোখের কোলে।

এই পৃথিবীর কোথাও না কোথাও থেকে যাব আমি। হয়ত তোমার মহল্লায় না হয় তোমার শহরে। আর না হয় তোমার থেকে কয়েকশ কিলোমিটার দুরের কোনো এ শহরের এক নির্জন বাড়িতে। জোনাক পোকা দেখে তুমি মুগ্ধ হবে আগের মতই। শুধু জোনাক পোকা দেখে মনে পরে যাবে অনেক বছর আগে আমার একটা বাচ্চা পাখি ছিল,যে চোখ রাঙ্গিয়ে শাসন শেষে নিজে হাপিয়ে যেত। আমি মুগ্ধ হয়ে তার চোখের দিকে তাকিয়ে কাটিয়ে দিতাম অক্টোবর এর রাতগুলো।

সুনীলের কেও কথা রাখে নি কবিতার ভীরেও কথা রেখেছিলে তুমি। ভালবেসেছিলে কোন এক সন্ধ্যায়। আমি এই সন্ধ্যা গুলো রেখে দিব। কোনো অপরিচিত রাস্তার মোরে অনাকাঙ্ক্ষিত দেখা হওয়ার অবান্তর কোনো প্রশ্নে মরে যাবে তুমি, মরে যাব আমি।

প্রিয় বাবুু আমাকে সবচেয়ে বেশি যে কথাটা বলেছে তা হল "জানিনা তো "।

জানো, তোমার বিশ্ববিদ্যালয়ের পথ যতবার অতিক্রম করেছি,কেবলি মনে হত নেমে পড়ি?
নামিনি কেনো,কিসের সংশয়ে?কিছুই না তোমার হাসিতে ভয়।আমার হাসির জন্যই আমি পাগল।
তবে,ভয় কেনো বললে?আমার চায়ের বড় নেশা তবে তুমি যদি বিষ খেতে বলো খেয়ে ফেলব নির্ভয়ে ।বিষের চেয়ে আর কি কম যন্ত্রনা পাচ্ছি আমি।

শুধু এতটুকু বলি আমি তোমার জন্য পাগল। ঠিক কি কারনে পাগল তার কারন ইহজীবন এ উদ্ধার করতে চাই না। শুধু জানি যে এমন পাগলামি না থাকিলে আমি সত্যিএ পাগল হইয়া যাবো।আমার কাছে জীবন মানে শুধু বেঁচে থাকা নয়।আমি শুধু চাই আমার বুকে মাথা রেখে ভোরের সূর্যটা দেখো।
গায়ে মেখে নিতে চাই একরাশ জোত্‍স্না ডুব দিতে চাই ভালোবাসার নদীতে।শুধু আমার ছায়া হয়ে নয়
আমার সন্তানরা মা হিসাবে দিক তোমার একক পরিচয়।

তোমার
মেঘবালক
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ৩:২২
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীর ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৭


আজ দেশজুড়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। ২৪ -এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিভ্ন্নি সময়ে বহু নিরীহ প্রাণ অকালে ঝরেছে। আবু সাঈদ, মুগ্ধ ছাড়াও নাম জানা-অজানা হাজারো ব্যাক্তি তাদের প্রাণ হারিয়েছেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

তেহরানের ছায়া কি এখন ঢাকা সেনানিবাসে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:০১


সোমবার সকালে জলসিঁড়িতে একটা অনুষ্ঠান হলো। ফিতা কাটা, ফুলের তোড়া, বক্তৃতা, ক্যামেরার ফ্ল্যাশ, স্বাভাবিক একটা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা যা থাকে সবই ছিল। সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান নিজে হাজির, পাশে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাতিঘর (Lighthouse)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:৪৬



বাতিঘর (Lighthouse)

বাতিঘর নিয়ে সেই ছোট্টবেলা থেকেই আমার অনেক কৌতুহল ছিল। কেন ঐ বয়সেই বাতিঘর নিয়ে আমার এতটা আগ্রহ ছিল, তার কারণ আজও খুঁজে পাই না। অথচ আমি নিজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

"‘৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে’- একটি বক্তব্যের রাজনৈতিক পাঠ"

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯



"‘৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে’- একটি বক্তব্যের রাজনৈতিক পাঠ"

"৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে। শেখ হাসিনার প্রয়োজন ছিল বিশ্রাম। আওয়ামী লীগের দরকার ছিল শুদ্ধিকরণ। অন্যান্য দলগুলোরও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে বিষয়ে মজিবর ও হাসিনা এক বিন্দুও ভুল করেনি!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


বাংলাদেশের ইতিহাসে মজিবরের শেষ শাসন কাল ও হাসিনার শেষ শাসন কাল দুটি ভিন্ন সময়ে হলেও গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত মিল বহন করে। নির্বাচনী বৈধতার নিরিখে ১৯৭৩ সালের নির্বাচনের সংগে ২০১৪, ২০১৮... ...বাকিটুকু পড়ুন

×