somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিশ্ব ইতিহাসে নাস্তিক চে গুয়েভারা বিভিন্ন ধর্ম অবলম্বীদের কাছে কুখ্যাত, কিন্তু চামচা মিডিয়া তাকে বানিয়ে দিল বিখ্যাত। মিডিয়া পারে না এমন কি আছে? মিডিয়ার অবদানে শেষপর্যন্ত তিনি পেয়েছেন নোবেল পুরষ্কার

১০ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৮:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ধর্ষক এবং সন্ত্রাসী চে গুয়েভারা পৃথিবীর ইতিহাসে বিখ্যাত নাস্তিকদের অন্যতম ৷ বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবিরা কিছু সত্য ইতিহাসকে অচল করে দিয়েছে । যেগুলো অচল হবার মত ছিলনা । তার মধ্য একটি হলো নাস্তিক চে গুয়েভারাকে হিরো বানানো । বাংলাদেশর মুসলমানরাও যাকে বীর হিসাবে নমঃ নমঃ করে । মুসলমানদের ব্যাগে, টুপিতে, কাপড়ে যার ছবি লীলা ৷ কে ইনি জানেন ? একজন কুখ্যাত কসাই । son of monkey, এই চে গুয়েভারা পৃথিবীর ইতিহাসে বিখ্যাত নাস্তিকদের অন্যতম (১) । আমাদের দেশের পত্রিকা ওয়ালারা চে গুয়েভারার জন্ম কিবা মৃত্যু দিনে পারলে তার মুখে ফুল চন্দন দেয় । কিন্ত চে গুয়েভারার কুখ্যাত কর্মকান্ড তুলে ধরতে একদম নারাজ । চলুন তার আসল জগৎ জেনে আসি........
ছোটবেলা থেকেই তাকে ক্লাশের বন্ধুরা নোংরামির জন্য শুকর বলে ডাকত । ১০ দিনে একবার গোসল আর ৭-৮দিন পরপর জামা বদলাতো (২) । এক সময় নাস্তিক, কমিউনিষ্ট সমাজতন্ত্রবাদীদের সংস্পর্শে এসে সন্ত্রাসবাদের দেখা পান । আমাদের দেশের সংবাদজীবিরা তাকে হিরো বললেও খ্যাতিমান বিশ্লেষকরা তাকে The killing man, The murderer.,হিসাবে তুলে ধরেছেন (৩) । তিনি অনেক সংগ্রামই পরিচালনা করেছেন । তার মধ্যো একটা হল কিউবা আক্রমন । শান্তি প্রতিষ্ঠার অযুহাতে চে গুয়েভারা কিউবা আক্রমন কালে সেখানে শত শত নারী, পুরুষ, শিশু হত্যা করেন । তখন কিউবায় রাষ্ট ক্ষমতায় ছিল বাতিস্তা সরকার । বাতিস্তা সরকারকে পরাজিত করে তিনি রাহুলও ফিদেল কাস্ত্রোর সহযোগীতায় সরকার গঠন করেন ৷ লোভী চে গুয়েভারা ঐ সরকারের বিভিন্ন পদ একাই দখল করেন ::যেমন শিল্পমন্ত্রী,জাতীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট, সামরিক বাহিনীর ডিরেক্টর ( ৪) । যেসব সাংবাদিক ,রাজনীতিবিদ , কবি সাহিত্যিক তার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল যুদ্ধের পরে তাদের বিচারের জন্য ট্রাইবুনাল গঠন করেন আবার তার হেড পদও দখল করেন । ট্রাইবুনালের আসামিদের খুঁটির সাথে বেঁধে মাথায় খুলি বরাবর গুলি করে তাদের মস্তক চূর্ণ বিচূর্ণ করার হুকুম দেন । এমনকি এই সন্ত্রাসী ৬ মাসের এক অন্তঃস্বত্তা মহিলার পেটে গুলি করে হত্যা করতেও দ্বিধা করেননি (৫) ৷ কিউবার la cabana নামকজায়গায় তার এই হত্যা নামার সাক্ষী javier arzuga (৭৬ বছর) নামক ব্যক্তি যিনি বর্তমানে puerto rico তে বসবাস করেন । তিনি বলেন, এই কসাই আমার সামনে ডজন ডজন মানুষ কুত্তার মত হত্যা করেছে। চে ব্যাংক ডাকাতির সাথেও জড়িত ছিল(৬) ।
এই লোকটার এত খুন খারাপির পিছনে উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা । যে সমাজতন্ত্রের মূল কথাই হল সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করা যাবেনা । সমাজতন্ত্রী কমিউনিষ্টরা কোটি কোটি মানুষকে গরু ছাগলের মত খুন করেছে ( ৭) । তাই এই সমাজতন্ত্রীদের রুখতে হাজার হাজার আলেমরা একসময় প্রতিবাদে গর্জে ওঠে । তারা এদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামেন। সমাজতন্ত্রবাদী রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়েই স্বাধীন হয় আফগানিস্তান, কাজাকিস্তান, বসনিয়ার মত মুসলিম রাষ্ট্র গুলো । অপরদিকে চে গুয়েভারাকে হিরো বলা হলেও গুয়েভারা কিন্ত তার জীবনের বেশিরভাগ যুদ্ধ গুলোতেই ব্যর্থ । যেমন নিকারাগুয়া, কঙ্গো, পানামা , হাইতি, বলিভিয়া । আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে তাহলে এই কুখ্যাত ব্যর্থ সন্ত্রাসীর এমন হিরো হিরো ইমেজ গড়ে উঠলো কেমন করে ? দেখুন বর্তমান যুগে ইসলাম বিদ্বেষী মালালাকে কেউ চিনত না । কিন্ত মিডিয়াগুলো তাকে এমন বীরঙ্গনা বানিয়ে ছাড়লো যে শেষে তাকে নোবেল ও দেওয়া হলো । গুয়েভারার বেলায় ও এমনটাই করা হয়েছিল । তার বন্ধু ফিদেল কাস্ত্রো কিছু সংবাদ জীবিকে কবুতরের মত পুষেছিল যাদের সামনে টাকা ছিটালেই উড়ে এসে হাতে বসত । তাদের মধ্যো অন্যতম ছিল নিউইয়র্ক টাইমসের হারবার্ট ম্যাথিউ , CBS এর এডম্যুরো ও ড্যান রাদার, ABC র বারবারা ওয়াল্টার্স (৮) । এরাই গুয়েভারাকে হিরো বানাতে সাহায্য করেছিল । বর্তমান কালেও এই পদ্ধতি ব্যবহার করে অসভ্যদের হিরো বানানো হয় ৷ এত কিছু স্বত্তেও এই কুখ্যাত নাস্তিক রেহাই পায় নাই । যুদ্ধের সময় বলিভিয়ার আর্মিরা তাকে শুধু হত্যাই করেনি পরবর্তীতে তার দুই হাত কেটেও বিচ্ছিন্ন করে (৯) ।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৪:১৭
৩০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরো...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫২

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরোচ.....

বিপ্লবের লক্ষ্য কী- পরিবর্তন, নাকি প্রদর্শন?
বাংলাদেশে জেন-জি স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে; কিন্তু প্রশ্ন- স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারী মানসিকতা কি গেছে?
যে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে রাজপথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রম্য: পর্নের সেকাল একাল!

লিখেছেন গেছো দাদা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬

গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো:... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০




কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন

শব্দের শক্তি, ভাষার মাধুর্য....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫২

এমিরেটস, কাতার এয়ার লাইন্স ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রিক্রুটমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে গ্রুপ ডিসকাশন। গ্রুপ ডিসকাশনের সারমর্ম হচ্ছে—৬-৮ জন কয়েকটি গ্রুপে একটি নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×