মেট্রোরেল সময়ের চাহিদা এবং এটা অনেক আগেই দরকার ছিল। একটা যুগপযোগী রেল ব্যাবস্তা যে কোন নগরের যাতায়াত ব্যাবস্তাকে সহজতর ও দ্রুত করে তোলে কিন্তু সেটা হতে হবে পরিকল্পনামাফিক। আগের চিন্তা আগে ও পরেরটা পরে দেখা যাবে, এইরকম ভাবে এত বড় একটা প্রকল্প বাস্তবায়ন কোন উপকারে তো আসবেই না বড়ংচ ভবিষ্যতে বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে।
সমস্যাটা হচ্ছে রেলের রুট নিয়ে। রেলের রুটটা হচ্ছে মিরপুরের সাথে অন্যান্য যায়গার সংযোগকারী একটি প্রধান রাস্টার উপর দিয়ে যেখান দিয়ে বিভিন্ন রুটের বাস চলাচল করে। যেমন মো:পুর থেকে উত্তরা, গাবতলী থেকে মিরপুর ১০ নং হয়ে উত্তরা, বনানি, মতিঝেেল, বাড্ডা, মিরপুর থেকে গুলিস্তান, বনানি, বাড্ডা, গাজীপুর এমনকি আরও ওনেক। মিরপুর ১০ থেকে খামারবাড়ী পর্যন্ত রাস্তাটি মাত্র ১০০ ফিট চওড়া যা কিনা বর্তমানে একেবারেই অপ্রতুল। যার কারণে শেওড়াপাড়া থেকে ১০নং পর্যন্ত বিশাল জ্যাম লেগে থাকে প্রতিদিন এমনকি শুক্রুবাড়েও। ইদানিং আবার কালসি দিয়ে উত্তরা রুট চালু হওয়ায় আরও জ্যাম বাড়ছে দিনকে দিন। এই রাস্তায় একটা ফ্লাইওভার অত্যান্ত জরুরী। অথচ এই রাস্তাই হচ্ছে মেট্রোরেলের রুট।
এখন তাহলে সমস্যাটা কোথায়? এমনিতেই চাপা রাস্তায় এত রুটের বাস চলাচল করে এবং একটা ফ্লাইওভার অত্যান্ত জরুরী সেখানে মেট্রোরেল করা মানে রাস্তার ২০ ফিট জায়গা দখল হয়ে যাবে রেলের পিলার আর আনুসাঙ্গিক কাজে। ১০০ ফিট রাস্তা হয়ে যাবে ৮০ ফিট। অতএব রাস্তাটা চাপ এত বেড়ে যাবে যে পুরো রাস্তাটাই না অকেজ হয়ে পড়ে। দ্বিতীয় যে বড় সমস্যাটা হবে এই রাস্টার উপড় কোন ফ্লাইওভার নির্মাণের সম্বভনা বাতিল করতে হবে। কারণ মেট্রোরেলের উপর দিয়ে আবার ফ্লাইওভার আসলে অবাস্তব ও চড়ম ব্যায়সাপেক্ষ ব্যাপার হয়ে দড়াবে। অতএব রাস্তাটার মৃত্যু দেখতে পাচ্ছি আমি। আর এই রাস্তার মৃত্যু মানে মিরপুরবাসীর জন্য চড়ম দূর্ভোগ বয়ে আনবে।
পৃথিবীর কোন দেশেই এরকম প্রধান রাস্তার উপর কোন রেল লাইন আছে কিনা আমার জানা নাই। থাকলেও সেটা দ্বিতল উড়াল সেতুর প্লান করে করা হয় বলেই আমি জানি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

